somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"আসুন আমরা এসব পাকিস্তানের সংস্কৃতি বর্জন করি। ওড়না ছাড়ি, উন্নত হই"

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এবছর স্কুলের প্রথম শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে কোমলমতি বাচ্চাদের অক্ষর চিনানোর জন্য "ও" তে ওড়না ব্যবহার করা হইছে। আর বাক্য হচ্ছে "ওড়না চাই " :O
বেপারটা প্রশাংসার দাবীদার। অত্যন্ত ভাল একটা আইডিয়া।
ওড়না হচ্ছে পাকিস্তানের সংস্কৃতি। এরসাথে বাঙালির কোনো সম্পর্ক নাই। এটা একটা সাম্প্রদায়িক পোশাক। বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে কোথাও ওড়নার কথা লেখা নাই। অথচ আজ স্বাধীনতার ৪৫
বছর পরও সেই ওড়না পরতে নারীদের বাধ্য করা হচ্ছে। অত্যন্ত আফসোরে সাথে বলতে হয়।
ক্লাস ওয়ানের পাঠ্যবইয়ে লেখা "ও তে ওড়নাচাই"! এ নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। "ওড়না চাই" থেকে কোমলমতি শিশুরা নারী পুরুষের বৈষম্য শিখবে, সাম্প্রদায়িকতাশিখবে। অথচ শিক্ষার উদ্দেশ্য হচ্ছে নারী পুরুষের বিভেদ দূর করা, সাম্প্রদায়িকতা দূর
করা। আজ ওড়না চাই, কালকে বলবে হিজাব চাই,
পরশু বলবে জিহাদ চাই। এভাবেই হয়তো ছোট্ট
শিশু সাম্প্রদায়িক হয়ে ওঠবে।
আসলেই ওড়নার কি কোন প্রয়োজন আছে? শাহবাগের আপুরা তো কেউ ওড়না পরে নাই। তাই বলে কি ওনারা খারাপ হয়ে গেছে? নাহ,বরং তারাই তো জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তারাই তো সবচেয়ে মেধাবী। তারাইসবচেয়ে দেশপ্রেমিক প্রগতিশীল। তাহলেওড়নার দরকারটা কি? সানিয়া মির্জারা
যখন ওড়না ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে, বিশ্ব জয়
করছে তখন আমাদেরকে এই এক টুকরো কাপড়
পেছনে ধরে রাখছে। কামিজের সুন্দর কারুকাজ করা ডিজাইনটাথাকে, গলার কাছে। কিন্তু এই ওড়নাটার
কারনে ডিজাইনটা দেখা যায় না। অথচ ওড়না না থাকলে কত্ত সুন্দর লাগতো।
ওড়না পরার কারণে অনেকএক্সিডেন্ট হতে পারে। ভূমিকম্পের সময় দৌড়দিলে প্যাচ লেগে পড়ে মরে যেতে পারে।প্রায়ই শোনা যায়, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে
আত্মহত্যা করলো অমুক কিশোরী। ওড়না যদি
না থাকতো, এসব কিশোরী আত্মহত্যা করতে
পারতো না। বেঁচে যেত অনেক প্রাণ।
ওড়না না থাকলে ইভটিজিং অনেক কমেযেতো। সিনেমাতে দেখতাম মিশা সওদাগরপপির ওড়না নিয়ে দৌড় দিতো। ওড়না নাথাকলে কি এভাবে ইভটিজিং করা যেতো?তাছাড়া গতবছর পহেলা বৈশাখে ঢাকাভার্সিটিতে মেয়েদের ওড়না ধরে
টানাটানি করা হইছিল। যদি ওড়না না থাকতো,
তাহলে এসব টানাটানিও হতো না,বিশৃঙ্খলাও হতো না। ওড়না মানেই তো অপচয়। সারাদেশে দুইকোটি মেয়ে যদি ওড়না পরে প্রতিটা ওড়নার দাম ৫০ টাকা করে হলেও ১০০ কোটি টাকা।ক্যান ইউ বিলিভ? এই ১০০ কোটি টাকা দিয়েআমরা গাছ লাগাতে পারি।
যে জাতি যত কম ওড়না পরে সে জাতি ততবেশি উন্নত। আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র ভারতেরদিকে তাকাতে পারি। এরা এতদিন ওড়নাপরতো বলে অনুন্নত ছিল। ওড়না ছাড়ার পরথেকে ভারত খরগোশের গতিতে উন্নত হচ্ছে।ভবিষ্যতে পৃথিবীর এক নম্বর রাষ্ট্রে পরিণতহবে ভারত।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈশ্বর আমার সঙ্গে আছেন

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



যুদ্ধের আগে
আকাশের দিকে তাকিয়ে,
মানুষ নিজ নিজ পতাকা ঈশ্বরের রঙে রাঙায়।

প্রথম আঘাতের পর,
প্রথম রক্তের ফোঁটা মাটিতে পড়ার পূর্বে,
মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে—
"ঈশ্বর আমার সঙ্গে আছেন।"

প্রতিটি যুদ্ধের আছে একেকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×