বেশ কয়েকদিন আগে একটা পোস্ট করেছিলাম বোনদের পোশাক পরিচ্ছদ নিয়ে। সেখানে যা বলেছিলাম, তার সারাংশ হলো "প্রিয় বোন, আপনি দামি নোংরা পোশাক না পড়ে শালীন পোশাক পরিধান করুন। এতে আপনি পুরুষের কু-নজর হতে রেহাই পাবেন এবং মহান আল্লাহ তা'আলাও আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন।"
এই কথার কমেন্টে একজন ব্লগার "রুপক বিধৌত সাধু" বলেছিলেন, পর্দানশীল নারীরাও তো ধর্ষিত হচ্ছে হরহামেশাই। এ ক্ষেত্রে করণীয় কী?
প্রিয় দাদা, এ ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়টা আমাদের মা বোনদের থেকে রাষ্ট্রপ্রধানের বেশি। যদি "রাষ্ট্রপ্রধান" অর্থ্যাৎ "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী" দেশ প্রশাসনকে আদেশ দেন জনসম্মুখে প্রতিটি ধর্ষকের লিঙ্গ কেটে ফেলার। তবে দেখবেন, "আমার, আপনার এবং সবার মা বোনেরা অতি অভিন্ন পদাচরণে বাংলার বুকে হেঁটে বেড়াতে পারছেন।
আশাকরি আপনার প্রশ্নের যথোপযুক্ত প্রত্যুত্তর দিতে পেরেছি।
.
আপনারা লক্ষ্য করলে দেখবেন, পকেটমার কিংবা চোরের শাস্তি আমরা আমপাবলিকরাই দিয়ে থাকি। কিন্তু কোনো ধর্ষকের শাস্তি আমরা সেই চোরদের শাস্তির মতো দিতে পারি না। কিন্তু কেন?
এই "কেন" এর উত্তর হচ্ছে, আপনি বা আপনারা সেই ধর্ষককে শাস্তি দিলে প্রশাসন হতে আপনাকে বা আপনাদের চৌদ্দ সিকের ভাত খাইয়ে ছাড়বে। ধর্ষক পার পেয়ে যাবে ঠিকই। আর আপনি নাকাল মশাই জেলে পঁচে মরবেন।
.
আমি বলেছিলাম, "প্রিয় বোনদের শালীনতা বজায় রেখে পোশাক পরিধান করতে এবং নম্রতার সহিত পথে চলাফেরা করতে। এতে হাতে গোণা কয়েকজন পুরুষ ছাড়া কেউ আপনাদের দিকে চক্ষুগোচর করবে না। আপনাকে নিয়ে কু-চিন্তা তার মাথাতেও আসবে না।"
কিন্তু ধর্ষকের চিন্তাভাবনা ভিন্ন রকম। তারা পর্দানশীল নারীর মধ্যেও নিজের ভোগ্য বস্তুটা দেখতে পায়। তাদের হাত থেকে রেহাই পাবার প্রাথমিক কিংবা প্রধান উপায় হচ্ছে "কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা।"
এদেশে আইনানুগ ব্যবস্থা সূক্ষ্ম হলেই ধর্ষকেরা ধর্ষণ হতে বিরক্ত থাকবে।
.
আসুন আমরা সোচ্চার হই। ধর্ষকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই। চোর, পকেটমারের মতো ধর্ষককেও পিটিয়ে শাস্তি দেই এবং জনসম্মুখে তার লিঙ্গ কেটে শিরচ্ছেদ করার আহ্বান জানাই পুলিশ প্রশাসনকে।
.
লেখক: শ্রাবণ আহমেদ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


