somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মজুরি কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ২৭ সেপ্টেম্বর আগামী ঈদেও বাড়তি বেতন পাচ্ছে না রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানার লক্ষাধিক শ্রমিক

১৩ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মজুরি কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন ২৭ সেপ্টেম্বর
আগামী ঈদেও বাড়তি বেতন পাচ্ছে না রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানার লক্ষাধিক শ্রমিক
জাফর আহমেদ
এক বছর আগে 'জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন' গঠিত হলেও ঈদের আগে কমিশন চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারছে না। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কমিশন গঠিত হওয়ার সময় চার মাস সময় বেঁধে দেয়া হয়। এরপর নানা অজুহাত দেখিয়ে কমিশন ছয় মাস কোন কাজই শুরু করতে পারেনি। এ সময়ের মধ্যে জীবন নির্বাহের ব্যয় বৃদ্ধি পায় কয়েক গুণ। বৃদ্ধি পায় ভোগান্তি। একই সময়ে বিভিন্ন মহলের চাপের মুখে কমিশন শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ নির্ধারণ করে ২৭ সেপ্টেম্বর। ফলে আগামী ঈদেও বাড়তি বেতন পাচ্ছেন না রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানাগুলোর লক্ষাধিক শ্রমিক।
মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা করে। বাদ পড়ে যায় রাষ্ট্রায়ত্ত জুট, চিনি, ইস্পাত ও লৌহ এবং রসায়ন শিল্পের লক্ষাধিক শ্রমিক। সে সময় বাজারদর অতি মাত্রায় বৃদ্ধি হওয়ার কারণে শ্রমিকদের জীবন নির্বাহের খরচ বেড়ে যায়। এ জন্য শ্রমিকরাও বেতন বৃদ্ধির জোর দাবি জানাতে থাকে। চিনিসহ কয়েকটি সেক্টরের শ্রমিকরা আন্দোলন করে। ফলে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া তিন মাসের মধ্যে বেতন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিলে শ্রমিকরা কর্মসূচি স্থগিত করে। এবং এর পরপরই চার মাস সময় দিয়ে সাবেক সচিব মাহে আলমকে প্রধান করে গঠিত হয় 'জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন-২০১০'। সময় দেয়া হয় চার মাস কিন্তু মাহে আলম কমিশন ছয় মাসে একটিও বৈঠক করতে পারেনি। এ সময় শ্রমিকরা আবার বেতন বৃদ্ধির জোরালো দাবি জানায়, কমিশনের বিরুদ্ধে সমালোচনাও উঠে বিভিন্ন মহল থেকে। ফলে কমিশন গঠন হওয়ার সাড়ে আট মাস পর বসে কমিশনের প্রথম বৈঠক। সে সময় মাহে আলম কমিশনের ব্যর্থতা নিয়ে লেখালেখিও হয় বিভিন্ন সংবাদপত্রে। আবার নতুন করে সময় নির্ধারণ করা হয় এবং তারই ধারাবাহিকতায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২৭ সেপ্টেম্বর।
এ ব্যাপারে জুটকল শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের নেতা সহিদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, এটা খুবই খারাপ দৃষ্টান্ত যে মজুরি কমিশন চার মাস সময় নিয়ে এক বছর অতিক্রম করলেও শ্রমিকদের জন্য মজুরি ঘোষণা করতে পারেনি। জানা গেছে, মজুরি বোর্ড সবেমাত্র কাজ শুরু করেছে। যে দিনই কাজ শুরু করুক দ্রুততম সময়ের মধ্যে মজুরি ঘোষণা করতে হবে এবং ২০০৯ সাল থেকে তা কার্যকর করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, গত বছর ঈদের আগে শ্রমিকদের ২ হাজার করে টাকা দেয়া হয়েছিল, জীবন নির্বাহের ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার সে টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করতে হবে।
এ ব্যাপারে চিনি শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল হক বলেন, শ্রমিকদের কথা দিয়ে শিল্পমন্ত্রী আমাদের কথা রাখেননি। সেপ্টম্বরেও যদি মজুরি ঘোষণা না হয়, আমরা আবার আন্দোলনে যাব।
রসায়ন শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন বলেন, মজুরি কমিশন চলছে ইচ্ছামতো। স্বাধীনতার পর থেকে যাদের নিয়ে কমিশন গঠিত হয়েছে তাদের কেউই রসায়ন শিল্পের ছিলেন না। মজুরি কমিশনের ফাইনাল রিপোর্ট দেয়ার আগে সব সেক্টরের শ্রমিকদের মতামত শোনা উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জাফর আহমেদ
এক বছর আগে 'জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন' গঠিত হলেও ঈদের আগে কমিশন চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারছে না। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কমিশন গঠিত হওয়ার সময় চার মাস সময় বেঁধে দেয়া হয়। এরপর নানা অজুহাত দেখিয়ে কমিশন ছয় মাস কোন কাজই শুরু করতে পারেনি। এ সময়ের মধ্যে জীবন নির্বাহের ব্যয় বৃদ্ধি পায় কয়েক গুণ। বৃদ্ধি পায় ভোগান্তি। একই সময়ে বিভিন্ন মহলের চাপের মুখে কমিশন শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ নির্ধারণ করে ২৭ সেপ্টেম্বর। ফলে আগামী ঈদেও বাড়তি বেতন পাচ্ছেন না রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানাগুলোর লক্ষাধিক শ্রমিক।
মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা করে। বাদ পড়ে যায় রাষ্ট্রায়ত্ত জুট, চিনি, ইস্পাত ও লৌহ এবং রসায়ন শিল্পের লক্ষাধিক শ্রমিক। সে সময় বাজারদর অতি মাত্রায় বৃদ্ধি হওয়ার কারণে শ্রমিকদের জীবন নির্বাহের খরচ বেড়ে যায়। এ জন্য শ্রমিকরাও বেতন বৃদ্ধির জোর দাবি জানাতে থাকে। চিনিসহ কয়েকটি সেক্টরের শ্রমিকরা আন্দোলন করে। ফলে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া তিন মাসের মধ্যে বেতন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিলে শ্রমিকরা কর্মসূচি স্থগিত করে। এবং এর পরপরই চার মাস সময় দিয়ে সাবেক সচিব মাহে আলমকে প্রধান করে গঠিত হয় 'জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন-২০১০'। সময় দেয়া হয় চার মাস কিন্তু মাহে আলম কমিশন ছয় মাসে একটিও বৈঠক করতে পারেনি। এ সময় শ্রমিকরা আবার বেতন বৃদ্ধির জোরালো দাবি জানায়, কমিশনের বিরুদ্ধে সমালোচনাও উঠে বিভিন্ন মহল থেকে। ফলে কমিশন গঠন হওয়ার সাড়ে আট মাস পর বসে কমিশনের প্রথম বৈঠক। সে সময় মাহে আলম কমিশনের ব্যর্থতা নিয়ে লেখালেখিও হয় বিভিন্ন সংবাদপত্রে। আবার নতুন করে সময় নির্ধারণ করা হয় এবং তারই ধারাবাহিকতায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২৭ সেপ্টেম্বর।
এ ব্যাপারে জুটকল শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের নেতা সহিদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, এটা খুবই খারাপ দৃষ্টান্ত যে মজুরি কমিশন চার মাস সময় নিয়ে এক বছর অতিক্রম করলেও শ্রমিকদের জন্য মজুরি ঘোষণা করতে পারেনি। জানা গেছে, মজুরি বোর্ড সবেমাত্র কাজ শুরু করেছে। যে দিনই কাজ শুরু করুক দ্রুততম সময়ের মধ্যে মজুরি ঘোষণা করতে হবে এবং ২০০৯ সাল থেকে তা কার্যকর করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, গত বছর ঈদের আগে শ্রমিকদের ২ হাজার করে টাকা দেয়া হয়েছিল, জীবন নির্বাহের ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার সে টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করতে হবে।
এ ব্যাপারে চিনি শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল হক বলেন, শ্রমিকদের কথা দিয়ে শিল্পমন্ত্রী আমাদের কথা রাখেননি। সেপ্টম্বরেও যদি মজুরি ঘোষণা না হয়, আমরা আবার আন্দোলনে যাব।
রসায়ন শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন বলেন, মজুরি কমিশন চলছে ইচ্ছামতো। স্বাধীনতার পর থেকে যাদের নিয়ে কমিশন গঠিত হয়েছে তাদের কেউই রসায়ন শিল্পের ছিলেন না। মজুরি কমিশনের ফাইনাল রিপোর্ট দেয়ার আগে সব সেক্টরের শ্রমিকদের মতামত শোনা উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×