
তোমার অধরা স্বপ্নে আমি হাত দিয়েছি একটি স্নিগ্ধ ভোর দেবো বলে ।
বহু আঁধারের নিশ্চুপ পোকার দলে আমিও নাম লিখিয়েছি,
সেই কবে !
তাই আশাবাদী, অতি নিকটে তুমি একটি স্নিগ্ধ ভোর পাবে !
নীল গালিচা সংবর্ধনা পেয়ে
আপন হৃদয়ের সলিল সমাধি ।
স্বপ্নের বিহ্বল তাকিয়ে থাকা
তোয়াক্কা করে চলেছি নিরুপায় ।
সেই পথিককে খুঁজছি আমি যার হয়েছে পথ শেষের উদার উল্লাস....
নিশ্বাসবিহীন বেঁচে থাকার উদাহরণ হয়ে নিরঙ্কুশ দাঁড়িয়ে আমি রণক্ষেত্রে মৃত্যুর ঠিক সামনে। তার সাথে আমার বন্ধুত্ব হয় নি । তাই পুরো এক পৃথিবী হয়েছে বিরান । পেঁছনে তাকাই না আমি । জানি সেখানে আমার সারি সারি দেহ সাজানো, হয়তো আরও সাজবে- পুরুষ, নারী, শিশু, বৃদ্ধ, মৃত্তিকা, জল, বাতাস, বৃক্ষ এবং... এবং... । এসব দেহ থেকে যন্ত্রণা, দুঃখ, আহাজারি, বীভৎসতার নির্যাস নিয়ে আমার এই দেহে একটি আঁধারময় হৃদপিণ্ড গড়েছি । মৃত্যুর চক্ষুতে রক্ত ঝরে আমার খুনের স্বপ্নে । আর সেই চক্ষুদ্বয়ে আমি অপলক তাকিয়ে আছি কারণ এই হৃদপিণ্ডে বহু আগে রক্ত শুকিয়ে গেছে ।
মৃত্যু ! তুমি হারাতে পারবে না আমায় , কারণ দেহ থেকে দেহ গড়ে গড়ে আজ এই দেহ হয়েছে পুড়ে মহান । তোমার আফসোস এই দেহ আর তোমার সান্নিধ্যে নেই । বহু তো করেছো স্বয়ং তোমারও মৃত্যু অতি নিকটে ! হয়তো ভাবছো তুমি, মৃত্যুর আবার মৃত্যু হয় কী করে ! কিন্তু তুমি জানো না, আমার জেগে উঠা যে তোমার মৃত্যু !
সময়ের সংকোচনে নতুন সময়ের জন্ম ।
মৃত্যু, এ সময় তোমার নয় ।
তুমি ভুল ভেবেছিলে, সময়কে পূর্ণাঙ্গে কেড়ে নিতে পারবে ।
হৃদপিণ্ডের নীলরক্তে জমানো সেই আঁধারের দ্রাবণে আজ নতুন আলোর উঁকি ।এই নাও কথা দেয়ার সেই স্নিগ্ধ ভোর । আজ নতুন এক সূর্য উঠবে । যার রশ্মিতে আমি মিলিয়ে যাবো পরতে পরতে ।
আমি বিজয় । যে নাম দিয়েছিলে তোমরা ।
[ কবিতাটি ১৬ই ডিসেম্বর ভাবনায় লেখা ]
ছবি কৃতজ্ঞতা- নেট ।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




