somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

কথাকথিকেথিকথন
আমার একটি দুঃখ আছে, নাম তার 'সুখ' ! যার পেছনে দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে হচ্ছি আমি নিত্যি বেহুশ !!( [email protected] )

অধরাগুলো হয়েছে আজ নক্ষত্র !

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



যে রঙিন আকাশ দিয়েছিলে তুমি, তাতে-
এই রাতগুলোয় হয় অজস্র নক্ষত্রের উদয় ।
দেহের পুরনো এই নিরাকার বৃত্তগুলো পাগল হয়ে,
বারণ ভেঙ্গে তাদের ধরতে ডুব দেয় কালো সমুদ্রে।
তবুও পারে না ধরতে তাদের, সেখানের দূরত্ব নাকি পূজো করে অধরার !

শুষ্ক ঠোঁটে ফুটে উঠে নীলাভ রঙের কায়া
দীর্ঘকায় সমুদ্র পেরেছে শুধু দেখাতে তার বাজেয়াপ্ত গভীরতা,
কিন্তু পারে নি অজস্র জলেও মেটাতে কারো তৃষ্ণা ।
অথচ পেরেছে ঠিকই চক্ষু বেয়ে পড়া মুক্তোর ছোট্ট ফোঁটাগুলো-
প্রলয়ঙ্কারী ইতিহাসটাকে অবলীলায় গোছাতে !

চন্দ্রালোকে যখন কোন পরিশ্রমী গাঙচিল,
রুপালি ঘোমটা দিয়ে সমুদ্রের নিশাচর ঢেউ ছিঁড়ে উড়ে যায়,
তখন তাকে বক্ষ খুলে বলতে ইচ্ছে হয় খুব,
'ওহে গাঙচিল !,
তুমি আলোর বিহঙ্গ হয়েও বিচরণ করছো-
রাত্রির আকাশে, দক্ষ শিল্পীর প্রতিচ্ছবি বয়ে ।
তবে দাও না এনে হারিয়ে যাওয়া আমার ওই নক্ষত্রগুলোকে !
তুমি পারবে, আমার বিশ্বাস !
করি নি তো তেমন কোন অন্যায় আবদার
তোমাদের তো আছে অধিকার পাড়ি দেয়ার সীমাহীন পথ !
যদি তুমি না চাও এনে দিতে আমায়,
ফের আকুতি রবে আমার-
পারো যদি তবে আমায় বানিয়ে নাও তোমার ডানার একটি ছোট্ট পালক ।

কিন্তু তাকে কিছুই পারি নি বলতে, চিৎকার করতে এখন ভয় হয় ভীষণ
আমার নাকি হয়েছিল মস্তিস্কের নিদহীন রক্তক্ষরণ
মরে গেছে বেশকিছু নিউরণ যেখানে লেখা ছিলো নক্ষত্রগুলোর অজস্র গল্প
তাদের পারি না আর আমি ডাকতে, গল্পগুলো যে এখন আমার নেই
তারা শুধুই আছে অনুভবে, দৃষ্টান্ত হয়ে অধরার নিঃসঙ্গ বুকে ।



ছবি কৃতজ্ঞতা- নেট ।

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৩১
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মঞ্চে রাজনৈতিক বিভাজন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:২৪



উদীচী পুড়ার সময় কি হারমোনিয়াম, তবলা, একতারা, দোতারা, সেতার কিংবা বাঁশি পুড়েনি?, মনে রাখবেন তখন আগুন শুধু কিছু বাদ্যযন্ত্র পোড়ায়নি, -পুড়েছিল এই বাংলার সংস্কৃতির, এই বাংলার শত কোটি মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২৮

স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।
================================
ইতিহাস কখনো মুছে যায় না। যে জাতি তার মানুষের কান্না, আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের দাবি ভুলে যায়, সে জাতির ভবিষ্যৎও প্রশ্নের মুখে পড়ে।
আজ এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকস্বাধীনতা নাকি বাকসন্ত্রাস?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৩২

বাকস্বাধীনতা নাকি বাকসন্ত্রাস?

বাকস্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক অধিকার। কিন্তু বাকস্বাধীনতা মানে যা খুশি তাই বলা নয়; অন্যের সম্মান, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে উপেক্ষা করারও নাম নয়।

কোনো ব্যক্তি, পরিবার, গোষ্ঠী বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আবার সমস্যা, ব্লগ আমাকে কেন ভোগাচ্ছে?

লিখেছেন মেহবুবা, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩

আবার সমস্যা ব্লগ ঠিকমত দেখা যায় না। কিছুদিন আগে এমনটি হয়েছিল। ব্লগার সুলাইমান সহজ করে সমাধান বের করে দিয়েছিল। এবার একই সমস্যা হচ্ছে তবে সেই একই উপায়ে কাজ হচ্ছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ কি ইরানের নতুন শত্রু হতে চলেছে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৬


মরুভূমির গরম বাতাস আর লোহিত সাগরের নোনা জলীয় বাষ্প যেখানে এসে মেশে, বাব এল মানদেব প্রণালীর সেই জায়গাটায় রাতের অন্ধকার নামলেই একটা অদ্ভুত নীরবতা ছেয়ে যায়। কিন্তু সেই নীরবতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×