
বিনির্জিত নিঃশ্বাস সকল
ক্ষয়িষ্ণু হৃদপিণ্ডের বিপরীতে
মস্তিষ্কের উড়ন্ত কেশে উড়ে
বিগত ধ্বংসস্তূপের বেহিসেবী হিসেব ।
সন্মুখে ইতিহাস দাঁড়িয়ে থাকে
বৃত্তের বাইরে গম্ভীর মুখে
হাতের রেখায় অধরাগুলো দাউ দাউ করে
চক্ষু নিঃসঙ্গতা লুকিয়ে রাখে সময়ের কাছে ।
পাতাহীন অমর বৃক্ষ তাকিয়ে
শুকিয়ে যাওয়া সমুদ্রের দিকে
জীবন্ত পাথর বিহঙ্গের অঙ্গে
বাড়ছে তাদের সংসার পালকে।
কোথাও সদ্য পাপড়ি মেলা ফুলের বুক ফেটে
নিখাদ অংকে বেরিয়ে আসে নবজাত মৌমাছি
ডানায় খোদাই করা কিছু তুলতুলে সুখ
নিষ্পাপ গলে নিষ্পাপ
অপরূপ আসক্তিতে
ত্যাগী চক্ষু ফাঁকি দিয়ে বেড়ে ওঠে
আহা! কী নিভৃতে ! কী নিশ্চুপে!
প্রতি বিন্দু ত্যাগে প্রতি মুঠো সুখ।
একদিন প্রতিটি মুহূর্ত রাঙাবে রঙিন
নিঃশ্বাস চেপে হৃদপিণ্ড পর্যন্ত উঠবে স্বচ্ছ গুঞ্জরণ
কেশে কেশে মিশে যাবে মৌমাছির দল
অধরা পুড়ে অমৃত ঝরবে
চক্ষুর নিঃসঙ্গতাগুলো নিক্ষিপ্ত হবে
অজস্র পাতা নিয়ে বৃক্ষ বিমূর্ত তাকিয়ে থাকবে
আগ্রাসী ঢেউ তোলা যৌবন সমুদ্রের জলে
জীবন্ত পাথরগুলো অজস্র পুষ্পকলি নিয়ে
পতিত হবে সামদ্রিক যত্নে জন্ম নেয়া উর্বর স্থলে
পাথরের সংসারে সংসার গড়বে জলজ প্রাণ।
অবশেষে প্রতিটি ত্যাগের বিনম্র বিসর্জন হবে
অবশেষে একটি জীবন্ত সৎকারের হবে দীপ্যমান পুনরুত্থান ।
ছবি বন্ধু- গুগল ইমেইজ ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




