বর্তমানে ঢাকা শহরে বিভিন্ন স্থানে বিধিবদ্ধ মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত শব্দ উৎপন্ন হচ্ছে। ধানমন্ডিকে নিরব এলাকা হিসাবে চিহিৃত করা হলেও এর শব্দ ডেসিবল মাত্রায় দিনে ৫০ রাতে ৪০ থাকার কথা। কিন্ত বর্তমানে রাতেই রয়েছে ৮৪ ডেসিবল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের স্থানটুকু নিরব এলাকা হিসাবে চিহিৃত করা হয়েছে। এখানে দিনে ও রাতে ৫০ ও ৪০ ডেসিবল শব্দের মানমাত্রা থাকার কথা। কিন্ত দিনেই রয়েছে ১০৪ ডেসিবল। ঢাকা শিশু হাসপাতালের স্থানটি মিশ্র এলাকা হিসাবে চিহিৃত করা হয়েছে। এখানে দিনে ৬০ ও রাতে ৫০ ডেসিবল মানমাত্রা থাকার কথা। কিন্ত দিনেরই রয়েছে ৯৫ডেসিবল। বিমানবন্দরের মূল সড়ক বাণিজ্যিক এলাকা হিসাবে চিহিৃত করা হয়েছে। এখানে দিনে ৭০ ও রাতে ৬০ ডেসিবল শব্দের মানমাত্রা থাকার কথা। কিন্ত দিনেই রয়েছে ১১৬ ডেসিবল। রাউজক ভবনের সামনের এলাকাটি মিশ্র এলাকা হিসাবে চিহিৃত করা হয়েছে। এখানে দিনে ৬০ ও রাতে ৫০ ডেসিবল শব্দের মানমাত্রা থাকার কথা থাকলেও দিনেই রয়েছে ১০২ ডেসিবল। কাকলি এলাকাকে বাণিজ্যিক এলাকা হিসাবেি চহিৃত করা হয়েছে। এখানে দিনে ৭০ ও রাতে ৬০ ডেসিবল শব্দের মানমাত্রা থাকার কথা। কিন্ত দিনেই রয়েছে ১০৮ ডেসিবল। আজিমপুর কোয়াটার আবাসিক এলাকা হিসাবে চিহিৃত।্এখানে দিনে ৫৫ ও রাতে ৪৫ ডেসিবল শব্দের মানমাত্রা থাকার কথা। কিন্ত দিনেই রয়েছে ৮৪ ডেসিবল। শাহবাগ মোড় নিরব এলাকা হিসাবে চিহিৃত করা হয়েছে। এখানে দিনে ৫০ ও রাতে ৪০ ডেসিবল শব্দের মানমাত্রা থাকার কথা। কিন্ত দিনেই রয়েছে ৭৫ থেকে ৯৭ ডেসিবল। সাত মসজিদ আবাসিক এলাকা হিসাবে পরিচিত। এখানে শুধু দিনে শব্দের মানমাত্রা ৭৬ থেকে ৮৭ ডেসিবল। কিন্ত থাকার কথা ৪৫ থেকে ৫৫ ডেসিবল।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মে, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



