somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উত্তরটা কেউ দেবেন কি?

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঘটনাটা 19 তারিখের। আমাদের ক্যাম্পাসে "রুয়েট থিয়েটার" নামে নাটকের একটি সংগঠন আছে। এদের কোন ফান্ড নেই। নাটকের প্রতি ভালবাসার কারণে এরা নিজেরাই টাকা খরচ করে মাঝে মাঝে নাটক করে। বেশিরভাগ নাটকই সবার জন্য বিনামূল্যে উন্মুক্ত থাকে আর মাঝে মাঝে খরচ খুব বেশি হলে টিকিটের ব্যবস্থা করে, তাও মাত্র দশ টাকা। "রুয়েট থিয়েটার" এর যে সভাপতি (চঞ্চল) সে আমাদের খুবই কাছের একজন বন্ধু, খুবই মজার মানুষ এবং খুবই ভাল অভিনয় করে। ও যতক্ষণ আমাদের সাথে থাকে ততক্ষণ আমাদের মাতিয়ে রাখে। "মেড ইন বাংলাদেশ" দেখার পর থেকে 'শিল্পকলা'র অণুকরণে আমরা ওকে ডাকি 'নাট্যকলা'। যাইহোক মাসখানেক ধরে ওরা ওদের নতুন নাটকের রিহার্সেল করছে। শেষের দিকে এসে ওরা রাতেও রিহার্সেল করেছে। প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতিও নিয়েছে 19 ফেব্রুয়ারি নাটক করবে আমাদের অডিটরিয়ামে। টিকিটও বিক্রি করা হয়ে গেছে। 19 তারিখ সকালে ছাত্র কল্যাণ পরিচালক ওদের ডেকে বললেন, "নাটক করা যাবে না। ডিসি অফিস থেকে নির্দেশ এসেছে কোন প্রকার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না।" এরপর ওরা থানায়, ডিসি অফিসে পারমিশনের জন্য দৌড়াদৌড়ি করল কিন্তু কোন লাভ হল না। একমাস রিহার্সেল করার পর যদি নাটক হবার দিন সকালে কেউ শোনে যে নাটক করা যাবে না তাহলে তার মনের অবস্থা কিরকম হতে পারে? সবমসয় হাসিখুশি চঞ্চলের এই প্রথম মন খারাপ দেখলাম। আমরা কি সান্ত্বনা দিব, আমাদের মন খারাপ হয়ে গেল খবরটা শুনে। আর থিয়েটারের ছেলেরা যখন হলের রুমে রুমে গিয়ে টাকা ফেরত দিয়ে আসছিল তখন অনেকেই চোখের পানি সামলাতে পারছিল না। বর্তমান সরকারের অনেক কিছুই আমার খুবই ভাল লেগেছে কিন্তু সকল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধের ব্যাপারটা আমার ঠিক পছন্দ হয়নি। একথা ঠিক যে বেশিরভাগ সাংস্কৃতিক সংগঠন কোন কোন দলের সাথে প্রত্য বা পরোভাবে জড়িত। কিন্তু একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন "রুয়েট থিয়েটার" কেন তাদের নাটকটা করতে পারবে না?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জলে স্থলে শূন্যে আমি যত দূরে চাই

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩



আমি ভেবেছিলাম, তুমি আমাকে ভুলেই গেছো!
লম্বা সময় ধরে কোনো যোগাযোগ নেই। আমিও নানান ব্যস্ততায় যোগাযোগ করতে পারিনি। তুমিও যোগাযোগ করনি! অবশ্য তুমি যোগাযোগ অব্যহত না রাখাতে আমি বেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অদৃশ্য ছায়া: সমুদ্রের সাক্ষী

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬



ঢাকার বনানীর সেই ক্যাফেতে বৃষ্টির শব্দ এখন আরও তীব্র। আরিয়ান তার কফির মগে আঙুল বোলাচ্ছিল, তার চোখ দুটো ক্লান্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ। সাঈদের দিকে তাকিয়ে সে নিচু গলায় বলতে শুরু করল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

'মানবাধিকার' (অণু গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪

'মানবাধিকার' একটা এনজিও। তারা বিদেশী সহায়তা নিয়ে মানুষ, বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ সুরক্ষায় কাজ করে। আজ তারা একটা বড় সমাবেশ করছে প্রেসক্লাবে। সমাবেশে সাংবাদিকসহ নানান পেশার মানুষ অংশ নিয়েছে। টিভি সাংবাদিকেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নদী তীরের ইমাম থেকে গ্লোবাল ফ্রিল্যান্সার: একটি অনুপ্রেরণার গল্প

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:০৬




নদী তীরের ইমাম থেকে গ্লোবাল ফ্রিল্যান্সার: একটি অনুপ্রেরণার গল্প

একটি বিশাল নদীর কোলঘেঁষে গড়ে ওঠা শান্ত এক জনপদ, আর ঠিক নদীর ঘাট ঘেঁষেই ছিল একটি সুন্দর মসজিদ। সেই মসজিদের ইমাম সাহেব... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু দ্বিতীয় রিফাইনারি (ERL-2) টা করে দেখান , সবার মুখ বন্ধ হয়ে যাবে !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গতকাল নাটকীয়তায় ভরা একটা দিন আমরা পার করলাম । রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন ঝড় বয়ে গেল। পুরো সোশ্যাল মিডিয়া যেন দুই ভাগে ভাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×