আজব দ্বীপ ইস্টার
স্থানীয় ভাষায়, এ ভাস্কর্যগুলোকে বলা হয় মোয়াই। পুরো দ্বীপে সব মিলিয়ে প্রায় হাজারখানেক মোয়াই আছে। প্রতিটিই ১২ থেকে ১৫ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট। একেকটির ওজন প্রায় ২০ টনেরও বেশি। দ্বীপের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্যটি ৩২ ফুট উঁচু। এটির ওজন প্রায় ৯০ টন। তবে দ্বীপের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো সাতটি বৃহদাকার ভাস্কর্য। যাদের আসলে ‘নেভল অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ বলা হয়। স্থানীয় ব্যক্তিদের বিশ্বাস, এই ভাস্কর্য্য-এর শরীর স্পর্শ করলেই অনুভব করা যাবে সারা পৃথিবীর শক্তিকে। এ ছাড়া ইস্টার দ্বীপে আছে ‘আহু’ বলে পরিচিত পাথরের বিশাল বিশাল প্ল্যাটফর্ম। আছে পাথরের তৈরি বিস্ময়কর দেয়াল, পাথরের ঘর ও গুহাচিত্র। পরস্পর সংগতিহীন এসব সৃষ্টি বিস্ময়কে যেন আরও বাড়িয়ে দেয়।
বর্তমানে ইস্টার দ্বীপ এখন দারুণ একটা পর্যটনকেন্দ্র। স্থানটিকে বিশ্বের অন্যতম ‘হেরিটেজ সাইট’ হিসেবেও আখ্যা দেওয়া হয়েছে। নির্জন এ দ্বীপের জনসংখ্যা এখন প্রায় চার হাজার। বলা হয় ১৭৭২ সালে কোনো এক ইস্টার সানডে উত্সবে অ্যাডমিরাল জ্যাকব রগেউইন দ্বীপটি আবিষ্কার করেন। ডাচ্ এই অভিযাত্রীই দ্বীপটির নাম দেন ‘ইস্টার আইল্যান্ড’।
ইংরেজ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন কুকও নাকি দ্বীপটি ঘুরে গিয়েছিলেন। সে সময় এক পলিনেশীয় দোভাষীর মাধ্যমে তিনি স্থানীয় আদিবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলেও জানা যায়। এরপর ধীরে ধীরে ইংরেজ, পর্তুগিজ ও স্প্যানিশ অভিযাত্রীদের কাছে দ্বীপটি ছিল এক রকম বন্দর। তারা দ্বীপের অধিবাসীদের ধরে নিয়ে বিভিন্ন দেশে বিক্রি শুরু করেন। বিদেশিদের ধরে নিয়ে যাওয়া এবং দ্বীপের প্রতিকূল পরিবেশ, সব মিলিয়ে কমতে শুরু করে দ্বীপের লোকসংখ্যা।
কিন্তু এর পূর্বাপর কোনো ঘটনাই এই ব্যাপারটি পরিষ্কার করতে পারে না যে, ইস্টার দ্বীপের মূর্তিগুলো কারা তৈরি করেছে। অনেকে মনে করেন, দ্বীপটিতে বাইরের জগত্ থেকে অভিবাসীরা বাস করে গেছে। ভিনগ্রহের সেই প্রাণীরাই তৈরি করেছে এই মূর্তিগুলো। অনেকে বলেন, দ্বীপের বাসিন্দারা ছিল প্রাচীন মিসরীয়। অনেকে আবার মোয়াইগুলোর সঙ্গে প্রাচীন পলিনেশীয় জাতির ধর্মীয় দেবতা ও পূর্বপুরুষদের অবয়বের মিল খুঁজে পেয়েছেন।
আবার কেউ কেউ ধারণা করেন, দ্বীপে বসবাসরত সেই বাসিন্দাদের প্রতিটি পরিবারের সমাধিস্তম্ভ হিসেবে বানানো হতো একেকটি মোয়াই।
স্থানীয়দেরও আছে আলাদা গল্প —তাদের মতে হুটু মাটু নামের এক ধর্মীয় নেতা কোনো এক যুদ্ধে পরাজিত হয়ে নির্জন এই দ্বীপে আশ্রয় নেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর বংশধরদের নিয়ে দুটি দল তৈরি এবং তাদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। সেখান থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষের মাধ্যমে শুরু হয় এই দ্বীপের সভ্যতা। এবং তারাই এই মূর্তিগুলোর স্রষ্টা।
তবে এ শতকের মানুষ আজও হাজারো প্রশ্ন নিয়ে অদ্ভুতভাবে তাকিয়ে থাকে অজানা রহস্যে ঘেরা মোয়াইগুলোর দিকে। আর ইস্টার দ্বীপের হাজারো মোয়াই নিজের রহস্য নিজ বুকেই ধারণ করেই মাথা উচু করে দন্ডায়মান।
মিথ্যাবাদী কাউবয় "ট্রাম্প" এবং ইরান যুদ্ধের খবর

দিনের শুরুটা হলো ট্রাম্পের মিথ্যা দিয়ে। তিনি লিখলেন: "ইরানে সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে, যা আলোচনার সাফল্যের ওপর নির্ভর করবে।" পরে জানা গেলো, ট্রাম্প যথারীতি মিথ্যা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমার হারিয়ে যাবার গল্প
তোমাকে আমি কোথায় রাখি বলো,
চোখের ভিতর রাখলে
ঘুম ভেঙে যায় বারবার,
বালিশের নিচে রাখলে
স্বপ্নে এসে কাঁদো।
তুমি কি জানো
আমার এই শরীরটা এখন
পুরোনো বাড়ির মতো,
দরজায় হাত দিলেই কেঁপে ওঠে,
জানালায় হাওয়া লাগলেই
তোমার নাম ধরে ডাকে।
আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন
মানব সভ্যতার নতুন অধ্যায়

আজ মানব জাতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
তারিখঃ ২৪ শে মার্চ, ২০২৬
সময়ঃ বিকাল ৪টা, (নর্থ আমেরিকা)
আমেরিকার কংগ্রেস স্বীকার করে নিল ভীন গ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব। স্বীকার করে নিল পৃথিবীর... ...বাকিটুকু পড়ুন
আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস।
আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস।
আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই কালরাতে Operation Searchlight নামের বর্বর অভিযানের মাধ্যমে পাক আর্মি নিরস্ত্র বাঙালির উপর ইতিহাসের জঘন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন
ওয়ান-ইলেভেন: স্মৃতিহীন জাতির হঠাৎ জাগরণ!
কাভার- সরাসরি আপলোড না হওয়াতে!!
ওয়ান-ইলেভেন: স্মৃতিহীন জাতির হঠাৎ জাগরণ!
জেনারেল মাসুদের গ্রেপ্তার হতেই হঠাৎ দেখি-
সবাই একসাথে ওয়ান-ইলেভেন-কে ধুয়ে দিচ্ছে!
মনে হচ্ছে, এই জাতির কোনো অতীতই নেই।
বাঙালির স্মৃতিশক্তি আসলেই কচুপাতার পানির মতো-এক ঝাপটায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।