ভেবেছিলাম চুপ থাকব, কিন্তু থাকতে পারলাম না। মাননীয় সুশীল ও প্রগতিশীল সমাজ, জাতীয় পতাকার উপর দাঁড়িয়ে কেউ নামাজ পড়লে জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়, মানতে পারছি না। গালি দেন, ছাগু বলেন, ছুপা মৌলবাদী, জামাতী যা ইচ্ছা বলেন কিন্তু আমি এটা মানতে পারলাম না। পতাকার উপর পা রেখে দাঁড়ানো দেখছেন কিন্তু সেজদাও যে দিয়েছে সেটা তো আর দেখছেন না। কারন অনলাইনের বাজারে সেই ছবিটা কেউ ছাড়ে নাই।
স্টেডিয়ামে নামাজের ব্যাবস্থা থাকলে হয়ত উনি পতাকার ব্যাবহার করতেন না। ফাঁসি চাইলে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষেরও ফাঁসি চান। রাজাকার আমজাদ খানের যখন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি যখন তার মৃত্যুতে গভীর শোক জ্ঞাপন করেছেন, তখন জাতীয় পতাকার অবমাননা হয় নাই? লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা গাইবার দিন হাজার হাজার পতাকা মানুষের পদতলে পিষ্ট হয়েছিল, সবাইকে ফাঁসি দিয়েছেন কি?
দেশপ্রেম আর যার যার ধর্ম সেই সেই পালন এই দুইয়ের মাঝে কোন সংঘর্ষ নাই। সাংঘর্ষিক হল আমাদের চেতনা। সাংঘর্ষিক হল আমাদের মানসিকতা।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ২:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




