এই যে, এই মেয়ে শোন,
আমি ডাকছি তোমাকে, শুনতে পাচ্ছ কি?
আমার নাম নেই কোন, আমি আশ্রয়বিহীন
এই এতদিন পর, হয়ত নিতান্তই অপরিচিত...অজ্ঞাত!
তবুও,
তোমাকে কেন এত আপন লাগছে?,
মনে হচ্ছে পরিচিত প্রিয়জন -হাজার বছর ধরে!
এই শোন, কাছে আসবে কি? ভয় নেই!
আমি চরিত্রহীন নই, শরৎচন্দ্র আমার নেহায়েত অপরিচিত,
তবু বলছি, এই একটুখানি, কাছে এসো!
আমাকে আশ্রয় দাও! আদর করে একটা নাম ও কিন্তু দিতে পার!
আমি এফিডেফিট করে নেব নোটারী পাবলিক থেকে!
সত্যি বলছি! এই তোমার শপথ!
চুমু চাইনা ঐ পুরুষ্টু ঠোটেঁর,
চে’র মুখোচ্ছবি আকাঁ এই পাতলা টি-শার্টেও
আমি শীতার্ত নই! আমি ঊষ্ণতার জন্য তোমার স্তনে মুখ লুকোবো না,
মিছে বৃষ্টির ছাটঁ থেকে বাচারঁ অজুহাতে তোমার গায়ে লেপ্টে যাবনা!
অথবা গ্রীষ্মের তীব্র রোদে, একটাই স্ট্র দিয়ে রুট বিয়ার খাবো না!
আমি শুধু এই হুডতোলা রিক্সায়
তোমার পাশে বসে চিরদিনের এক অমিমাঙ্গসিত রহস্য
এই ঢাকা শহরকে আবিষ্কার করতে চাই!,
বহুদিনের এই ক্ষুধার্ত এই নির্জীব আমি শুধু
তোমার গায়ের গন্ধে তুষ্ট থাকব,
কামিজের গলার ফাকে দৃশ্যমান অন্তর্বাসের আবেদন
আমি নির্দয়ভাবে উপেক্ষা করে যাব!
আমাকে আশ্রয় দাও, দেবে কি?
আমি কোথাও কোন জোর খাটাব না, সত্যি!
আমার পৌরষিক অসুরের শক্তি
তোমার কলাবতী ফূলের মাঝে প্রবেশ করাব না,
আমি সেখানে আশ্রয় খুঁজে নেব,
হয়ত আমার জিভ আস্বাদন করবে সে ফুলের স্বাদ!
তুমি বাধা দেবে কি তখন?
অতঃপর ,
আমি তোমাকে নিয়ে হারিয়ে যাব,
ঘুমের রাজ্যের মোহগ্রস্ত কিংবা বিকারগ্রস্থ-তোমার ভাষায়!
-সেইসব আদিমতার মাঝে, স্বর্গসুখের মাঝে!
কিংবা প্রচন্ড শীতের রাতে এসি ছেড়ে
এই তোমাকে আগলে ধরে মুভি দেখব, সত্যি বলছি! হাতছাড়া করব না কিছুতেই!
সত্যি বলছি!
একি সে ভুল আর দ্বিতীয়বার হবে না!
নেরুদার মত কবিতা কিংবা গ্যাবার মত গল্প
আমি লিখে যাব তোমার পদ্ম সরোবরে,
বরফ আর শ্যাম্পেন সেখানে রেখে,
কিবোর্ড নয়, জিভ দিয়ে, চাই কি চকোলেট/আইস্ক্রীম সিরাপ দিয়ে?
হার্শে? চলবে কি?
অপেক্ষা শুধু,
তোমার আত্মসমর্পণের!
এই অজ্ঞাত, আশ্রয়হীন যুবকের কাছে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



