somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেইদিন জেনে যাবে সুনিশ্চিত../সুনীল সমুদ্র

২২ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ৩:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

[গাঢ়] পূর্ব কথাঃ[/গাঢ়] এ কবিতা গড়ে উঠেছে কালপুরুষের দুটি পোষ্টকে কেন্দ্র করে। একটি পোষ্ট প্রায় মাসদেড়েক আগের আর অন্যটি সামপ্রতিক সময়ের। আসলে পুরনো পোষ্টটি ঘিরে মনের মধ্যে জেগে ওঠা একটি অনুভূতি থেকে এ কবিতার সূত্রপাত। তারপর কালপুরুষের সামপ্রতিক সময়ের আর একটি পোষ্ট খুব দ্রুত অথচ নীরব-ঠেলায় আমাকে কবিতাটি শেষ করার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। তাই... অবশেষে, তৈরী হল এ কবিতা। এ মুহুর্তে 'আগুনের পরশমণি'তে সাক্ষাৎকার চলছে কালপুরুষ-এর। এ কবিতা কেন্দ্র করে তাকে একটি প্রশ্ন করবো বলেই এই 'পূর্ব-কথা'-য় আপাততঃ তাঁর কোন্ লেখা দুটি কেন্দ্র করে এ কবিতা রচিত হয়েছে - তা গোপন রাখা হ'ল (যদিও, অনেকেই হয়তো তা' বুঝে ফেলবেন)। পরবতর্ীতে, সক্ষাৎকার পর্ব শেষ হয়ে গেলে এডিট করে সংযোজন করে দেওয়া হবে সেই পোষ্ট দুটির শিরোণাম।

[রং=#ঋঋ0000] [সাইজ=5] [আন্ডার] সেইদিন জেনে যাবে সুনিশ্চিত... [/আন্ডার] [/সাইজ] [/রং]
[রং=#660033] [সাইজ=2] [ইটালিক][গাঢ়](And certainly It will happen at a moment, that is cloudy, that is stormy enough....) [/গাঢ়] [/ইটালিক] [/সাইজ] [/রং]

[রং=#003333] [সাইজ=3]এবং সেইদিন-
যেদিন ঝড়ের রাত্রিতে একা একা
আমার এই পোষ্টগুলো পড়তে পড়তে
অজস্র লেখার ভীড়ে তুমি 'চিনে ফেলবে' নিজেকেই-

যেদিন আমার অজস্র সব লেখা আর কবিতার মধ্যে
তোমার এমন সব অপরূপ 'ছবি' দেখে
তুমি অবাক হয়ে ভাববে- 'লোকটা পাগল নাকি? নিজের লেখায় কেউ
এভাবে নিজের বউয়ের ছবি দেয়?'

যেদিন বৃষ্টি, আকাশ আর ক্ষত্রের চেয়েও
'অধিক উজ্জল অবস্থান আমি তোমাকেই দিয়েছি' বলে
বুঝতে পেরে
বিস্ময়ে হতবাক হয়ে আমার প্রতিটি লেখার
প্রতিটি অক্ষর তুমি কাঁপা কাঁপা আঙুলে
ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখবে- অসংখ্যবার

যেদিন শীতের অতিথি পাখীরা এসে বলে যাবে- ভয় নেই, কেবল
তোমার জন্যই রচিত যতো গান-
যতো শব্দের শুভ্র-বাগান-

যেদিন বিশ্বাসে-দৃপ্ত এক প্রজাপতি উপলব্ধির পাখা মেলে-বলে যাবে
ভয় নেই-
কেবল তোমার জন্যই রচিত যতো সুর
যতো প্রাণান্ত প্রণয়ের প্রফুল্ল কথামালা-

যেদিন অনিন্দিতা-বিলাসী-বিরহী সব মিলে মিশে একাকার হয়ে
আমার সকল 'লেখা'র মধ্যে 'বিরল বিজয়ী'র মতো
একটি ধ্রুব সকাল হয়ে
ফুটে উঠবে শুধু তুমি 'একা'-
এবং অবশ্যই আমার সকল অসত্দিত্ব অনুভবে 'একক সম্রাজ্ঞী'র মতো শুধু 'একা'-

সেদিন বৃষ্টির মতো সে আনন্দ-উপলব্ধির অঝর কান্না
তোমাকে ভেজাতে থাকবে সারারাত-

একটি শ্রাবণ উপলব্ধির সুখ, আর
অনুতাপী বর্ষায় ভিজতে ভিজতে সারারাত

হঠাৎ কান্নার মতো হু হু করে তোমার মনে পড়ে যাবে-
বৃষ্টি, আকাশ আর সমুদ্র ঘিরে গড়ে ওঠা আমার সকল সৃষ্টিশীলতাকে
তুমি কী ভীষণ ভুলের অবয়বে গ্রহণ করেছিলে-
কী ভীষণ আনাড়ীর মতো প্রকৌশলী মেধার স্পর্শমাখা
সৃজনশীলতার স্বপ্নে ডুবে থাকা
শত হৃদয়ের ভালবাসায় সিক্ত এক মূল্যবান-পদার্থ-সমান পুরুষকে
তুমি ভুল ক্ষুব্ধতায়
জড়িয়ে দিয়েছিলে 'অপদার্থ' নামক কষ্টের অপবাদে !

সেইদিন উপলব্ধির কান্নায় ভাসতে ভাসতে
তুমি খুব প্রবলভাবে জেনে যাবে-যাকে 'অপদার্থ' ভেবেছিলে-
সে ধারণ করেছিল আসলে তোমার জন্যই
যতো ভালবাসা- তাঁর অভ্যন্তরীণ সমস্ত 'আয়তনে'।

শুধু তোমায় জনম জনম ভালবেসেই- 'অপদার্থ' সে মানুষ আজ
বড় বেশী পদার্থবান- বড় বেশী 'অর্থবহ'- অগণন মানুষের কাছে।

কেউ না জানুক-
সামহয়্যার বস্নগের পৃষ্ঠা জুড়ে লিখে যাওয়া সব লেখা-
আর অনত্দতঃ 'সুনীল সমুদ্র' - সেকথা সুনিশ্চিত জানে ![/রং]


...............................................................
[রং=#0000ঋঋ][গাঢ়][ইটালিক] রচনাকাল ঃ22/07/2006ইং, ঢাকা[/ইটালিক][/গাঢ়][/রং]




সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৩:২৩
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিষন্ন মেঘের ভেলায় ভেসে....

লিখেছেন ইন্দ্রনীলা, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:২৯



তোমাকে শুধু একটাবার বড় দেখতে ইচ্ছা করে...
এই ইচ্ছায় আমি হয়ে যাই একটা ঘাসফড়িং
কিংবা আসন্ন শীতের লাল ঝরাপাতা,
উড়ে যাই ভেসে যাই দূর থেকে দূরে...
অজানায়...

শরতের কাঁশফুলের পেঁজা তুলো হয়ে
ফুঁড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্রেইস

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ২:০৯


এরা সাড়ে তিনফুট থেকে চারফুট দীর্ঘ,ছোট খাটো,পাতলা গড়ন বিশিষ্ট। চোখগুলো খুব বড়, নাক দৃশ্যমান নয়,ত্বক ছাই বর্ণের,অমসৃণ এবং কুঁচকানো। উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন। পুরোই... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়ের বুকের ওমে শেষ ঘুম

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৯



আমার নাম তৃশান। সবে তো স্কুলে যাওয়া শুরু করেছি। আজ আমার খুব আনন্দ! বাবা-মা, দিদি আর দাদু-দিদুন মিলে আমরা মস্ত বড় একটা নৌকায় ঘুরছি। দিদি বলছিল এই জায়গাটার নাম জবলপুর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিন্দু মুসলমান ভুলে গিয়ে, আমরা সবাই মানুষ হই

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা মে, ২০২৬ দুপুর ১:৫৭

আমি জন্মগত ভাবে মুসলমান।
অবশ্য ধর্মীয় নিয়ম কানুন কিছুই মানতে পারি না। মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় সে মানুষ। এখন তো আর এটা ফকির লালনের যুগ না। মানবিক এবং সচেতন মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নান্দাইলের ইউনুস ও স্বপ্নভঙের বাংলাদেশ

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০


নব্বইয়ের দশকে বিটিভিতে প্রচারিত হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় নাটকে একজন ভাড়াটে খুনীর চরিত্র ছিল। ভাড়াটে খুনীর নাম ইউনুস - নান্দাইলের ইউনুস। গ্রামের চেয়ারম্যান তার প্রতিদ্বন্দ্বী একজন ভালো মানুষ স্কুল শিক্ষককে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×