[ইটালিক][গাঢ়](অন্যমনস্ক শরৎ-এর চন্দ্র কথন-'নৈর্ব্যক্তিক চাঁদ' পড়ার পর)[/গাঢ়][/ইটালিক]
[রং=#003333] [সাইজ=3] সেই তো ফিরে এলে চাঁদের কাছেই
চন্দ্র বিমুখ কিছু 'চকচকে সময়'
বিপুল ঔদ্ধত্যে চষে ফেরে
সেইতো ফেরালে মুখ, সিদ্ধান্তের অপরূপ
চরম চন্দ্রিমায়।
এখন কোথাও কোন অবগাহনের স্রোতে
তোমার অকপট স্বীকারোক্তির কোন যুতসই স্থান নেই-
এখন উপলব্ধির উদ্বেলিত-গলিত যতো স্রোত
ঠেলে দিতে চাও এই চাঁদের দিকেই-
ভীষণ 'বমি'তে উগলে দিতে চাও
'খ্যাতি-ভিক্ষার দীর্ণতা' দেখে দেখে
ক্লান্ত, পুঞ্জীভূত সব ঘৃণার তরল।
দেখি তাই বারবার ফিরে আসো চাঁদের দিকেই
বার বার নিঃস হয়ে আশ্রয় খুঁজো- অনন্ত উদার
'সবশেষ সখা'র মতো এই এক নিখাদ-বিশ্বাসে।
চাও স্বচ্ছ তোমার স্বীকারোক্তি
স্বেচ্ছায় ঢেলে দিতে
স্বচ্ছতা ছড়িয়ে দেওয়া সু-স্বচ্ছ জ্যোস্নার কাছে।
সেইতো শেষমেষ ফিরে এলে চাঁদের কাছেই
অযথা কিছুদিন
আঁকড়ে থাকলে কিছু নিঃস-বিশ্বাস,
আগলে থাকলে এক পাথরের মতো ক্ষয়িষ্ণু হৃদয়
বিপুল ভুলের-মোহে টানলে অযথাই
অবিশ্বাসী জেনেও এক অধরা 'অধর'।
অযথা কিছুদিন
চন্দ্রের সাথে 'চুপচাপ আড়ি'তে কাটালে চাক্ষুষ সময়।
এখন ফিরতে চাও- সেই চাঁদের দিকেই
'অকপট' সম্পর্কগুলো যখন 'অপারগ' বোঝা হয়ে
তোমাকে চাপাতে চায়- 'প্রশংসা লোভের' এক ক্লীষ্ট ওজন
তখন চাঁদের কাছেই তুমি পুনরায় নত হও
পুনরায় চাঁদের কাছেই ভিক্ষা চাও
শব্দ, রঙ আর বহুকাল উপেক্ষিত- তৃষ্ণার জল।
চাও- অতীত মন্থনের মতো স্মৃতি-জাগানিয়া কিছু স্বাদ
আস্বাদে শুষে নিতে- সেই সে
চাঁদের সুষমা ছুঁয়ে ছুঁয়ে।
তোমাকে বিদ্ধ, বিদীর্ণ অথবা ফালি ফালি করবার
কোন ইচ্ছের চপলতা 'চন্দ্রে'র নেই-
চন্দ্র চায়না ফেরাতে চোখ- সূচারু 'চাওয়া'র
অপরূপ চাতক চেষ্টা দলে-পিষে ।
তুমি নিশ্চিত ভরসায় তোমার বিশ্বাসের বিপরীতে পাওয়া
কষ্টের কণিকাগুলি- চাঁদের আলোর দিকে ছুঁড়ে দাও
তুমি অনিঃশেষ আবেদনে অনন্তকাল
সেই স্বগর্ীয় বিভার দিকে অপলক দৃষ্টি তুলে ধরো-
তুমি সুতীব্র আস্থায়
তোমার সকল স্বীকারোক্তির অকপট স্বর্ণপ্রভা ঢেলে দেখো
পৃথিবী ফেরাতে পারে- কিন্তু সুনিশ্চিত
একাগ্রে শোনার জন্য চিরকাল
চন্দ্র প্রস্তুত।[/সাইজ][/রং]
............................................................
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



