somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এক যে ছিলো চাঁদকন্যা আর ছিলো এক সূর্য্যপুত্র....

০৩ রা আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


চাঁদকন্যা: শুনো সূর্য্যপূত্র
সূর্য্যপূত্র: বলো ওওওওওওওও
চাঁদকন্যা:তোমার কিন্তু বেশী বাড় বেড়েছে।
চাঁদকন্যা: তুমি মরো।সত্যি সত্যি! দয়া করে...মরো তুমি...
সূর্য্যপূত্র: :-*
সূর্য্যপূত্র: আমি আবার কি করলাম?
সূর্য্যপূত্র: আমাকে ফোন করতে হবেনা?
সূর্য্যপূত্র: আমার ফোন করা লাগবেনা?
চাঁদকন্যাঃফোন করা লাগবে, তাই না?
সূর্য্যপূত্র: আরে সত্যি সত্যি
চাঁদকন্যা: শুনো! তোমাকেই আমার লাগবেনা
চাঁদকন্যা:দূর হও
সূর্য্যপূত্র: আরে কি করলাম? বলো।
সূর্য্যপূত্র: কি হয়েছে বলোনা?
চাঁদকন্যা: তুমি কাল থেকে হাওয়া হয়ে হয়ে কোথায় যাও?সারাদিন আমি যতক্ষণ থাকিনা তখন যেতে পারোনা?
সূর্য্যপূত্র: কই?
সূর্য্যপূত্র: কোথায়???
চাঁদকন্যা:সন্ধ্যা বেলা আমি যখন আসি ঠিক তক্ষুনি তোমার মনে ফাল্গুনের হাওয়া বয়ে যায়, না?
সূর্য্যপূত্র: বুঝিনা
সূর্য্যপূত্র: আরে
চাঁদকন্যা: চুপ!
সূর্য্যপূত্র: আজকে তো ফ্রেন্ড এর বার্থডে ছিলো।
চাঁদকন্যা: ঢং করা লাগবেনা, আজকে ফেলেনডেল বাদদে তিলো,কালকে আমাদেল বাতায় কাবাল তিলোনা,তাই আমলা সল্টজে গেতিলাম, পলশু আমার কলিগের নানা শ্বসুল মলে গেতিলো।
চাঁদকন্যা: তার থেকে তুমি যাও
চাঁদকন্যা: নিজেই মরো।
সূর্য্যপূত্র: আরে
সূর্য্যপূত্র: আরে

(সবুজবাতিটা নিভে গেলো)

সেই ছিলো এক চাঁদকন্যা আর ছিলো এক সূর্য্যপুত্র!!! তাদের কথা ভাবলে আমি আজও ফিরে যাই সেই সময়টাতেই। সেই যখন চাঁদকন্যা আর সূর্য্যপুত্রের জন্ম হলো, এই ব্লগে। আজ থেকে ৬ বছরেরও বেশী সময় আগের কথা। তখন ব্লগটা ছিলো এক স্বর্গ! অপার্থীব কোনো জগতের অজানা কোনো ভুবন! যেখানে নেই কোনো দুঃখ! নেই কোনো ভাবনা!!!

হা হা হা আমাকে আজও অনেকেই প্রশ্ন করে, চাঁদকন্যা না হয় ছিলো সত্যিকারেই এবং আজও আছে বহাল তবিয়তেই.....কিন্তু সূর্য্যপুত্র! কোথায় গেলো সে? সত্যিই কি তার কোনো অস্তিত্ব ছিলো?

আমি শুনে হাসি আঁখি জলে ভাসি
এই ছিলো মোর ঘটে.........
তুমি সূর্য্যপুত্র চলে গেছো আজ
আমি আজ .............

হায় হায় কথায় কথায় কবিতা বা ছড়িতা লেখা দেখছি ভুলেই গেছি আমি। সে যাইহোক, অনেকগুলো বছর পরেও আমি ড্রাফটে রাখা পোস্টগুলো পড়ে পড়ে ব্যাক টু দ্যা পাস্টে চলে যাবো ভাবতেই পারিনা, পারিনিও কখনও সেদিন।

৬টা বছর! অনেকের কাছেই অনেক অনেকটা সময় হয়তো কিন্তু আমার কাছে মাত্র ৬টা বছর!! এই তো সেদিন !!!!

সূর্য্যপুত্রঃ তুমি সব সময় অনুযোগ কর-,আমি নাকি বড় বেশী সোজা সাপ্টা!!
একদম নাটকীয়তা পারিনা!! মেয়ে.....আমার বলার মতো কিই বা আছে? বলো!

চাঁদকন্যাঃ কিযে বল, এসব আমার অনুযোগ হবে কেন?
এসব আমার সাবধানবাণী
জানোনা একটু নাটক না শিখলে
কত্ত বিপদে পড়তে পারো?
সেইযে পড়েছিলে---------
এত সহজেই ভুলে গেলে?
হাহাহা, শুধু নিজেই পড়নি, আমাকে শুদ্ধু ডুবিয়েছিলে।
কিযে সব কান্ড করো তুমি!!!
এইজন্যই বলি একটু চালাক হও
একটু নাটক করলে ক্ষতি কি
তবুও তো বাঁচতে পারবো ,
একটু খানি শান্তি নিয়ে
উফফ চারিদিকে যে অশান্তির ঝান্ডা।
হাহাহা, তবুও----
তবুও তারা হার মেনেছে
আমাদের ভালোবাসার কাছে।


সূর্য্যপুত্রঃআমাদের এমন একটা ভালবাসা আছে- যা কখনো পরিণত হবেনা!!
আমার এমন একটা স্বপ্ন আছে, যা ঘুমের ভেতরও ধরা দেয়না!

চাঁদকন্যাঃ কে বলেছে হবেনা?
তুমি কি বলতে চাও
আমাদের ভালোবাসাটা এখনও অপরিণত??
কি আশ্চর্য!! তাহলে পরিণত ভালোবাসার সংগা কি?
কে পারে আমার মত করে তোমাকে ভালোবাসতে?
কেউ না, কেউ ই পারেনা।
পারবেওনা কোনোদিন!!!!
আর হ্যা , স্বপ্নের কথা বলছো?
স্বপ্ন দেখতে ঘুম লাগে?
হাহাহাহাহা মোটেই না
আমি বেশ স্বপ্ন দেখতে পারি
জেগে জেগে
পড়ার টেবিলে, ক্লাসের মাঝে।

সূর্যপুত্রঃআমার এমন একটা সাগর আছে-
যার তীরে কখনো তোমার হাত ধরে হাঁটা হবেনা!

চাঁদকন্যাঃ এমন করে বলনা সূর্যপুত্র
হাতটা বাড়িয়ে দাও
এই দেখ, কে ধরে আছে তোমার হাতটা ?
আমি আমি, এই একটাই আমি!!!!!!

সূর্যপুত্রঃআমার চেনা শহরের ভেতর কতো কাছে তুমি!
অথচ চাইলেই হেঁটে চলে যেতে পারিনা।

চাঁদকন্যাঃতোমার আর আমার অবস্থানের মাঝে
শুধুই দুরত্ব,একটা মাত্র রোড
সে পথ আমি দিনে হাজারবার পাড়ি দেই
চোখটা বন্ধ করলেই সোজা তোমার সামনে,
আর তারপর---- হাহাহাহাহা
এত্ত এত্ত ভালোবাসা!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
কে ঠেকাতে পারবে বলো?
মনের দরজা বন্ধ করবার,
সাধ্যি আছে কার?

সূর্যপুত্রঃ মুঠো ফোনে সারাদিন কতো ব্যাস্ততা আমার!
একটি বারের জন্যও পাইনা তোমার খোঁজ!

চাঁদকন্যাঃ টেলিপ্যাথি। কত্তবার বলেছি,
টেলিফোনের কি দরকার, টেলিপ্যাথিটা প্রাকটিস করো
কিন্তু কে শোনে কার কথা।

সূর্যপুত্রঃআজ তোমার জন্মদিন!!
একটা গোলাপ, কিম্বা একটা শুভেচ্ছা পত্র পাঠাতেও
পাড়ি দিতে হবে কতো বন্ধুর পথ!!
হ্য়তো তা পৌছুঁবেনা তোমার কাছে কখনো!

চাঁদকন্যাঃ তুমি কিন্তু আমাকে কাঁদালে সূর্যপুত্র।
বলেছিলে, তোমার জন্মদিনে
এমন একটা কিছু দিতে,
যেন চোখে জল আসে তোমার।
আর আমাকে তুমি এমন কিছু এনে দেবে,
যেনো সারাটাজীবন সেকথা ভাবলেই আমার হাসি পায়।
আর কি করলে তুমি ???????????
তোমার এ লেখা পড়তে গিয়ে
দুচোখ জলে ভরিয়ে ফেললাম আমি!!!!

যুগ যুগ ধরে আমাকে রেখে দিও তোমার বুকের মধ্যে
লুকিয়ে রেখো
কেউ যেন কেড়ে না নিতে পারে।
কেউ যেন................
কেউ যেন কখনও এই আমাকে .........
তুমি আমাকে অনেক কাঁদালে সুর্যপুত্র
এমন কিন্তু কথা ছিলোনা।

সূর্যপুত্রঃ একটা পাখী, চারটা পাখী, তিনটা পাখী।

চাঁদকন্যাঃ হুম একটা পাখি চারটা পাখি ,তিনটা পাখি
আর তুমি আমার একটাই সুর্যপুত্র!!!!!!!!!!!!


মাই ইমাজিনারী ফ্রেন্ড!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!:)


বন্ধু দিবসে অনেক অনেক শুভেচ্ছা সবাইকে!!!!!!:)


২০টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দিনশেষে বিজয়ীকেই ইতিহাস মনে রাখে!!!

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৫৫



বলা হয়ে থাকে, কুত্তায় তাড়া করলে বিড়াল নাকি সামনে এমনকি মান্দার গাছও যদি পড়ে যায়, তাতেই লাফ দিয়ে উঠে। যারা জানেন না তাদেরকে বলছি, মাদার গাছ বা আন্চলিক টানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

" মাতৃত্ব " - নারী জীবনের পূর্ণতা কি শুধুই মাতৃত্বে বা সন্তান জন্মদানে ? ( মানব জীবন - ৪ )

লিখেছেন মোহামমদ কামরুজজামান, ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৩৩


ছবি - muslimmarrige.com


সন্তানের আকাংখা নর-নারী নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের জীবনে থাকে।সন্তানের মাধ্যমে একটি সংসার পূর্ণতা পায় এবং মানব জীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয় ।পরিণত বয়সে এবং বিবাহের পরে এই আকাংখা বাস্তবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবন, জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৪০



পাকভারতের ইতিহাসে ৪০ বছর রাজনৈতিক জীবনে কোন নেতাই শেখ হাসিনার মতো উঁচু পদে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ পাননি; উনার রাজনীতির শুরু বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের প্রধান... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেসিলিয়া প্যেন: বিজ্ঞানের নক্ষত্র, নক্ষত্রের বিজ্ঞান

লিখেছেন  ব্লগার_প্রান্ত, ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:২২


১৯০০ সালের ১০ই মে, ততদিনে ইংল্যান্ডে অস্তমিত হচ্ছে ভিক্টোরিয়ান সূর্য। গ্রামীণ ইংল্যান্ডের এক সুশিক্ষিত পরিবারে জন্ম হলো ছোট্ট শিশু সেসিলিয়ার। নিয়তির ফেরে ৪ বছর বয়সে ব্যারিস্টার বাবাকে হারিয়ে মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্রম সাতক্ষীরা টু বেলগাছিয়া (খন্ড-১/ পর্ব- নবম)

লিখেছেন পদাতিক চৌধুরি, ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:৪১



মানুষের প্রত্যেকেরই জীবন এক একটা চক্রের মধ্যে বাঁধা।হালদার বাবুর গোলাতে থাকাকালীন আমাদের প্রত্যাহিক রুটিনও সেরকম একটা ধরাবাঁধা চক্রের মধ্যে আবর্তিত হত। সকালে ঘুম থেকে উঠা থেকে শুরু করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×