
ব্যাপারখানা নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব ভাবছি, লেখা হচ্ছে না, কিন্তু অন্য কেউই লিখছেও না। ভাবলাম কেউ না কেউ হয়ত লিখবে, গুছিয়ে লেখা আমার কম্ম নয় তাই যা মাথায় আসে তা মুখে বা লেখায় আসতে অনেক সময় নেয়। কিন্তু আজ লিখেই ফেলব, কারন প্রতিদিন আমি ভুক্তভুগি। মানুষের অবশ্য এটা একটা দোষ, যতক্ষণে সে নিজে না ভুগবে ততক্ষণে সে কোন হেলদোল করবে না, যেই নিজে আক্রান্ত হবে ওমনি চেচিয়ে পাড়া মাথায় উঠাবে। আজি না গত কয়েক বছর ধরে ভুক্তভুগি তাই আজ নিজেকে নিজেই ধাক্কা মেরে মেরে লেখা বের করার অপচেষ্টা করছি।
সমস্যা হল, আপনারা সকলেই জানেন ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ময়লা রাখার বা ফেলার জন্য কিছু নিদৃষ্ট যায়গা আছে, সেই যায়গা গুল দুভাগ্য বসতো সব আবাসিক এলাকার মধ্যে বেশি আছে, অবশ্য পুড় ঢাকাই এখন আবাসিক এলাকা। তো ময়লা ফেলার স্থান গুল থেকে মোটা মুটি ২০ গজ থেকেই নাকে রুমাল দিয়ে চলতে হয় তবে বুঝুন যার বাসা ওই ডাস্টবিনের আসে পাসে তাদের কি অবস্থা।
আমার বক্তব্য এইবার শুরু। বিকাল হলেই দেখা যায় কিছু লোক (তারা পরিচ্ছন্ন কর্মী কি না জানি না) ময়লার স্তূপে আগুন ধড়িয়ে দেয়। যাতে মোটা মূটি ৫ -১০ কিলোমিটার এলাকা ধোঁয়ায় ভরে যায় এবং ধোঁয়ার সাথে বিকট গন্ধ। যা সহ্য করা প্রপ্তবয়স্কদের জন্যই ভয়ানক ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। সেখানে আবাসিক এলাকায় বাচ্চা ও বৃধ্য মিলিয়ে অনেকেই বাস করে তাদের কি অবস্থা একবার ভাবুন। প্রতিদিন সন্ধায় বাসায় ফিরতে ফিরতে এই উৎকট গন্ধ নাক দিয়ে মাথায় ঢুকে যে পরিস্থিতি তৈরি তা নাই বা বললাম।
আমি একবার নিজেই স্থানীয় পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জিজ্ঞাসা করেছিলাম ময়লার স্তূপে আগুন কে দিতে বলে। এরা এর সঠিক কোন উত্তর দিতে পারেনি, এক এক জন এক এক কোথা বলে। আমি তাদের সবিনয় হাতজোড় করে বলেছিলাম ভাই ময়লা গুলোর জন্য অন্য ব্যবস্থা করুন দয়া করে আবাসিক এলাকা বা অন্য কোথাও পুরিয়েন না এতে আমাদের কষ্ট হয়, জবাবে তারা হাসি বা ভেংচি জাতিয় কিছু দিয়ে আমাকে বিদায় করে।
সব শেষে আমি এটাই বলতে চাই আমি এই ধোয়া নামক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



