somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যাপিত জীবন(শেষ পর্ব)

২৩ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




আম্মা কে নিয়ে ঠাই হলো বকুলদের বাড়িতে। বকুলদের গোয়ালঘরের পাশে খড় রাখার ঘড়ে আমরা ঠাই নিলাম। আম্মা সারাদিন কান্নাকাটি করেন। আমি আম্মার কাছ থেকে নানার ঠিকানা নিয়ে সব বিস্তারিত জানিয়ে আবার চিঠি পাঠালাম। ফালাফল শুন্য। কোন উত্তর আসে না। আঞ্জুর এখন সাত বছর চলে। ও এখন সব বোঝে। মাঝে মধ্যে দেখি ওকে চুপিচুপি আমাদের পুরানা বাড়ির দিক থেকে আসতে। একদিন লুকিয়ে ওর পেছনে পেছনে দেখতে যাই ও কি করে জানার জন্য। আঞ্জু বড়দার কবরের পাশে গিয়ে বসে থাকে। একা একা কথা বলে। দূর থেকে দেখে চলে আসি। ওকে কিছু বলার সাহস পাই না। আমাদের পুরাতন বাড়িটার অস্তিত্ব নাই বললেই চলে। চাচার মনে হয় আমাদের উচ্ছেদ করাই মুল লক্ষ্য ছিলো। বকুলদের গোয়াল ঘরে থাকা খুব মুশকিল। বর্ষায় আমারা ভিজে যাই। শীতে তো একদম সারা রাত জেগেই থাকি। আম্মা বেশ কিছুদিন ধরে বকুলদের বাসায় কাজ করেন। আমার একদম ভালো লাগে না। কিন্তু আমি কিছুই করতে পারছি না। ডাকাতের ভাই বলে কেউ আর কাজ দেয় না। আম্মার উছিলায় তিন বেলা না হোক দুই বেলা খেতে পাচ্ছি। আম্মার শরীর ভেংগে গেছে।

বকুলের বিয়ে হয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে ও তার জামাই নিয়ে আসে। তখন ঘরের কাজ অনেক বেড়ে যায়। বকুল আঞ্জুকে দিয়ে ফাইফরমাস খাটায়। মাঝে মাঝে আমাকেও বলে ওর জামাইয়ের কাজ করে দিতে। আমি হাশি মুখে করে দেই। এই ভাবে কাজ করতে আমার একদম ভালো লাগছে না। আম্মা আমাকে আজকাল একদম সহ্য করতে পারে না। খুব বকাবকি করে। কাজ না করে ঘুড়ে বেড়াই। কিন্তু কি করে বুঝাই ডাকাতের ভাই কে কেউই কাজ দেয় না। আমি মাঝে মধ্যে শহরের পোস্ট অফিসে যাই কোন চিঠি আছে কি না। কোন চিঠি নাই।

ঠিক দুপুরের সময় এক লোক একদিন এসে বাড়ির সামনে এসে আমার নাম ধরে ডাকাডাকি করতে লাগলো । বড়দা মারা যাবার পর অপরিচিত কেউ নাম ধরে ডাকলে ভয় লাগে খুব । তবুও সাহস দেখিয়ে এগিয়ে যাই , আমার পরিচিত কারো মতই না দেখতে এই লোক , বেশ ধোপদুরস্ত কাপোড় পরা একজন মধ্য বয়ষ্ক মানুষ। আমাকে দেখে কিঞ্চিত চিন্তিত ভঙ্গিতে ভুড়ু কুঁচকে জিজ্ঞাসা করলো তুমি কি শেফালির ছেলে ? শেফালি আম্মার নাম, অনেক দিন না শোনার কারনে প্রায় ভুলে গেছিলাম, জ্বি আমি শেফালি আম্মার ছেলে, থতমত খেয়ে উত্তর দিলাম। লোকটা মুখ বাঁকা করে হাশি জাতীয় কিছু দেয়ার মতো করে বললো, তোমার আম্মা কে ডেকে আনো বলো যে তার ভাই মহিউদ্দিন এসেছে। আমি কিছুক্ষন হা করে লোকটার দিকে তাকিয়ে থাকলাম, আমার জানাশোনা কারো মতোই এই লোক না, কাপড় চোপড়ে এই লোক বিশাল পয়াসা ওয়ালা কিছু মনে হয় । শুনেছি গরীব মানুষদের ধরে ধরে কিছু লোক পাচার করে দেয় সেই রকম কেউ না তো , আমি ইতস্তত করছি দেখে লোকটি অধৈর্য হয়ে বললো যাও খোকা তোমার আম্মা কে ডেকে আনো।

আম্মা কে বলতেই আম্মা কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে থাকলেন । তারপর উঠে দাড়াতে গিয়ে বসে পরলেন, আমি তারাতারি ধরে না ফেললে মাটিতে পরে যেতেন। খশখশে গলায় জিজ্ঞাসা করলেন কে আসছে বললি, মহিউদ্দিন তোমার ভাই এসেছে, আম্মা আমার দিকে ঘোর লাগা চোখে তাকিয়ে থেকে মহি দাদা ? মহি দাদা কি না জানি না, বললো মহিউদ্দিন তোমার নাকি ভাই। আম্মা নড়বড়ে পায়ে উঠে দাঁড়িয়ে নিজের ছেড়া কাপড় ঢেকে ঢুকে সোজা হয়ে দাড়ালেন, আশেপাশে তাকিয়ে বললেন আঞ্জু কই আঞ্জু কে ডাক। আমি আঞ্জুকে ডাকার জন্য জোরে চিৎকার দিলাম, আম্মা আমাকে থামিয়ে দিয়ে বললো আরে গাধা এতো জোরে চিল্লাস না মহি দাদা শুনলে খারাপ বলবে।

দৃশ্যটা দেখতে আমার মোটেও ভালো লাগছে না । মহিউদ্দিন নামের লোকটা আমাদের ভাঙা চোকিতে বসে আছে আম্মা তার পায়ের কাছে বসে অঝোরে কাঁদছে । শুনলাম নানা মারা গেছেন আট মাস হয়েছে, নানার পুরানা কাপড় চোপড় নাড়ানাড়ি করতে গিয়ে আমাদের ঠিকানা খুজে পেয়ে ইনি এসেছেন আমাদের কে নিয়ে যেতে। নানা নাকি মারা যাবার সময় এমনি বলে গেছেন। আমি নিশ্চিত এই লোক পাচারকারী। এরা আমাদের মতো গরীব মানুষ ধরে পাচার করে দেয় । আম্মা কে নানাভাবে ইশারা দিচ্ছি যাতে আম্মা রাজি না হয়। ওদিকে আঞ্জু লোকটার কোলে ওঠার চেষ্টা করছে আর লোকটা বিরক্ত হয়ে আঞ্জুকে সরিয়ে দিচ্ছে কিছুক্ষনপর বিরক্ত হয়ে শুনলাম লোকটা বলছে কিরে তোর ছেলে মেয়েদের গোসল করাস না গায়ে এতো গন্ধ কেনো। আম্মা লজ্জায় মাথা নিচু করে থাকলেন। আমার মেজাজ আকাশে উঠলো। ইচ্ছা হলো ঘাড় ধরে বের করে দেই। কিন্তু আম্মার ভাই তাই কিছু বললাম না।

বকুলের আব্বার কাছ থেক বিদায় নিয়ে আমরা আমাদের নানা বাড়ির পথে চললাম, যদিও আমার পুরা সন্দেহ লোকটা আমাদের পাচার করে দেবে। আমি অবশ্য মনে মনে প্ল্যান করে ফেলেছি পথে যেতে যেতে রাত হলে লোকটার হাত পা বেধে আম্মা আর আঞ্জুকে নিয়ে পালিয়ে যাবো। আম্মাকে আজ অনেক খুশি খুশি লাগছে । তার ছেড়া শাড়ি তাকে একদম বিব্রত করছে । এই প্রথম আমরা আমাদের চেনা গ্রাম ছেড়ে ভিন্ন এক জগতে চলে এলাম । যা দেখি সব অচেনা, মনে মনে দারুন ভয় পাচ্ছি আম্মা আর অঞ্জু যদি হারিয়ে যায় আমার কি হবে ভেবে তাই আম্মার পিছ আমি ছাড়ি না আর আঞ্জুতো নতুন জায়গা দেখে খুশিতে লাফাচ্ছে। বিশাল এক বাসে করে আমাদের অন্য এক শহরে নিয়ে এলো এর পর আমরা বিশাল একটা জাহাজে চড়লাম, সারাপথ আমি একফোটা ঘুমাই নাই ভয়ে। ভোর বেলা সেই জাহাজ এক ঘাটে ভিড়ল। এই প্রথম নাম শুনলাম এলাকার বরিশাল । আমি নিশ্চিত এরা আমাদের সমুদ্রে চালান করে দেব। আমি আম্মাকে বললাম আম্মা তুমি কি চেনো এই এলাকা, আম্মা হেসে বললো এই ঘাটে ছোট বেলায় অনেক এসেছে। আমি তবুও নিসছিত হলাম না। আম্মা বুড়া হয়ে গেছে সব কি আর মনে আছে।

নানা বাড়ির বৈঠকখানায় বসে আছি, সবাই আমাদের চোখ গোলগোল করে দেখেছে, কিছুক্ষন পর পর এক একজন এসে আম্মাকে ধরে ওঁরে সেফু রে বলে হাউ হাউ করে কান্না কাটি করছে, আমি আর আঞ্জু অবাক হয়ে এই সব দেখছে, সব থেকে বেশি মজা মনে হয় আঞ্জু পাচ্ছে, যেই কেউ এসে আম্মাকে ধরে ওঁরে শেফুরে বললে চিৎকার করে কাঁদছে আঞ্জু হেসে কুটিকুটি। আম্মার তিন ভাই আর দুই বোন তারা সব আমাদের ঘিরে ধরে বসে আছে, একজন আমাকে ধরে হাত পা টেনে ঠোঁট উল্টিয়ে বললো নাহ শেফুর মতো হয় নাই, মাইয়াডা তা যা পোলাডা তো পুরাই বাপ । তিন দিনের লম্বা পথের ধকল সেরে ক্ষুধায় পেটে কুকুর ডাকাডাকি করছে কিন্তু কারো কানেই সেই ডাক পৌছালো না। সবাই আমাদের হাত পা মাথা নাক চুলের মাপঝোক করতে বসে গেছে ।

তিনদিন হলো নানা বাড়ি এসেছি এর মধ্যেই বুঝে গেছি আমরা অতিথী না, আমরা তাদের জন্য অপ্রয়োজনিয়ে যন্ত্রনা, আম্মা সেই কাজ শুর করলেন যা বকুলদের বাসায় করতেন । প্রতিদিন আমাদের অপেক্ষা করতে হয় কখন আম্মার কাজ শেষ হবে আর আম্মা ভাত নিয়ে এসে আমাদের খাওয়াবে । আম্মার সব রাগ আমার উপর আবার ফিরে এলো । মামাতো ভাই বোনারা আমাদের সাথে মিশছে না। আঞ্জু খেলতে গেলে দূরে সরিয়ে দিচ্ছি একদিন তো ধাক্কা মেরে ফেলেই দিলো । আম্মা দেখেও না দেখার ভান করে চলে গেলো। আমি আর সহ্য করতে পারলাম না, একটার কান ধরে দিলাম দুই ঘুসি, অন্য একটা তেড়ে এলে ওটার পেটে লাথি মেরে চিত করে ফেললাম আর সে কি কান্না আকাশ বাতাস এক করে হা হা করে কান্না, মাম মামী দুইজনই ছুটে এসে আমাকে ধরে মারতে লাগলো, আঞ্জু কে দেখলাম চড় দিয়ে মাটিতে ফেলে দিলো মেজাজ খারাপ হলো আরো বেশি, মামার দাড়ি ধরে টান দিয়ে কানের উপর ঠাস করে চড় বসিয়ে দিলাম, বেমাক্কা এক চড়েই মামা ভদ্রলোক চিতপটাং। আম্মা দূর থেকে এই সব দেখে আমাকে লাঠিয়ে দিয়ে বেদম পেটান পেটালেন। আম্মার মার খেয়ে ঘর ছেরে বেরিয়ে গেলাম।

সবাই মিলে সিধান্ত নিলো আমাকে আর ঘড়ে রাখা যাবে না, আমাকে এতীমখানায় ভর্তি করে দেয়া হবে। আমি স্পস্ট না বলে দিলাম , আমি আঞ্জু আর আম্মা কে ছেড়ে কোথাও যাবো না । কিন্তু আমার কথা কেউই শুনল না। সবাই মিলে সিধান্ত নিলো আমাকে এতিমখানায় দিয়ে দেবে । আম্মাও দেখলাম তাতে সায় দিলো। আম্মা কিছু না বলে আঞ্জু কে নিয়ে ঘড়ে ঢুকে গেলো, ঘড় বলতে গরুর ঘরের পাশে লাকড়ি রাখার জায়গা যার এক পাশে লাকড়ি রাখা আর এক পাশে পাটি বিছিয়ে বিছানার মতো করে দেয়া ।

সকালে হঠাত দেখি আমার সেই চাচা এসে উপস্থিত বাড়িতে । আমাকে দেখে সামান্য হাশি দিয়ে বললো কি ভাতিজা ভালো আছো? আমি উঠে চলে গেলাম কিছুই না বলে, সারদিন দেখলাম আমার সেই চাচার বেশ খাতির যত্ন হচ্ছে। আঞ্জুকে চাচা কোলে নিয়ে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। আমি কাউকেই জানাতে পারছি না এই লোক কতো খারাপ, আম্মা কে আশে পাশে কোথাও দেখতে পাচ্ছি না। সন্ধায় শুনতে পেলাম চাচার সাথে আম্মার বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে আমার মামারা। আমি সম্পুর্ন নির্বাক হয়ে গেলাম। আম্মাকে পাগলের মতো খুজতে লাগলাম কিন্তু কেউই কিছু বলছে না আম্মা কোথায়, কেউই আমাকে বাড়ির ভেতর ঢুকতে দিচ্ছে না। বাড়ির সড়িতে বসে রইলাম, সারা রাত চেষ্টা করলাম আম্মাকে খোজার কিন্তু আম্মা যেন ভোজবাজির মতো উদাও হয়ে গেলো । রাত পেড়িয়ে সকাল হলো। সারা রাত না খাওয়া আমি একটু ঝিমিয়ে গেছিলাম, হঠাত লোকজনের সাড়াশব্দ শুনে চমকে জেগে গেলাম দেখি আম্মা লাল শাড়িতে হেটে যাচ্ছে এক হাতে আঞ্জুকে ধরা । আমি ছুটে গিয়ে আম্মা কে বললাম আম্মা তুমি কই যাও আমাকে নিয়ে যাও , আম্মা আমার দিকে না তাকিয়ে মাথা নিচু করে সামনে চলে গেলো মামারা আমাকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিলো। আমার সেই চাচা নতুন পাঞ্জাবীতে আম্মার হাত ধরে নিয়ে গিয়ে নৌকায় উঠে গেলো আম্মার কোলে আঞ্জু। আমি নদীর পারে আম্মাকে জোরে জোরে ডাকতে লাগলাম। আম্মা আম্মা আমাকে নিয়ে যাও । আম্মা শুনলো না। আঞ্জু আমাকে হাত নাড়িয়ে টাটা দিতে লাগলো। দেখলাম আম্মা উল্টা দিকে মুখ ফিরিয়ে বসে আছে একবারো আমার দিকে তাকালো না, আমাকে কাছ ডাকলো না। নৌকাটা আস্তে আস্তে দূরে চলে যাচ্ছে, নদীর পাড়া থেকে সবাই চলে গেছে, দূরে আম্মার লালা শড়ির দেখা যাচ্ছে যেনো বাতাসে নেড়ে আমাকে কাছে ডাকছে। আঞ্জু মনে হয় একবার ডেকে উঠলো " দাদা " ।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০২২ দুপুর ১:০৮
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ডালাসবাসীর নিউ ইয়র্ক ভ্রমণ

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ২:৪৪

গত পাঁচ ছয় বছর ধরেই নানান কারণে প্রতিবছর আমার নিউইয়র্ক যাওয়া হয়। বিশ্ব অর্থনীতির রাজধানী, ব্রডওয়ে থিয়েটারের রাজধানী ইত্যাদি নানান পরিচয় থাকলেও আমার কাছে নিউইয়র্ককে আমার মত করেই ভাল ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম ও বিজ্ঞান

লিখেছেন এমএলজি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৪ ভোর ৪:২৪

করোনার (COVID) শুরুর দিকে আমি দেশবাসীর কাছে উদাত্ত আহবান জানিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম, যা শেয়ার হয়েছিল প্রায় ৩ হাজারবার। জীবন বাঁচাতে মরিয়া পাঠকবৃন্দ আশা করেছিলেন এ পোস্ট শেয়ারে কেউ একজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

তালগোল

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ৯:৩৫


তু‌মি যাও চ‌লে
আ‌মি যাই গ‌লে
চ‌লে যায় ঋতু, শীত গ্রীষ্ম বর্ষা
রাত ফু‌রা‌লেই দি‌নের আ‌লোয় ফর্সা
ঘু‌রেঘু‌রে ফি‌রে‌তো আ‌সে, আ‌সে‌তো ফি‌রে
তু‌মি চ‌লে যাও, তু‌মি চ‌লে যাও, আমা‌কে ঘি‌রে
জড়ায়ে মোহ বাতা‌সে ম‌দির ঘ্রাণ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মা

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৪ দুপুর ১২:৩৩


মায়াবী রাতের চাঁদনী আলো
কিছুই যে আর লাগে না ভালো,
হারিয়ে গেছে মনের আলো
আধার ঘেরা এই মনটা কালো,
মা যেদিন তুই চলে গেলি , আমায় রেখে ওই অন্য পারে।

অন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

কপি করা পোস্ট নিজের নামে চালিয়েও অস্বীকার করলো ব্লগার গেছে দাদা।

লিখেছেন প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৪ দুপুর ২:১৮



একটা পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আগে থেকেই ঘুরে বেড়াচ্ছে। পোস্টটিতে মদ্য পান নিয়ে কবি মির্জা গালিব, কবি আল্লামা ইকবাল, কবি আহমদ ফারাজ, কবি ওয়াসি এবং কবি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×