somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি সোফা ও আমার দুই বোউ

২৩ শে আগস্ট, ২০২২ সকাল ১০:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমার বাসায় ৩ সিটের সোফা। আমি বসেছিলাম এক সাইডে, অন্য সাইডে ছিলো আমার বউয়ের সুন্দরী কাজিন। মাঝখানটা ফাঁকা। বেড়াতে এসেছে সবাই। আমরা গল্প করছিলাম।

আমার বউ অফিস থেকে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরেই আমাদের এই অবস্থায় দেখে দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে থাকলো কিছুক্ষণ। তারপর কী জানি বিড়বিড় করতে করতে রুমে চলে গ্যালো। আমিও দ্রুত উঠে রুমে গেলাম। জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী হইছে?’

বউ চুপচাপ। খেয়াল করলাম তার চোখ লাল হয়ে গেছে। গলার রগটাও কেমন ফুলে ফুলে উঠছে। রেগে গেলেই তার এমনটা হয়। আমি ভয়ে ভয়ে বউয়ের পাশে বসে ওর মাথায় হাত বুলিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করছিলাম। তখনো আমি জানি না যে, কী হচ্ছে!

ওর এমন ব্যবহারে আমি মিনমিন করতে থাকি। হঠাৎ বউ বলে উঠলো, ‘তার সাথে সোফায় বসতে তো ভালোই লাগছিলো, তাই না? যাও, গিয়ে বসে থাকো। আমার সামনে আর আসবা না।’

এই কথা শুনে আমি বললাম, ‘ওকে! তুমি এত সহজে রাজি হবা, বুঝি নাই। যাইতেছি।’

এর পর আমি সোফায় বসে বউয়ের সুন্দরী কাজিনের সাথে বসে গল্প করতে থাকলাম। বউ আড়াই মিনিটের মধ্যেই ব্যাগ গুছিয়ে আমাদের সামনে এসে দাঁড়ালো। বললো, ক্যারেকটারলেস কোথাকার! তোরে তালাক দিলাম।

সবাই আমার বউকে বোঝানোর চেষ্টা করলো। কিন্তু বউ বুঝলো না। সে একটা গালি দিয়ে ব্যাগ নিয়ে চলে গেলো। তার কিছুদিন পরেই তালাকের নোটিশ পেলাম।

এই ঘটনার পর আমি খুব ভেঙে পড়লাম। সবাই আমার অবস্থা দেখে আমার বউয়ের সেই কাজিনের সাথেই আমাকে বিয়ে দিয়ে দিলো।

বিয়ের এক বছরের আমার নতুন বউ ওর কাজিন, মানে আমার সুন্দরী এক্স বউয়ের পরিবারের সবাইকে দাওয়াত দিলো। এক্স বউয়ের সাথে আমি সোফায় বসে গল্প করছিলাম। নতুন বউ বাথরুম থেকে বের হয়ে আমাদের আমাদের এই অবস্থায় দেখে দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে থাকলো কিছুক্ষণ। তারপর কী জানি বিড়বিড় করতে করতে রুমে চলে গ্যালো। আমিও দ্রুত উঠে রুমে গেলাম। জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী হইছে?’

নতুন বউ চুপচাপ। খেয়াল করলাম তার চোখ লাল হয়ে গেছে। গলার রগটাও কেমন ফুলে ফুলে উঠছে। রেগে গেলে আমার এক্স বউয়ের মতো তারও এমনটা হয়। আমি ভয়ে ভয়ে নতুন বউয়ের পাশে বসে ওর মাথায় হাত বুলিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করছিলাম। তখনো আমি জানি না যে, কী হচ্ছে!

ওর এমন ব্যবহারে আমি মিনমিন করতে থাকি। হঠাৎ নতুন বউ বলে উঠলো ‘তার সাথে সোফায় বসতে তো ভালোই লাগছিলো, তাই না? যাও, গিয়ে বসে থাকো। আমার সামনে আর আসবা না।’

এই কথা শুনে আমি বললাম, ‘ওকে! তুমি এত সহজে রাজি হবা, বুঝি নাই। যাইতেছি।’

এর পর আমি সোফায় বসে এক্স বউয়ের সাথে গল্প করতে থাকলাম। নতুন বউ আড়াই মিনিটের মধ্যেই ব্যাগ গুছিয়ে আমাদের সামনে এসে দাঁড়ালো। বললো, ক্যারেকটারলেস কোথাকার! তোরে তালাক দিলাম।

সবাই আমার নতুন বউকে বোঝানোর চেষ্টা করলো। কিন্তু নতুন বউ বুঝলো না, সে একটা গালি দিয়ে ব্যাগ নিয়ে চলে গেলো। তার কিছুদিন পরেই তালাকের নোটিশ পেলাম।

এই ঘটনার পর আমি খুবই ভেঙে পড়লাম। পরিবারের সবাই আমার অবস্থা দেখে আমার নতুন বউয়ের কাজিন, মানে আমার এক্স বউয়ের সাথেই আমাকে আবার বিয়ে দিয়ে দিলো।

এখন আমার নতুন এক্স বউ... মানে আমার বর্তমান এক্স বউ... না না, আমার নতুন কিন্তু পুরাতন এক্স বউ... ধুর বাল, বলতেই পারতেছি না!

এসব বাদ, শুধু বউ-ই বলি।

বউ আমাকে বাসর রাতে চিৎকার করে বললো আর এমন বিয়ের চক্র শুরু করলে আমাকে শুটিয়ে লাল করে দেবে। এই শুনে আমি ওকে জড়িয়ে ধরলাম। ও শান্ত হয়ে এলো। আমি ওয়াদা করলাম, আর এমনটা হবে না।

এই দফায় তিন বছর পার করে ফেললাম আমরা। বউ আর ওর কাজিনকে দাওয়াত দেয় না। আমি দাওয়াত দিতে বললে গালাগালি করে। কিন্তু আমি তো বুঝি, এই গালাগালিটা বউ কেন করে! আসলে ও আমাকে আর হারাতে চায় না।

একটা মানুষ এতটা ভালো কীভাবে বাসতে পারে!

#সংগৃহীত এবং কপি পেস্ট দোষে দুস্ট। লেখকের নাম অজানা।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০২২ সকাল ১০:৫৫
১৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যে-সব সাবেক চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবার সম্ভাবনা একেবারেই নাই

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২

এ দলটি ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১৪ সালে তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। ২০১৮ ও ২০২২ সালে তারা মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহা! ছবি।

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ২৮ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০০

কত দিন হয়ে গেলো....................


এ মাসেতো একটাও পোস্ট দেওয়া হলো না........................


ইদে গ্রামের বাড়ি গিয়ে কিছু ছবি তুলেছিলাম।







আজকের ছবি ব্লগে থাকছে সেই ছবিগুলো।








---------------------------------------------------
































---------------------------------------------------------------



















------------------------------------------------------------------






















... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩

মেট্রোরেল পুরো বাংলাদেশের জন্য শান্তির বিষয়।
শুধু মেট্রোরেল না পদ্মাসেতুও। দারুণ এক কাজ হয়েছে। আগে মতিঝিল থেকে মিরপুর বা উত্তরা যেতে খবর হয়ে যেতো। তিন ঘন্টার বেশি সময় লাগতো। এখন মুহুর্তেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারণে অকারণে ছবি

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬

আমি ছবি তুলি। পরে সেগুলো দেখি। বেশ ভালো লাগে। ফোনের স্টোরেজ এ আজ দেখলাম মোট ছবি ৬৮৯৩ টি। ব্লগে কখনোই ছবি দিয়ে লেখা হয়নি। আজ মাইদুল ভাইয়ের লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ বাবার প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন সামিয়া, ২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৩



একটা মাস হয়ে গেল।
ইউনাইটেড হাসপাতালের সিসিইউর সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে সময়ের হিসাব হারিয়ে ফেলেছে রিপা। দেয়ালে ঝোলানো ঘড়ির কাঁটা ঘুরছে, নার্সরা ডিউটি বদলাচ্ছে, ডাক্তাররা আসছেন, যাচ্ছেন। শুধু একটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×