somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সুপ্রকাশ ভৌমিক
হৃদয়ে বাজে বাঙলার চিরচেনা সুর

বাংলাদেশ নয় যুক্তরাষ্ট্রেও নারী নির্যাতনের একি চিত্র????:|:|:|:|

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইকোনোমিস্ট এর একটি পরিসংখ্যান থেকে দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় প্রতি পাঁচজন নারীর মধ্যে একজন যৌন পীড়নের শিকার। আর প্রতি চারজন নারীর মধ্যে একজন স্বামী বা স্বজনদের হাতে শারীরিক নির্যাতনের শিকার। গত ১৪ ই ডিসেম্বরে এক জরিপে নারীর প্রতি সহিংসতার এ চিত্র বের হয়ে আসে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জাস্টিস ২০১০ সাল থেকে এ জরিপকাজ শুরু করে।
স্বামী, ছেলে, বন্ধু ও স্বজনদের হাতে পীড়ন, ধর্ষণ এবং যৌনতার জন্য সহিংসতা বিষয়গুলো নিয়ে এ জরিপ পরিচালিত হয়। এর যে ফলাফল পাওয়া গেছে তা সত্যি দুঃখজনক ও পরিহাসমূলক। আমার অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখি যখন আমাদের দেশের তথাকথিত নারীবাদীরা বলেন কর্মক্ষেত্রে নারীর অবস্থান নিশ্চিত সহ নানাবিদ গান গাওয়ার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক বিধিনিষেধকে নারীর অবস্থান নিচে নামিয়ে দেয়ার জন্য দায়ী করেন। কিন্তু ওই সব হাঁদারাম গাধাদের কেন যে মাথায় ঢুকে না নারীর সামাজিক অবস্থান পুরুষের পাশাপাশি থাকাটা উচিত কখনই পুরুষ থেকে বেশি বা কম নয়। এখানে অধিকারের উচ্চামার্গীয় গীত গেয়ে সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের চেষ্টা করা কিংবা নারীর পদলেহী হয়ে নিজের দুর্বলতা ঢাকার চেষ্টা প্রায়ই করতে দেখা দেয়।

কিন্তু ছাগুর পাশাপাশি দেখি কিছু লুচ্চা বদমাশকে গাজার ধোয়ায় পোড়ানো গৌঁফ আর কিছু ছাগলদাড়ি রেখে অন্তত মাস খানেক গোসল না করার পর শরীরে বোটকা গন্ধ বের করে একটা মদের বোতল হাতে নিয়ে নারী অধিকার আদায়ে নামতে দেখা যায়। তাদের সহযোগী হয় তাদের মতোই বেতাল কিছু অর্ধনারী। আমাদের ধর্মে অর্ধনারীশ্বর মূর্তির কথা আছে তাই একথা বলে ফেললাম। এখানে আমি তাদের অর্ধনারী বলেছি যাদের নারী বা পুরুষ সনাক্ত করা বেশ কঠিন হয়। শূকনা টানার বদৌলতে নারীরা মেন পুরুষালি হয়ে ওঠে তেমনি বড় চুল রাখার হেতু অনেক পুরুষকেও মেয়েরী মনে হয় তাদের কথা বলছি। এই শুকরছানারা নারী আন্দোলনের নাম করে নারীর নারীত্বকে হত্যা করেছে। আর পুরুষের উদ্দীপ্ত পৌরুষকে ধ্বংস করে একটি তৃতীয় চরিত্রের দিকে নিয়ে গেছে এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তাদের কাছ থেকে যদি নারী অধিকারের কথা মানুষের শিখতে হয় তবে আমি বলতো থু।
তোদের মুখে থু। তোদের আন্দোলনের মুখে লাত্থি।
আগে নারী কি ? পুরুষ কি ?? সেটা বোঝ তারপর আন্দোলন নাম। কোন কোন ছাগু হারামি বলে থাকে হিন্দু ধর্ম নাকি নারীর অধিকার হরণ করেছে। দেখ হিন্দুধর্মের কোথায় নারীদের ছোট করা হয়েছে। আমরাই প্রথম মাতৃকাদেবীর প্রচলন করেছি। আমাদের ধর্মেই প্রথম শক্তির আরাধনা করা হয়। আমরাই নারীর মর্যাদা সমুন্নত করেছি।

প্রতিবেদনে প্রকাশিত জরিপে অংশগ্রহণকারী এক শতাংশ নারী বলেছেন, তাঁরা গত এক বছরের মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। জরিপে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে বছরে ১৩ লাখ নারী ধর্ষণ বা ধর্ষণের জন্য পীড়নের শিকার। জরিপে পুরুষদের প্রতি পীড়নেরও ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সাতজন পুরুষের মধ্যে একজন স্বজন কর্তৃক পীড়নের শিকার। প্রতি ৭১ জন পুরুষের মধ্যে একজন যৌন নিপীড়নে শিকার। জরিপে অংশগ্রহণকারী পীড়নের শিকার পুরুষদের অধিকাংশই ১১ বছর বয়সের আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। পীড়নের শিকার যুক্তরাষ্ট্রের এসব নারী-পুরুষের মধ্যে স্বাস্থ্যগত বিপর্যয় লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে। নারীদের মধ্যে যারা পীড়নের শিকার তাদের মধ্যে অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, মানসিক অসুস্থতাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যার হার বেশি। এসব নারী-পুরুষ ক্রমাগত মাথাব্যথা, নিদ্রাহীনতা, কাজ-কর্মে অনীহায় ভুগে।

ফিউচার উইদাউট ভায়োল্যান্স নামে মার্কিন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পরিচালক লিসা জেমস বলেছেন, পীড়নের শিকার নারী-পুরুষেরা জটিল স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। সহিংস দাম্পত্য জীবনে নারীদের মধ্যে ধূমপানের মাত্রা বেশি। মার্কিন সরকারের জরিপে দেখা গেছে, অল্পবয়সীরাই যৌন পীড়নের বেশি শিকার। পীড়নের শিকারদের মধ্যে ২৮ শতাংশ পুরুষ জানিয়েছে ১০ বছর বয়সের আগেই তারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে। নারীদের বেলায় তা ১২ শতাংশ। পীড়নের শিকারদের মধ্যে অর্ধেক ১৮ বছর বয়সে এবং ৮০ শতাংশ ২৫ বছর বয়সের আগেই ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের শিকার নারীদের মধ্যে যাঁরা অল্প বয়সে পীড়নের শিকার হয়েছেন তাঁদের ৩৫ শতাংশ পূর্ণ বয়স্ক হওয়ার পর পুনরায় যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের পরিচালক লিনডা ডিগাটিস বলেছেন, নারীদের মধ্যে যৌন পীড়নের শিকার-সংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্য রীতিমতো ভয়াবহ।
তাই আমি তথাকথিত নারীবাদের ধ্ববাধারীদের বলছি এখন তোদের সময় এসেছে তোরা সাবধান হ। কবে না জানি তোরা নির্যাতনের শিকার না হোস।

তথ্যসুত্রঃ
ইকোনোমিস্ট
প্রথম আলো।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৪
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাইক্রোপ্লাস্টিক: অদৃশ্য প্লাস্টিক কীভাবে আমাদের খাবার ও শরীরে ঢুকছে?

লিখেছেন কাবিল, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪


মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) হলো খুব ছোট প্লাস্টিকের কণা। সাধারণভাবে ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। এর থেকেও অনেক ক্ষুদ্র কণা আছে—সেগুলোকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়। এগুলো এত ছোট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংকীর্ণ মন

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩৮


রাস্তার মোড় যেনো সংকীর্ণ মন
ঘর উঠনে রাখবে আর কত কাল
চোখের নেশায় লালসার আগুন
জ্বলছে নিভবে না আর অমরণ

কখন মন জানালায় দেখেছ পায়রা
ভাবনার সফলী মাঠে যাচ্ছে উড়ে
দেখো নাই যে শান্তির পায়রা মন-
সংকীর্ণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্রদলকে সামলাতে না পারলে ক্যাম্পাসগুলো সহিংসতায় পূর্ণ হবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮


রাতে রংপুর, সকালে জগন্নাথ। আজকে জগন্নাথে ছাত্রদলের হামলার শিকার একযোগে সব বিরোধী দল। এসব কি ছাত্রদলের কাজ? নাকি ছাত্রদলের ভেতর ছাত্রলীগ প্রবেশ করেছে? জকসু জিএসের জীবন আশংকাজনক। দেশে যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×