
স্বপ্ন, তোকে খুব মিস করি।
আমার সঙ্গে তুই এমনটা না করলেই পারতি।
বলতো এমনটা কেন করলি?
কেন এমনটা হল বলতো?
আমিতো কারো কোনো ক্ষতি করিনি কখনো!
তোরও না।
তবে বল না কেন এমন হল?
আমাকে তুই-ই তো স্বপ্ন
দেখতে শিখিয়েছিলি।
তোর হাত ধরেই-তো বসন্তের বাতাসে
শ্রাবণের কান্নার গান সেধেছি আমি।
শিখেছি নিজেকে ভুলে অপরের পাত্রে
স্বপ্নের পসরা ভরাতে।
স্বার্থমগ্ন হতে শেখাও-তো তোরই কাছে;
সেখানে আমি আর তুই,
আর সকলের No Entry ।
দুঃখ সুখ ভাগ করতে করতে
কখন তুই যে ‘তুমি’ হয়ে গেলি
সে কথা আর মনে নেই।
‘তুই’ও মিষ্টি কিন্তু ‘তুমি’ যেন আরও,
দাম্পত্যের দুর্ণিবার ইশারা।
স্বপ্ন, তুই যেন স্বপ্নের মতো!
ভালো কি বেশি দিন থাকা ভালো?
না ভালো-দিন বেশি দিন থাকে?
শ্রাবণের কান্না বসন্তে সুখবিলাস
কিন্তু শ্রাবণে তো সত্যি!
কান্নার মানেও আমি
তোর কাছেই শিখলাম।
তোকে ছেড়ে নীড় বাঁধালি
অন্য রাগে অন্য সুরে।
মানি, না মানি ভবিতব্য ভবিতব্যই।
সেই রাগেই মীড় বেঁধেছি
ভোরের বাতাসে ঈমন।
ভেবেছি- একেবারে মন্দ না।
তানসেনও তো এক ঋতুতে অন্য ঋতুসঞ্চারী।
প্রমাণ করে দেব আমি ঈমন সাধলেই
ভোর বাধ্য বিকেল হতে,
ভৈরব তার কিছুই না।
কিন্তু কী আমার কপাল বল-
যে ‘তুই’তে আমি মুগ্ধ
দেখি এ রাগিণী সেই ‘তোতে’ই মুগ্ধ ।
আমার কাছে তুই ‘তুই’ থেকে ‘তুমি’
আর এখানে একবারেই তুই ‘তুমি’।
আমার উপরে তোর এত রাগ!
কেন বলতো ?
ভেবেছিলাম দেখব আমায়
কে আর হারায়।
এবার জীবন গড়ব আমি,
আমি একাই।
একলা পথে চলতে গেলে
প্রশিক্ষণের দরকার যত
সবই নেব।
ধুলোর সাথে লড়তে গেলে ধুলোই হব।
কাঁটা তুলতে কাঁটা যেমন।
ভোরের সুরে ঠিকই গাব ভৈরবীকে।
আমায় এবার কে দেখি হারায়।
ভিখারি স্বপ্ন দেখে রাজপ্রাসাদের,
ঘুম ভাঙলে সে ফকিরই থাকে,
রাগ-রাগিণী সবাই দেখি
মুগ্ধদোসর তোরই সুরের।
ভৈরবীও ভৈরবময় তোরই ছন্দে।
আনুরাগহীন দুস্বপ্নের রাগিণীতে আমি একা।
একাই আমি।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




