somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সরকারের এখন "জলে কুমির, ডাংগায় বাঘ"

১০ ই মে, ২০১৪ রাত ৯:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

৫ই জানুয়ারীর, ভোটার বিহীন অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে, বর্তমান সরকার এখন ফাটা বাঁশের চিপায় আটকা পড়েছে । কারন -যারা, যেকোন প্রকারেরই অবৈধ কাজ করুক না কেন, কখনও বৈধ কর্ম করার মতো নৈতিক বল, সাহস, প্রশান্তি আর স্বাচ্ছন্দের সাথে কাজ-কর্ম করতে পারে না ।
বর্তমান সরকারও যেইদিন থেকে নূতন সরকারের দায়িত্বভার গ্রহন করেছে, সেইদিন থেকে তাদের নৈতিক বল, পূর্বের সরকারে থাকাকালীন সময়ের চেয়ে প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে, অথচ দায়িত্বের ভার কিন্ত আগেরটাই রয়ে গেছে । ফলে কোন কাজের সিদ্ধান্তই, তারা আর আত্মবিশ্বাসের সাথে গ্রহন করতে পারছে না, এবং তাদের মধ্যে একপ্রকার নার্ভাসনেস কাজ করছে । সরকারের নৈতিকবলের ঘাটতি জনিত কারনে সৃষ্ট নার্ভাসনেস, প্রশাসনের সর্বত্রই প্রতিফলিত হতে শুরু করেছে, যার প্রতিক্রিয়া সারা দেশের উপর পড়তে শুরু করেছে । ফলে দেশে একপ্রকার নিরব স্থবিরতার সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই সাথে এক অজানা আতংকে এবং অনিশ্চয়তায় ভূগছে মানুষ ।
সরকার ক্রমশই যেন রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে । মনে হচ্ছে, সরকার তার রাষ্ট্র যন্ত্রের উপর খবরদারী করতে, কেমন যেন সাহস পাচ্ছে না ! কিন্ত রাষ্ট্র যন্ত্রের উপর ঠিকমত নিয়ন্ত্রন রাখতে না পারার দরুন, দেশের পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ থেকে খারাপের দিকে যাচ্ছে ,যা সরকারের জন্য এক ভয়ানক পরিনতি ডেকে আনতে পারে ।
ভোটারবিহীন নির্বাচন করে, সরকার আগেই জনগনের উপর, তাদের আস্থা হারিয়ে ফেলেছে । এখন যদি রাষ্ট্রযন্ত্রও সরকারের দূর্বলতার সুযোগে বিগড়ে যায় , তখন সরকার টিকিয়ে রাখাই দুস্কর হয়ে পড়বে । কিন্ত এই পরিস্থিতিতে সরকার এখন কি করবে ? সরকারের মেয়াদকাল কি আরো দীর্ঘায়িত করবে, নাকি এখনই সসম্মানে কেটে পড়বে ? সরকারের মেয়াদ দীর্ঘায়িত করলে, দেশের পরিস্থিতি, নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যেতে পারে, আর ক্ষমতা ছাড়ার চিন্তা করলে, বিগত মেয়াদের নানা অপকর্মের জন্য নেমে আসতে পারে, ভয়াবহ বিপদ । কোনটা করবে সরকার ? জেনেশুনে বিপদের দিকে হাঁটবে, নাকি ক্ষমতাকে আঁকড়ে ধরে রেখে, নিজেদের ধ্বংসের শেষটা কোথায় গিয়ে থামে, তা দেখবে ?
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হাতছানি

লিখেছেন আহমেদ রুহুল আমিন, ১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:২২

বাঁশবনের উপরে গোধূলীর আকাশে
কি'যে অপরুপ লাগে একফালি চাঁদ,
কাশবনের দুধারে মৃদুমন্দ বাতাসে
ঢেউ খেলে যায় সেথা জোৎস্নার ফাঁদ-
আহা..., কী অপরুপ সেই 'বাঁশফালি চাঁদ' ।

পাখিদের নীড়ে ফেরা কল-কাকলীতে
শিউলী-কামিনী যেথা ছড়ায় সুবাস,
আজানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিচ্ছু চাই না আমি, আজীবন ভালোবাসা ছাড়া!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৫১



অতি তুচ্ছ বিষয় গুলোতে আমি আনন্দ পাই।
পথে ঘাটের সব রকম দৃশ্য আমি উপভোগ করি। পথে হেটে যাচ্ছি, একসাথে অনেক গুলো কাক কা কা করতে করতে উড়ে গেলো! এটা দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভবিষ্যতের স্পষ্ট বার্তা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:১৭



কারিনা ইস্যুতে যা ঘটেছে, তা শুধু একটি পরিবারের আত্মপক্ষ সমর্থন না- এটা জনমতের একটি স্পষ্ট প্রতিফলন। যদি শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেই হেটস্পিচ আসতো, তাহলে কারিনার মা জানাজার পর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রক্তের দাগে ধুয়ে যাওয়া আভিজাত্য: কারিনা কায়সারের বিদায় এবং আমাদের কিছু নির্মম শিক্ষা

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১৮ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯



​বাঙালি সংস্কৃতির চিরায়ত নিয়মে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষ সব বৈরিতা ভুলে যায়। জানাজার খাটিয়া সামনে রেখে স্বজনরা কেবল ক্ষমা চান, চিরবিদায়ের প্রার্থনা করেন। কিন্তু গতকাল আমরা এক অভূতপূর্ব ও হাহাকারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড. ইউনুস শুধুমাত্র বাই বর্ন বাংলাদেশী!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০


আমেরিকার সাথে চুক্তির কথাটি আসলেই ইউনুসের উপদেষ্টাসহ তার লোকজন বলে বিএনপি ও জামাতের সাথে আলোচনা করেই চুক্তিটি হয়েছে!
বিএনপি ও জামায়েতের সাথে আলোচনা করলেই কি এই চুক্তি সঠিক হয়ে যায়?

আপনাদের বিএনপি-... ...বাকিটুকু পড়ুন

×