সেদিন দেখলাম কোনো এক এস এস সি পরীক্ষার্থী
আত্মহত্যা করেছে। কারন রেজাল্ট খারাপ এসেছে। মারা
যাওয়ার আগে লিখে গেছে তার অনুভুতি। খুব দুঃখ
পেয়েছিলাম। আসলে এমন পরিস্থিতিতে একজন ১৫-১৬ বছর
বয়সী মানুষের পক্ষে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব না। কারন
এই বয়স টাই প্রচুর আবেগ কাজ করে যা তাকে
যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে উৎসাহ দেয়। আমার
নিজের মধ্যেই এমন আবেগ কাজ করে তাই কিছুটা বুঝি।
এক দার্শনিক বলেছেন, “Never let the regrets of
yesterday destroy the hopes of tomorrow” -Nishan
Panwar. মানুষের সামনে বাঁধা আসবেই। কত কিছু হবে
বিপক্ষে।তাই বলে ভেঙ্গে পড়া উচিত নয়। কে
জানে,সামনে হয়ত এর থেকে ভালো কিছু অপেক্ষা
করছে! মানুষ বাঁচে আশায়। এই আশা নিয়ে সামনে এগিয়ে
যেতে হবে। ব্যর্থ হয়ে জীবন শেষ করে দেওয়া
কোনো সমস্যার সমাধান না। আর জীবন তো একটাই।
যদি নিজের জন্য বাঁচতেই না ইচ্ছে হয়, অন্যের জন্য
বাঁচতে হবে দরকার হয়। তবু আত্মহত্যা নয়। আর গতকালের
ব্যর্থতায় হতাশ হয়ে আগামীকালের আশা কে অবহেলা করা
নিজের জন্যই ক্ষতিকর।
মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় আত্মহত্যা করি। পরক্ষনেই মন কে
বোঝায়, এটা কোনো সমাধান না। আমাকে সমাধান বের
করতে হবে নতুন প্রশ্ন দিতে হবে না। জীবন
বেদনাদায়ক। এটা সহ্য করার মত ক্ষমতা আছে মানুষের। শুধু
মনের শক্তি কে বাড়াতে হবে এ বেদনা মোকাবেলার
জন্য। হতাশ হয়ে নয়, হতাশা কে হতাশ করে সামনে এগিয়ে
যেতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১৫ দুপুর ১:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




