somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আবারো বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা মিশন বন্ধের টার্গেট!

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় ব্রিফিংয়ে প্রায় নিয়মিতই প্রশ্ন উঠছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে। এসব প্রশ্নে দেশের চলতি পরিস্থিতি, দুই নেত্রীকে জাতিসংঘ মহাসচিবের চিঠির পাশাপাশি ঘুরে-ফিরে আসছে শান্তিরক্ষা মিশনের ওপর সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি। জানা গেছে, ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘ নিজে থেকে কিছু বলেনি। বরং প্রতিবারই সাংবাদিকদের প্রশ্নের সূত্রে সংস্থাটি বাংলাদেশ বিষয়ে তার অবস্থান তুলে ধরছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠার পর গত ২২ জানুয়ারি এবং ৫, ১১, ১২, ১৭, ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ তোলা হয়। শনি ও রবিবার বন্ধের পর গত সোমবারের ব্রিফিংয়েও আসে যথারীতি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গ।

নিউ ইয়র্কের একটি সূত্র জানায়, প্রশ্নগুলো তুলছেন মূলত দুজন সাংবাদিক। তাঁদের একজন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির সদস্য মুশফিকুল ফজল, যিনি সাংবাদিক পরিচয়ে প্রকারান্তরে বিএনপির এজেন্ডাগুলোই সামনে আনছেন। অন্যজন আমেরিকান সাংবাদিক ম্যাথু লি। তাঁরা বাংলাদেশ পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলেও প্রতিবারই এর সঙ্গে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে যেভাবে জুড়ে দিচ্ছেন, তাতে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে সরকারি মহলে। কেননা তাঁদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ আছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকার এক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, নিউ ইয়র্কভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংগঠন অতীতে একাধিকবার বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগ তুলে এই সংস্থাগুলোর সদস্যদের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে আবারও এ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল ও তাদের প্রতিনিধিরা প্রকাশ্যেই শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ বিষয়ে আপত্তি তুলছেন। দৃশ্যত এটি বাংলাদেশের যেসব বাহিনীর সদস্য শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেন বা অংশ নিতে আগ্রহী, তাঁদের দিয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল।

ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, অনানুষ্ঠানিক বিভিন্ন আলোচনায় বিচারবহির্ভূত হত্যার বিষয়টি বিদেশিরা তুললে ঢাকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সদস্যদের ভূমিকা মূল্যায়নের নিজস্ব কাঠামো আছে বাংলাদেশের। কোনো বাহিনীর কোনো সদস্য অনিয়মে জড়ালে তাঁর দায়মুক্তির সুযোগ নেই এবং তাঁর অনেক নজিরও আছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকে বলেছেন, 'বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিশানা থেকে নিরপরাধ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ এবং এ জন্য আইনি উদ্যোগগুলোর বিষয়ে জবাবদিহি করতেও প্রস্তুত।'

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, পোশাকশিল্পে ব্র্যান্ড হওয়ার আগেই শান্তিরক্ষায় ব্র্যান্ড হিসেবে বিশ্বে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ। যে দেশের শান্তিরক্ষীরা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোয় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে, প্রাণ দেয়, এখন সেই দেশে রাজনৈতিক অনৈক্যের কারণে সংঘাত-সহিংসতা নিঃসন্দেহে দুঃখজনক ও অপ্রত্যাশিত। কিন্তু তাই বলে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়। তাদের মতে, এর পেছনে সুস্পষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।

ঢাকার সূত্রগুলো এ ক্ষেত্রে সম্প্রতি কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীর প্রকাশ্য বিবৃতির উদাহরণ দেন। তিনি বলেছেন, 'যারা নিজের দেশে শান্তিরক্ষা করতে পারে না, যারা নিজের দেশের মানুষের সঙ্গে পশুর মতো আচরণ করে, যারা নিরীহ মানুষকে হত্যা করে, যাদের নিজের দেশেই শান্তি নেই, তারা অন্য দেশে কিভাবে শান্তিরক্ষী হিসেবে কাজ করবে?'

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, বাংলাদেশের পর জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে শীর্ষ সারিতে আছে পাকিস্তান। দীর্ঘমেয়াদে অস্থিতিশীলতা থাকলেও পাকিস্তানের কেউ কিন্তু এভাবে বিদেশে শান্তিরক্ষা মিশন নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে লেখা চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন শান্তিরক্ষার কাজে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশে বর্তমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে এ দেশের অংশগ্রহণের ওপর প্রভাব ফেলবে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপমুখপাত্র ফারহান হক সম্প্রতি সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেছেন, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রম- দুটি ভিন্ন বিষয়।

সাবেক পররাষ্ট্রসচিব সি এম শফি সামি এ প্রসঙ্গে কালের কণ্ঠকে বলেছেন, 'আমি মনে করি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ- দুটি আলাদা বিষয়। এ বিষয়ে দেশের ভেতরে কে কী বলছেন তা নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।'

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আমি মনে করি না, দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ওপর এখনই কোনো প্রভাব ফেলবে। তবে অস্থিরতা ও সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে কোনো একটি পর্যায়ে এমন পরিস্থিতি দেখা গেলেও যেতে পারে।' তিনি বলেন, 'শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের জন্য বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম আছে। যাঁরা ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করছেন তাঁদের প্রশ্নের ভিত্তিতে তো আর জাতিসংঘ সিদ্ধান্ত নেয় না। জাতিসংঘ সিদ্ধান্ত নেয় গভীর বিশ্লেষণ, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে। আমি এ ধরনের কোনো সম্ভাবনা দেখছি না।'

জাতিসংঘের ব্রিফিংয়ে শান্তিরক্ষা বিষয়ে বারবার প্রশ্ন তোলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে নিউ ইয়র্কের এক কর্মকর্তা জানান, সাংবাদিকরা নিজস্ব বিচার-বিবেচনায় প্রশ্ন করেছেন। দেশের সত্যিকারের চিত্র যাতে বিদেশিরা পায় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রশ্নকারীরা নিজস্ব রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য প্রশ্ন করবেন এমনটা তাঁরা প্রত্যাশা করেন না। তবে এটা ঠিক যে, বাংলাদেশ নিয়ে জাতিসংঘ নিয়মিত কথা বলছে না। জাতিসংঘকে দিয়ে বলানো হচ্ছে। সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারী সরাসরি বিএনপির সঙ্গে জড়িত। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সহকারী প্রেসসচিব ছিলেন। অন্যদিকে আমেরিকান সাংবাদিক ম্যাথু লি ২০১২ সালে 'অনৈতিক' ও 'অপেশাদার' আচরণের দায়ে জাতিসংঘ সাংবাদিক সমিতির (ইউনাইটেড নেশনস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন-ইউএনসিএ) তদন্তের মুখোমুখি হয়েছিলেন। ওই অভিযোগে তাঁকে ইউএনসিএ থেকে বহিষ্কারের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে যুক্তরাজ্যের গার্ডিয়ান পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে জাতিসংঘ নিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য তাঁর সুনাম আছে।

গত সোমবার তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশবিষয়ক প্রশ্নে ২০১৩ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ডকে 'হত্যাযজ্ঞ' হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ওই হত্যাযজ্ঞে অংশ নেওয়া কমান্ডারদের নাম জনসমক্ষে এসেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতে (আইসিসি) মামলার চেষ্টা হয়েছে। আইসিসি মামলা নিয়েছে কি না তা তিনি জানেন না।

ওই সাংবাদিক তাঁর প্রশ্নে বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পরে কঙ্গোতে শান্তিরক্ষা মিশনে পাঠানো হয়েছে। জাতিসংঘ এখন তাদের বিষয়ে কী পর্যালোচনা করছে?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্য নির্বাচনের আগে সম্ভাব্যদের বিষয়ে স্বাগতিক দেশ ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগ পর্যালোচনা করে। এটিই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে চলছে নানা ষড়যন্ত্র। যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য তুলে ধরে ওয়াশিংটনকে দিয়ে ঢাকার ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে কূটনৈতিক তৎপরতার নামে বিভিন্ন দপ্তরে কুৎসা ছড়ানোর মিশনে নেমেছেন খালেদা জিয়ার আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির সদস্যসচিব মুশফিকুল ফজল আনসারী।

তিনি সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন ও জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন। নিরপেক্ষ 'সাংবাদিক' পরিচয় দিয়ে এসব বৈঠকে তিনি বিএনপির এজেন্ডাগুলো তুলে ধরেছেন। হোয়াইট হাউসে ওবামা প্রশাসনের নিরাপত্তাবিষয়ক কর্মকর্তার ব্রিফিং ও নিউ ইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনগুলোতে তিনি নিয়মিত হাজির থাকছেন। গত শুক্রবার তিনি ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের বোস্টনে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বোস্টনের এক রাজনৈতিক কর্মী কালের কণ্ঠকে বলেছেন, গত শুক্রবার দিনব্যাপী তাঁরা মিশন চালিয়েছেন। সন্ধ্যায় স্থানীয় ক্যামব্রিজের একটি বাংলাদেশি রেস্তোরাঁয় নিউ ইংল্যান্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহরাব খানসহ বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে মুশফিকুল ফজল আলোচনায় অংশ নেন। কয়েক দিন ধরে তিনি বোস্টনে বিএনপি কর্মী সোহরাব খানের বাসাতেই রয়েছেন। তাঁরা এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী বেশ কিছু কাগজপত্র যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন দপ্তরে জমা দিয়েছেন।

এদিকে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের প্রেসসচিব বিজন লাল দেব সম্প্রতি জাতিসংঘে এক চিঠি পাঠিয়ে মুশফিকুল ফজল আনসারী কিভাবে জাতিসংঘ মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন পেয়েছেন তা জানতে চেয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো রাজনীতিবিদের হাতে যদি মিডিয়ার কার্ড দেওয়ার বিধি থাকে, তাহলে বলার কিছু নেই। রাজনীতিবিদের সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার পরিপ্রেক্ষিতেই ওই চিঠি দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের পাবলিক ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্টের শর্ত অনুযায়ী, কেউ যদি মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশনের অপব্যবহার করেন তাহলে সেই কার্ড কেড়ে নেওয়া যায়। অন্যদিকে বিদেশি সাংবাদিকদের যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ফরেন প্রেস সেন্টারের মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের মিশনের প্রত্যয়নপত্র প্রয়োজন হয়। জানা গেছে, মুশফিকুল ফজল বাংলাদেশি এক নিউজ পোর্টালের সম্পাদক পরিচয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন এবং নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট থেকে প্রত্যয়ন নিয়ে মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন পেয়েছেন। বিজন লাল দেব জানান, এরপর থেকে তিনি সাংবাদিক পরিচয়ে নিউ ইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে দলীয় স্বার্থে মিশন চালাচ্ছেন। সুত্র
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবীন্দ্রনাথের নামে কত শত অভিযোগ

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫


*রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা চুরি করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন! বাস্তবতা হলো, রবীন্দ্রনাথ যখন নোবেল পান, নজরুল তখন লেখালেখেই শুরুই করেননি। তাঁর বয়স সবে ১৪ ছিল।

প্রাপ্ত বয়সে নজরুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

এ আগুন আপনাদেরও একদিন গ্রাস করবে।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১৩


আজ যারা ধর্ম, জাতীয়তা ইত্যাদির ভিত্তিতে ও তাঁর কথিত “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধিতা”, “মুসলিম বিদ্বেষী” সহ নানা মিথ্যা অভিযোগ আর অজুহাতে রবীন্দ্রনাথ বিদ্বেষের ব্যাপারে চূড়ান্ত বাড়াবাড়ি ও ইতরামি দেখিয়ে বেড়াচ্ছে তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাটায় - পুটায় ঘষাঘষি, মাঝখানে মরিচদের জীবন শেষ?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩১

আওয়ামী তথা ভারতীয়দের নমস্য রবী বাবুর চিত্রে কালিমা লেপন।
দুই দিন পরে, আওয়ামী বিরোধীদের 'রবী' ইউনুস সাহেবকে গালাগালি!!!
এ যেন পাটাপুটায় ঘষাঘষি করে অভাগা মরিচদের জীবন শেষ করার চেষ্টা?
কিন্তু, রবী বাবু কিংবা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূল (সা.), আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনুচিত কাজের সমালোচনা ও সমর্থন করা যাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৪১




সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান... ...বাকিটুকু পড়ুন

রঠার মুসলিম বিদ্বেষ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:১৮



রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর সংক্ষেপে রঠা এর ছোট গল্প "রীতিমত নভেল" এ রঠা মুসলমান শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করেছেন ‘যবন’। যবন অর্থ অসভ্য, ম্লেচ্ছ, অপবিত্র, বর্বর জাতি, যেকোনো বিদেশি ইত্যাদি ইত্যাদি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×