somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বদলে যাওয়া অর্থনৈতিক কাঠামো এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৭:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দিনে দিনে সামাজিক, রাজনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গেছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো। এটা আরোপিতভাবে নয়, স্বাভাবিক নিয়মেই ঘটেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে নানা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থনীতিতে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। কৃষিনির্ভর অর্থনীতি ছিল এক সময়ে এ অঞ্চলে। কিন্তু সেই কৃষিনির্ভর অর্থনীতি থেকে ক্রমশ বেরিয়ে এসে শিল্প ও সেবা খাতমুখী হয়েছে আমাদের অর্থনীতি। এখন আর আমাদের অর্থনীতিতে কৃষির একচ্ছত্র দাপট নেই আগের মতো। এক সময় যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির পর্যালোচনা করেছিল বিশ্বব্যাংক। ওই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছিল, সত্তরের দশকের বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রতিচিত্র। যেখানে বলা হয়েছিল, ১৯৭০ সালে বাংলাদেশের মোট জাতীয় উৎপাদনে (জিএনপি) কৃষি খাতের অবদান ছিল ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশ। আর শিল্প ও সেবা খাতের অবদান যথাক্রমে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ ও ৩৪ শতাংশ।
পাকিস্তানি শাসক চক্রের শোষণ-বঞ্চনায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছিল উন্নয়নের ছোঁয়া বঞ্চিত। এখানকার আয় দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে। পূর্ব পাকিস্তানে শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক চক্রের চরম অনীহা প্রকাশ পেয়েছে। শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এখানে শিল্প বিপ্লবের যথেষ্ট সুযোগ থাকলেও তা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে রুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। এখানে প্রচুর জনশক্তি থাকলেও তা তাদের উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়নি যথাযথ শিল্পায়নের অভাবে। অভাব, দুঃখ, দারিদ্র্য ছিল এখানকার মানুষের নিত্যসঙ্গী। এসবই ছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর স্বৈরাচারী মনোভাবের উগ্র প্রকাশ। কোনোভাবেই যেন এ অঞ্চলে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হতে না পারে তার নীলনকশা তৈরি করে রেখেছিল তারা। ফলে ধুঁকে ধুঁকে কোনোভাবে জীবনযাপন করতে হতো বাংলার জনগণকে। উন্নত জীবনের স্বাদ এখানকার মানুষের জন্য অনেকটা সোনার হরিণ। বাংলাদেশের অভ্যুদয় এখানকার সামাজিক, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অর্থনীতিতে নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার পাশাপাশি তাঁর অসাধারণ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে নবজাগরণের সৃষ্টি করেছিল। তিনি ঠিকই উপলব্ধি করেছিলেন শুধুমাত্র কৃষিনির্ভর অর্থনীতির জোরে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে। তাই তিনি কৃষির পাশাপাশি এ দেশে শিল্পায়নের ব্যাপারে বেশ গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন।
স্বাধীনতার পর বিগত ৪৫ বছরে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তিগুলো পাল্টেছে। ক্রমশ শিল্প ও সেবার খাতের বিকাশ হয়েছে। এর ফলে অর্থনীতির মৌলিক কাঠামো অনেকটাই বদলে গেছে। সর্বশেষ ২০১৫-১৬ অর্থবছরের হিসাবে, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তিনটি খাতের মধ্যে কৃষি খাতের অবদান তৃতীয় স্থানে। সেবা খাতের অবদান শীর্ষে। গত অর্থবছরে জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ছিল ৫৩ দশমিক ১২ শতাংশ। আর কৃষি খাতের অবদান কমতে কমতে ১৫ দশমিক ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে। শিল্প খাত জোগান দিয়েছে ৩১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।
সময়ের আবর্তনে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকারও বৃদ্ধি পেয়েছে অনেকগুণ। স্বাধীনতা-পূর্ব সময়ে এ দেশের অর্থনীতির আকার ছিল অনেক ছোট। স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনেক পালাবদল ঘটেছে। নানা চড়াই-উৎরাই ধাপ অতিক্রম করে বর্তমানে আমাদের অর্থনীতি একটি ভালো পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এক সময় অভাব, দারিদ্র্য, দুর্বল অর্থনৈতিক কাঠামোর কারণে বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ আখ্যা দেয়া হয়েছিল। এখন আর সেই দুর্বল অবস্থানে নেই বাংলাদেশ। নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় উঠে এসেছে এ দেশ। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৯৭০ সালে এ দেশের অর্থনীতিতে মোট জাতীয় উৎপাদনের (জিএনপি) আকার ছিল মাত্র ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার। তৎকালীন সময়ে মুদ্রা বিনিময় হার ছিল প্রতি ডলারে ৭ টাকা ২৮ পয়সা। সেই হিসাবে অর্থনীতির আকার দাঁড়ায় ৩ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ফুলেফেঁপে যে পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে সেটাও আমাদের বিরাট একটি সাফল্য বলা চলে। গত অর্থবছরের স্থিরমূল্যে দেশের অর্থনীতি বা জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিকাশের নানা দিক বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয়ই সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং তা হলো আমাদের অর্থনীতির কাঠমোগত পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশেও একটি ছোটখাটো শিল্প বিপ্লব হয়েছে। এখানে শিল্পখাতের অবদান কয়েকগুণ বেড়েছে। শিল্প বিপ্লবের ৮০ বছরে ইংল্যান্ড জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ২০ শতাংশ থেকে ৩৩ শতাংশ উন্নীত করেছিল। সেই আলোকে বলা চলে বাংলাদেশেও একটি ছোটখাটো শিল্প বিপ্লব হয়েছে। আমাদের অর্থনীতি আগের মতো আর কৃষিনির্ভর নেই। অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান কমলেও উৎপাদন বেড়েছে কয়েকগুণ। বাংলাদেশের জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য ঘাটতি হয়নি। এটিও বড় সাফল্য। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের উন্নয়ন বাজেটের আকার ছিল মাত্র ৫০১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশই ছিল বিদেশি সহায়তা নির্ভর। এখন সেই চিত্রটি পুরোপুরি পাল্টে গেছে। এখন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ৩০ শতাংশের মতো জোগান আসে বিদেশি সহায়তা থেকে। আগে যে রাজস্ব আদায় হতো, তার ৭০ শতাংশই আসত শিল্প আমদানি পর্যায় থেকে। বাংলাদেশ থেকে বিদেশে এক পণ্যনির্ভর রপ্তানি খাতের চিত্র পাল্টায়নি। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত গড়ে বছরে ৪২ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। এর মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্যের পরিমাণ ছিল গড়ে প্রায় ২৭ কোটি ডলার, যা মোট রপ্তানির ৬৫ শতাংশ। তখনো একটি মাত্র পণ্যের ওপর রপ্তানি খাত নির্ভরশীল ছিল। তখন বিশ^ব্যাংক মন্তব্য করেছিল, বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পুনর্জাগরণ দরকার। পাটের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর সুপারিশ করে বিশ^ব্যাংক আরো বলেছিল, দীর্ঘমেয়াদে পাট রপ্তানির ওপর নির্ভরশীলতা রপ্তানি আয়কে সমস্যার মধ্যে ফেলবে। তাই রপ্তানিকারকদের নানা ধরনের প্রণোদনা দিয়ে রপ্তানি আয়ে বৈচিত্র্য আনা উচিত। যেহেতু চা ও কাগজ শুধু পশ্চিম পাকিস্তানেই রপ্তানি হতো, তাই এসব পণ্য রপ্তানির জন্য নতুন বাজার খোঁজা উচিত। লক্ষণীয় বিষয় হলো, এতটা দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশের রপ্তানি খাত এক পণ্যনির্ভর রয়েছে এখনো। তবে পাটের জায়গাটি দখল করেছে তৈরি পোশাক বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে খুব বেশি বৈচিত্র্য আনা সম্ভব হয়নি। স্বাধীনতার আগে বাংলাদেশ মূলত পাট ও পাটজাত পণ্যের মতো প্রাথমিক পণ্য রপ্তানি করত। এখন প্রস্তুতকৃত পণ্য বেশি রপ্তানি হয়। বর্তমানে রপ্তানি পণ্যের মোট ৯০ শতাংশই আসে উৎপাদন খাত থেকে, যা উন্নয়নশীল দেশে রীতিমতো বিরল। তবে এক পণ্যের নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। ১৯৭০ দশকে বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ছিল ৫০ থেকে ৭০ ডলার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব অনুযায়ী গত অর্থবছরের মাথাপিছু আয় ১৪৬৫ ডলারে উন্নীত হয়েছে। আর বেকারত্ব হ্রাস পেয়ে এখন সাড়ে ৪ শতাংশে পৌঁছেছে।
বর্তমান সরকার ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে চাইছে। সরকারের লক্ষ্য পূরণ করতে হলে নতুন অর্থনৈতিক চিন্তাভাবনার বাস্তবায়ন প্রয়োজন। প্রণীত নতুন শিল্পনীতিতে সরকার ৩২টি খাতকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বাছাই করেছে। এই খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- পোশাক খাতের সংযোগশিল্প, জাহাজ নির্মাণ, ওষুধ ও ওষুধের উপাদান, তথ্যপ্রযুক্তি হালকা প্রকৌশল ও যানবাহন তৈরি, চামড়া ও পাদুকা, কৃষি ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং প্লাস্টিক।
বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিনিয়োগ বাড়ানো। বিনিয়োগ বৃদ্ধি ছাড়া আমাদের অর্থনীতির সমৃদ্ধি আশা করা যায় না। ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির জন্য জিডিপির ৪ শতাংশের সমান বিনিয়োগ লাগে। ৮ থেকে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির জন্য বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ দরকার। তবে বিনিয়োগ কম হলেও মানবসম্পদকে দক্ষ করে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া এর বড় উদাহরণ। মানবসম্পদকে দক্ষ করতে এখন নানামুখী চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশের মতো এমন তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা আর কোনো দেশে নেই। এ দেশের ৭৬ শতাংশ মানুষ কর্মক্ষম। এ জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগাতে হবে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে ভারত ও চীনের উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশের দুই দিকে এ দুটি দেশ। ২০৩৫ সালে চীন হবে বিশ্বের এক নম্বর অর্থনীতির দেশ আর দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে ভারত। আগামী ২০২৪ সাল নাগাদ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে বেরিয়ে আসবে বলে আঙ্কটাডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়ার যে তিনটি সূচক আছে ২০২১ সালের মধ্যে এ তিনটি সূচকের একটিতেও পিছিয়ে থাকবে না বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বর্তমানে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর পরের ধাপ হবে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ। মধ্যম আয়ের দেশের কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণি নেই বিশ্বব্যাংকের হিসাবে। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে বের হলে বাংলাদেশের রপ্তানি কমতে পারে- কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন। আসলে কিন্তু তেমনটি হবে না। এলডিসি থেকে বের হলে অর্থনীতি নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যাবে। তখন অনেক বিনিয়োগ আসবে। বিনিয়োগ বাড়লে রপ্তানি কমবে না, বরং বাড়বে।
সব মিলিয়ে বদলে যাওয়া অর্থনৈতিক কাঠামো নিয়ে বাংলাদেশ আরো সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাবে ক্রমেই- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
সুত্র
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৭:৫২
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×