দিনকে দিন চিন্তা ভাবনার উচ্চতা নিয়ে বড়ই চিন্তিত আছি। সমস্যার মূলে হইলো আমার পথচলার সময়। যখন কোথাও যাবার জন্য কোন যানবাহনে উঠি সবচেয় নির্মম সত্য হইলো সদা সর্বদা আমার পাশের আসন খালিই থাকে। এমনও হয় বাস ভর্তি মানুষ অথচ আমার পাশের আসন খালি। ললনা তো দূরে থাক আন্টিরাও বসে না (মানে পাশের আসনে আর কি)। বছর কয়েক আগে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়েছিল শুধু তাও এক পিচ্চি ছেলে বসেছিল উপায় না দেখে এক সুন্দরী ললনা পিচ্চি টাকে কোলে নিয়ে বসল। তার পর বাকি পথ বগুড়া থেকে কুষ্টিয়া ইতিহাস রচিত হইলো।সারাটা পথ তার সদ্য বিবাহীত পতীদেবের গল্প শুনতে শুনতে আমি বিমোহীত হইলাম আর ফলাফল স্বরুপ আমার গাঁট থেকে অনেক গুলো কাগজ বেড়িয়ে গেল বোঝেনইতো চোরের স্বক্ষী নাকি গাঁট কাটা হয় আর আমর সাথেছিল আমার বন্ধুত্রয় । ইতিহাস কে সঠিক ইতিহাস বানানোর লক্ষে তারা আরও রসালো মন্তব্য সহ হাজির হইলো অবশেষে সন্ধায় ছোটনের দোকানের সমুদয় আর্থীক লেনদেন আমার পকেট থেকেই সমাধান হইলো। আমিও অন্ত্স্থকরনে অবলোকন করিলাম এমন বন্ধু থাকিলে আমার শত্রুর কোন প্রয়োজন নাই। জয়তু আমার বন্ধু সকল(বাপ্পী, জেমস, মন্জুর)।
এই ঘটনার পর বাকীটা ইতিহাস আর কোনদিন আসন পুরন হয়নি।টাঙ্গাইলের শখিপুর থাকার সময় একদিন দৈবক্রমে ব্যত্যয় ঘটিলো। সিন্জি নামক বাহনের পিছনের আসনে উপবিষ্ট হবার লক্ষে জৈনক তরুনী কহিল " আঙ্কেল একটু চেপে বসেন" আমিও তড়িৎগতিতে চেপে বসিতে গিয়ে অনুভব করিলাম তিনি যথেষ্ট সুন্দরী আছেন আবার সাথে পিচ্চিও আছে বুঝিলাম না আঙ্কেল কহিলো কোন জনে। অবশেষে আমার ভ্রান্তির অবসান হইলো, যিনি কহিয়াছেন তিনি নিত্যান্তই আমার বউয়ের বয়েসি হবেন (বয়স ২৫ কি ২৬ )। বাহন থেকে গন্তব্যে নামিয়া আমার ছোট বউকে ফোনে জানিতে চাহিলাম আম্রে কি আঙ্কেল এর মতন মনে হয়? ছোট বউ সহাস্যে কহিলো যে তোর আজকের পোশাক কি আছে ? কহিলাম শার্ট আর প্যান্ট আর পায়ে চটি। কহিলো তোর মুখে কি জঙ্গল বিদ্যমান? আমি কহিলাম আপাতত সুন্দরবন না হইলেও উলুখাগড়ার বন নিশ্চয় আছে।। ছোট বউ মুখ ভেঙ্চিয়ে কহিলো(আমি দিব্য দৃষ্টিতে দেখিতে পাইলাম) তোরে ঠিকই কহিয়াছে। আর আমিও ফিল করিলাম তখন থেকেই নিজেরে কেমুন আঙ্কেল আঙ্কেল লাগে আর বাকিটা ইতিহাস।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



