চুপচাপ থাকাটা অনেক ভালো কিন্তু মাঝে মাঝে মন বলে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে,অন্যায়ের প্রতিবাদ করা মানুষের ধর্ম।চুম্বকের ধর্ম হচ্ছে আকর্ষন/বিকর্ষণ করা।সেটা বারণ করে কেউ আটকাতে পারবে না।মানুষের ধমর্ হচ্ছে কেউ অন্যায় কে প্রশ্রয় দেয় আবার কেউ অন্যায় কে মুখ বুঝে সহ্য করে। আজ ক'দিন থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি জাতীয় পতাকার উপর নামাজ পড়ার জন্য "কেউ বলছে জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হয়েছে"আবার কেউ বলছে নামাজ পড়লে দুষের কি আছে"আমি কি বলবো,আমার ও বলার আছে , আমিও বলবো কিছু,আমরা বাংলাদেশি,বাংলাদেশের একটা ধমর্ নিরেপেক্ষ রাষ্ট্র,স্বাধীন রাষ্ট্র,সভাই মত প্রকাশ করতে পারে,মত প্রকাশের স্বাধীনতা সভাইর আছে,সে হোক আওয়ামীলিগ,বি এন পি এমন কি জামায়াত বৈকি বামপন্থী।আমার কথাটা মতপ্রকাশ নিয়ে নয় কথা হলো জাতীয় প্রতাকা নিয়ে কে যেন একজন জাতীয় প্রতাকার উপর নামাজ পড়েছে আর তা নিয়ে হৈ চৈ আমাদের সমাজের লোক মুখে,
বামপন্থী নেতা বাপ্পিদা বসু নাকি নামাজ পড়ার কারনে ঐ বেচারাকে ফাঁসি দিতে চাচ্ছেন,তাই এই মাথা মোটা নেতা তার ফেইস বুকে লিখেছেন;"বিসিবি & পুলিস"ফাইন্ড দিস কুত্তার বাচ্চা & হ্যাং হিম""(কমেন্ট ছবি) এতে বুঝা গেলো দেশপ্রেমিক এই শাহাবাগ গনজাগরণে উদে্যাক্তা বসু'দা এই লোকটাকে ফাঁসি দিতে বলছেন।
শাহবাগী এই বসু দেব নাকি ভুলেই গেছেন আঠাশে অক্টোবর জামায়াত শিবিরের লোক গুলোকে লিগ-বৈঠা দিয়ে পিঠিয়ে মেরেছিলেন,সেখানে অনেক কুরআনের হাফেজ মারা গিয়েছিলো অমানবিক ভাবে। লাশের উপরে উঠে লাফালাফি করেছিলে যতক্ষন পযর্ন্ত মৃতু্য না হয়েছে ঠিক ততক্ষণ,সেই ছবি গুলা এখনো আমরা দেখতে পাই ব্লগে,পত্রিকার পাতায়।সেটা অমানবিক ছিলো না,সেটা ছিলো রাজনৈতিক কারণ তাই না? আর জাতীয় পতাকা জায়নামায বানানোর কারনে অবমাননার দায়ে এই লোকটাকে কুরবানী দিতে চাইছে শাহবাগী চেতনাদ্বারি বসু'দা।
ইতিহাস স্বাক্ষি,সিলেটে-ছেলের আকিকাতে গরু কুরবানীর কারনে বুরহানউদ্দিনের হাত কেটেছিল রাজা গৌড়গোবিন্দ এবং ছেলেটাকে দিয়েছিলো বলি,আর সেই বরর্বরতা আবার চাচ্ছে বাপ্পি।
আমাদের সমাজ,ছেলেটা জাতীয় পতাকা কে মাথা ঠুকে নামাজ পড়েছে,সেটা হয়ে গেলো না কি পতাকা অবমাননা,সে কি এ সব ইচ্ছে করে করেছে। আমরা এসব দেখবো কেন,বুঝবো কেন,কিছু হলেই কান নিয়েছে চিলে,অতপর সেই চিলের পিছনে ছুটতে থাকি।
আবার অনেকে বলছেন ষ্টেডিয়াম তো নামাজ পড়ার জায়গা না,কিন্তু ওরা জানে কি নামাজ পড়তে মসজিদ লাগে না,নামাজ ট্রেনে বসে ও পড়া যায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ৮:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




