
জেএমবি একটি জঙ্গি সংগঠন।জঙ্গি সংগঠন জেএমবির ভারতে কর্মকাণ্ড পরিচালনার আশঙ্কাকে সামনে রেখে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ এর একটি প্রতিনিধি দল আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে আসছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে।ইন্ডিয়ার এই গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশে আসছে>>খবর বাংলাদেশর জন্য সুখের নয়>>একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা অন্য দেশে পরিদর্শনের জন্য আসলে ঐ দেশের ভিতরের সব খবর/তথ্য ঐ দেশের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা ১২০%।আমাদের দেশের এত অবনতি হবে কখনো কল্পনা ও করিনি । এমনিতেই দেশের বর্তমান অবস্থা খুব নাজুক,প্রতিটি শহর বন্দর,গ্রাম-বাজারে,ঘরে-ঘরে,ভাইয়ে-ভাইয়ে রাজনৈতিক হানা-হানি লেগেই আছে,আর তা একমাত্র প্রধান কারন হলো একতরফা নির্বাচন।দেশের জনগন এখন কয়েক ভাগে বিভক্ত আর এই বিভক্তির জন্যই জঙ্গি সংগঠন গুলো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে,দেশের আইনশৃংঙ্খলা বাহীনি বি এন পি আর জামাত শিবির নিয়ে ব্যস্থ,কিভাবে বিরোধী দলকে দমন করে ক্ষমতায় চিরস্থায়ী করা যায় সে দিকে সরকার ও তার মন্ত্রীবর্গ ব্যস্থ। জানামতে ভারতের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা এর আগে বাংলাদেশকে সতর্ক করেছিল যে, এই জঙ্গি সংগঠন শেখ হাসিনার সরকার পতনের জন্য পরিকল্পনা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় জঙ্গি দমনের নামে বিরোধী দল দমনের সুন্দর একটি উপায়ন্তর/সুযোগ সরকার হাত ছাড়া করতে নারাজ। টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে জেএমবি মাদ্রাসা ব্যবহার করে তরুণদের প্রশিক্ষণ দেয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত বাংলাদেশর কোনো মাদ্রাসায় জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এমন কোন প্রমাণ সরকারের হাতে বা কারো হাতে আছে বলে আমার মনে হয় না। গত কয়েক সপ্তাহ আগে দেখলাম বাংলাদেশের মসজিদে পুলিশ নজরদারীতে রাখা হয়েছে।ইমাম সাহেব কি খুতবা দিবেন তা ও নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। আমাদের সরকার বলে আমরা বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসি কিন্তু এটা কোন ধরনের স্বাধীনতা-কোন ধরনের ধর্ম নিরেপেক্ষ এমন প্রশ্নের জবাব সরকারের কেউ দিবে বলে আমার মনে হয় না।একজন ভারতীয় গোয়ন্দা কর্মকর্তা বলেন বাংলাদেশের জেএমবিরা সিমান্ত দিয়ে ভারতে চলে যায় কিন্তু দু:খের বিষয় হলো একজন ফেলানি কে হত্যা করতে পারে ভারতীয় সিমান্ত রক্ষী বাহীনি কিন্তু জেএমবি কে পাকরাও করতে পারে না।আমার মনে হয় এখানে কোন একটা ফাঁক-ফুক্ষর রয়ে গেছে যা ডুমুরের ফুলের মতো।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ভারত সরকার আমাদের জেএমবির কর্মকা- সম্পর্কে অবহিত করেছে।প্রশ্ন হলো ভারত কি আমাদের দেশ পরিচালনা করছে-আমাদের চাইতে আমাদের দেশের খবর ভারত ভালো করে জানে,কিন্তু আমাদের এত পুলিশ,গোয়েন্দা,র্যাব যৌথবাহীনি থাকতে কোন কিছুই জানে না।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




