
এ সপ্তাহে জুম্মার নামাজের আগের আলোচনা ইমাম সাহেব খুব আক্ষেপ করে বলছিলেন আমাদের নবী মুহাম্মদ(সঃ) তার উম্মতদের ভিক্ষা করতে নিষেধ করেছেন, কাজ করে খেতে বলেছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেই ভিক্ষুকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। কিছু মানুষ আমাদের প্রিয় নবীর আদর্শকে ভিক্ষাবৃত্তির হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছেন।আবার কেউ কেউ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে শুধুমাত্র ভিক্ষা করার জন্য। ঢাকার বিভিন্ন মসজিদগুলোর সামনে দেখবেন নওমুসলিমের বেশে প্রায় কিছুলোক ভিক্ষা করছে। ইসলামে নওমুসলিমদের সাহায্য করা বিধান আছে। আর সেই বিধানকেই কাজে লাগিয়ে এরা ভিক্ষা করে যাচ্ছে। আল্লাহ ও রাসুলকে কি এরা আসলেই ভালবেসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে নাকি এটা ভিক্ষাবৃত্তির কৌশল সেটা মহান আল্লাহ তালাই ভাল জানেন।
প্রতি রমজান মাসে ঢাকা শহরে ভিক্ষুকের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বেড়ে যায়। যাকাত ফিতরা, দান, সদগার আশায় সারা দেশথেকে হাজার হাজার ভিক্ষুক এসে রাজধানীত ভিড় করে। শোনা যায় এসব ভিক্ষুকদেরও নাকি নেতা আছে, যারা ভিক্ষকদের পরিচালনা করে, এবং ভিক্ষুকদের ইনকামের সিংহভাগ তারাই ভোগ করে।
দেশে এখনো অনেক সমস্য আছে, কিন্তু ঝড়, বন্যা, সিডরের মত প্রাকৃতিক দূর্যোগকে এখন আর এদেশের ভয় পায় না। মঙ্গা নামক শব্দটি এখন আর শোনা যায় না। তাহলে কেন টিকে থাকবে ভিক্ষাবৃত্তি নামক এই লজ্জাজনক পেশা? সবগুলো জেলা প্রশাসন কি নড়াইল জেলার মত পারেনা ভিক্ষাবৃত্তিরোধে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করতে?
বাংলাদেশ থেকে ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করে ভিক্ষাবৃত্তি চিরতরে বন্দ হোক। প্রিয় নবী মুহাম্মদ(সঃ) সবাইকে মেহনতি হওয়ার যে শিক্ষা দিয়েছেন তা বাস্তবায়িত হোক।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



