তির্থকে'র "রাজাকার থেকে স্বৈরাচার-আমাদের স্বাধীনতা'র ৩৭ বছর " লেখার সমালোচনা।
ভাল লিখছেন ভাই । কিন্তু কথা হইল এই যে আপনেগো বুদ্ধিজীবি ভাইয়েরা আর কতকাল খালি পত্রিকা আর টেলিভিসানের পর্দায় সাইজা-গুইজা বড় বড় কথা কইয়া বেড়াইব ? তাগো দায়িত্বকি খালি বড় বড় কথা কওয়া আর সমস্যা চিন্হিত করা ? সেই দায়িত্বত আপনেও পালন করলেন । তাইলেত বুদ্ধিজীবি আপনেও :-) কি খারাপ কইলাম :-)
ঐ বুদ্ধিজীবি আমাগো দরকার নাই । আমাগো দরকার বুদ্ধিহীন মানুষ । কিন্তু এমন মানুষ যে কথা কম ক্য়, কাজ করে বেশি.... আর সেই বেশি কাজটা করে দেশের জন্য ।
ঘরে বইয়া বইয়া ঐ সব বড় বড় কথা আর কতকাল ?
ঘর তেইকা বাইর হইতে ইচ্ছা করেনা । তাই না? বাইরে তো রইদ, বৃষ্টি, ময়লা, ক্যাদা আরো কত আজে বাজে ঝামেলা । ঐ সব জামেলা পোহাক সাধারন মানুষ । আপনেরাতো বুদ্ধিজীবি মানে যারা বুদ্ধি বেইচ্চা খায় ....হে হে । আপনেগো কি সাধারন মানুষের কাতারে মিশলে চলে ।
বেচেন, যত খুশি বুদ্ধি বেচেন । কেউ খাদ্য বেচে, কেউ পোশাক বেচে, কেউ দেশ বেচে আর আপনেরা বেচেন বুদ্ধি । কিন্তু ঐ বেচা বুদ্ধি নিয়া আমাদের কি কি লাভ আইজ পর্যন্ত হইছে একটু কইবেন কি ?
আমি বুঝিইনা আমাদের বুদ্ধিজীবিরা আসলে কোন দলে । নাকি সুবিধাবাদিদের দলে ?
এমন একটা প্ল্যাটফর্মকি আমাদের বুদ্ধিজীবিরা তৈরি করেছেন বা আমাদের জন্য তৈরি করার কথা ভাবছেন যেখানে দাড়িয়ে আমরা একটা সত্যিকারের স্বাধিন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতে পারি ? এমন কোন আহবান কি আপনি শুনেছেন আমাদের বুদ্ধিজীবি ভাইদের কাছ থেকে যেখানে তারা স্বক্বয় হয়ে এগিয়ে এসেছেন আমাদের এই পচা গলা রাজনিতী থেকে মুক্তি দেয়ার জন্য? আমি কিন্তু কোন ডাক শুনিনি ।
আর চাইনা ঐসব বড় বড় কথা শুনতে । এইবার থামেন । আমগো এখন সবই সইহ্য হইয়া গেছে । আমরা ভাল আছি :-)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



