somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তোমরা কারা?

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কেউতো বাইবেল, গীতা অথবা অন্য কোনো ঐশী গ্রন্থের বিরুদ্ধে বাজে কথা লেখেনা বা আগুন দিয়ে পুরায় না (হলেও খুব কম)। বাংলাদেশে আজ একাধিক কোরআন পুড়ানোর ঘটনা ঘটে (যদিও হাজারো কুরআন পুরানো নিয়ে আমার কোনো মাথা বেথা নেই যতক্ষণ লাখো হাফেজ এই পৃথবীতে এখনো বেচে আছে)।

কারা এরা যারা কুরআন পুরায়? যদি তারা সত্যিই কোনো ঐশী গ্রন্থ অনুসরণ করতো তাহলে আর এক ঐশী গ্রন্থ (কোরআন) পুরাত না বা বাজে ভাষা ব্যবহার করতনা এর বিরুদ্ধে । কুরআন অনুসরণকারি কখনো অন্য ঐশী গ্রন্থের বিরুদ্ধে বাজে ভাষা বা ব্যবহার (আগুনে পুরানো) করতে পারে না (see Quran 2:256, 06:108 and 109:06 and so on)।

তাহলে এরা কারা যারা কুরআন পুরায়? কুরআনের উপর এত আক্রোশ কেনো? খালি কোরআনই কি অন্য ঐশী গ্রন্থগুলো validate (কথা বলে) করে, অন্য গ্রন্থ গুলো কোরআনকে করেনা? তাহলে কোরআন কিভাবে অন্য অনেক ঐশী গ্রন্থের কথা বললো এবং কোরআনের অবস্থান কই এদের মধ্যে (see Quran 4:136, 5:44, 46 and 76:23 and so on)?

আমার মনে হয় যারা এই কাজের বা লেখাগুলার সাথে জড়িত তারা কোনো ঐশী গ্রন্থ অনুসরণ করেনা। তারা মনেকরে আমিই জানি কোনটা ভালো বা মন্দ। তাই কোনো ঐশী গ্রন্থ অনুসরণ করার দরকার নেই। Yes, it is true in the platform of no God, what I did (moack at God or set fire to Quran) was right as there is no wrong ans.
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:০২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম

লিখেছেন অপলক , ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাষণময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১


বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=শরত তুই যাস নে ! =

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৩



ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস জীবনে কেবল বৃষ্টির হাপিত্যেশ,
মেঘ বলেছে আসবো আসবো আমার উদ্দেশ,
শুভ্র মেঘেদের নাচন
উত্তাপ হাওয়ায় যায় না আর বাঁচন,
তবুও স্নিগ্ধ আবেশ মনজুড়ে,
হঠাৎ হাওয়ার ঝাপটা, বাজে পাতার বাঁশি সুরে।

বিকেলের হাওয়ায় দেহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২৫


ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×