চট্টগ্রাম ব্যান্ড দলগুলোর অবস্থা এখন খুবই বেগতিক।মেহেদীঅনুষ্ঠানে মাসে কে কত প্রোগ্রাম পাবে তার ওপর তাদের জনপ্রিয়তা নির্ভর করে!প্রথম দিকে কষ্টে-সৃষ্টে দু-চারটা নামকরা দলের গান করা এরপর শুরু হয় গজাখিচুড়ি র্মাকা হিন্দি ও একটু শিক্ষিত গোছের ভাবুকহলে ভুল উচ্চারণ আর সুরের বেতাল মেলে ইংরেজি গানের চেষ্টা ও করে !!কিন্তু একসময় এই চট্টগ্রামের ব্যান্ড দলগুলোর সুনাম সারা বাংলাদেশ ছড়িয়ে গিয়েছিল ।এখন ও তারা ব্যান্ড জগতে লিডিং পজিশনে আছে।তপন চৌধুরী,আয়ুব বাচ্চু,নাসিম আলী খান,নকীব খান,র্পাথ হালের সুমি ,নগরবাউলের ড্রামার ও সুমির ব্যান্ড দলের ড্রামার সবাই এক একজন আইকন।শুধু তাই নয় চট্টগ্রাম ব্যান্ডের প্রজনন কেন্দ্র ও বটে।কিনতু বর্তমানে এত দৈন্য দশা এত বেহাল অবস্থা আর কখনো আসেনি।তারওপর নানা গ্রুপিং ,চরিত্র স্খলন জনিত সমস্যা তো আছে।এখানে নানা ব্যান্ড গ্রুপ আছে কেউ এ গ্রুপ কেউ ও গ্রুপ এগুলো করে তারা ও নান বিভাজনে বিভক্ত হয়েছে তাই শিল্প আর শিল্প থাকেনি হয়ে গেছে নিছক বিনোদন লাভ।তাদের অনেক নেতাকে দেখা যায় প্রধান নৈতিক চরিত্রের খল নায়ক।এমন কিছু ব্যান্ড নেতা আছেন যাদেরকে দেখে শিখবেন তারাইতো চরিত্র হননের আইকন হয়ে আছে।তারা এই শিল্পের উপনিবেশ,তারা এই শিল্পের মহিষাশুড় আবার তারা গণেশ ও বটে।একজন ৫০-৬০ বছরের মানুুষ একটা ২০ বছর বয়সী মেয়ের সাথে প্রেম করে বেড়ায় ,লিভটুগেদারে লিপ্ত হয় একেবারে ঢোলপিঠানোর মত করে ।যা করার কথা কোন টিনেজ ছেলের বা অবিবাহিতদের তা করছে এইসব শিল্পী নামক কুলাঙাগাররা। শুধু তাই নয় তারা সাপ্লায়ার হিসেবে ও পরিচিত।স্ত্রী, ঘর- সংসার ,ছেলেমেয়ে থাকার পর এই কুলাঙ্গাররা যখন কোন শিল্পের দায়িত্বে থাকে তখন তা আর ও কলুষিত হয় ।এমনিতে দিনে দিনে সব শিল্পর্চচ্চা ভেঙ্গে পড়ছে তারপর যুক্ত হয়েছে এসব কূ-কাজ।এজন্যই আমাদের বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত পিতা-মাতারা তাদের ছেলেমেয়েদেরকে শিল্পর্চচ্চা করতে উৎসাহ দেয় না।অথচ শিল্পর্চচ্চার ক্ষেত্রে মধ্যবিত্তের অংশগ্রহণ ই সবচেয়ে বেশি।তাদের শূণ্যতা কেউই পূরণ করতে পারবে না।শিল্পীদের পরিশুদ্ধ শিল্পর্চচ্চা করা উচিত যা দেখে অন্যরা উৎসাহ পাবে তাদের দেখে শিখবে,বুঝবে আর মনে ধারণ করবে।চট্টগ্রামে যারা ব্যান্ড র্চচ্চা করতে আসবে তাদের অবশ্যই মনে রাখা দরকার যে কোন শিল্প নিছক কোন শিল্প নয় আর এর সহজ কোন পথও নেই এটা একটা যৌথ শিল্প।সবার টিম ওর্য়াক পারে এটাকে ঋদ্ধ করতে।সুন্দর লিরিক,প্রমিত উচ্চারণ ,স্কিল,পারফরম্যান্স মিলিয়ে এই ব্যান্ড শিল্প।আধুনিক এ শিল্পে আধুনিক সমাজ থেকে এসেছে বলে এটা অনেকটা ব্যয়বহুল ও বটে। একজন নিতান্ত পরিবারের সাধারণ ছেলে মেয়ের পক্ষে এই ব্যয়বহুল যন্ত্রপাতি নিয়ে এ শিল্প র্চচ্চা করতে পারে না তার পর অনেকেই আছে যারা কষ্ট করে এ কাজগুলো করে।তাদেরকে অবশ্যই শ্রদ্ধা। শুধুমাত্র বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে গান করারা ডাকের ওপর এ শিল্পর্চচ্চা করবেন না।এটাকে শিল্প বলে না স্টিল শিল্প বলা যায়।মনে প্রাণে চাই চট্টগ্রামের ব্যান্ডশিল্প জেগে উঠুক ,তারা আবার ও বাংলাদেশ মাতাক মানুষের শ্রদ্ধা ভালবাসা অর্জন করুক এ কামনা করছি।।
আলোচিত ব্লগ
কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।
মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন
পরিস্থিতি কি জটিল?

আজকের ডায়েরী- ২০৩

খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন
Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা
সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।