সেীদি আরব তার হজ্জ প্ল্যান ব্যবসা প্রকাশ করেছে !তারা আশা করছে আগামীতে ৫০ লক্ষ হজ্জ্ব যাত্রী আর ৩০ লক্ষ ওমরা হজ্জ্ব যাত্রী আনার কথা চিন্তা করছে এ বছর ২০১৫ সাল থেকে,সেখানকার হজ্জ্ব মন্ত্রী বলেন,দ্রুতই সৌদি প্রাকৃতিক তেলের মজুদ ফুরিয়ে আসছে তাই এই খাতকে জিডিপির অন্যতম খাত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে ,অন্যতম ব্যবসার খাত হিসেবে মনে করতে হবে। হে বাঙালি মুসলমান ,আপনারা সুদ বোঝেন না -লাভ বোঝেন ,মুনাফা বোঝেন না -হালাল বোঝেন,মদ বোঝেন না -শূরা বোঝেন !!বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প আর সেীদি আরবের হ্জ্বশিল্প একই রকম দুটোই ।সহজ ভাবে বললে বলা হয় , বাংলাদেশের আছে গার্মেন্টস ব্যবসা আর ওদের আছে হজ্জ্ব ব্যবসা ।সৌদিদের উর্পাজনের শীর্ষ খাত হিসেবে- হজ্জ্বকে বিবেচনা করছে ।জায়গা জমি বিক্রি করে ,জীবনের পেনশনের টাকা দিয়ে,শেষ সম্বল উজাড় করে এই হজ্জ্ব আপনার জীবনে কি বয়ে আনবে? শুধু ভ্রমণ বিনোদন ছাড়া।যাযাবর জীবন সবাই পাই না , ওরা যাযাবর আমরা বেদিনী দুটোই দুই সমাজের ধরণ ।বেদিনী যদি যাযাবরের বেশ ধরে তাহলে সেটা হবে রুক্ষকে নদীর পাড়ে বৃক্ষ রচনার মত ।কদিন পর মরে যাওয়া ছাড়া আর কোন গতি নেই ।হজ্জ্ব ও নেই ,টাকাও নেই ....সুরমা আর আঁতর লাগিয়ে মরণ ছাড়া !!! হ্জ্জ্ব এর ব্যাপারে এই নিমর্ম সত্য কথা বলে ফেসে গেলেন,আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী আর অনেক মহান প্রগতিশীলরা বলেছিলেন লালা হুজুর যে ক্ষতি করেননি লতিফ সিদ্দিকি সরকারের বেশি ক্ষতি করেছেন।এখন কি বলবেন প্রগতিশীল লেখক,সাহিতি্যকরা ।গল্প, কবিতা লেখা ,সংস্কৃতি চর্চ্চা করা অনেক সহজ আর সহজ কথাটা বলতে পারা অনেক কঠিন।আর বলতে পারেননা বলে ,কিছু পাল্টায় না ! যা প্রাগৈতিহাসিক তা আজ প্রাগৈতিহাসিকই রয়ে গেছে ।নাকের ডগার ধর্মীয় মূল্যবোধের কাছে আমাদের সমাজ ব্যবস্থা কত অসহায় তা বলার অপেক্ষা রাখেন না।চারিদিকে কি চলছে........ !!! এদেশে ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে ধর্ম শিরনি দেয়া হয় ,শিক্ষা দেয়া হয় না ! আমাদের প্রতি কদমে সকুল দরকার আর আমরা করছি মসজিদ ,মাদ্রাসা! মসজিদের শহর করে কি লাভ,হ্জ্জ্ব যাত্রী পাঠানোর ক্ষেত্রে ১ নম্বর হওয়ার কি দরকার ........ তা আর বুঝাতে হবে!! সমাজের শেকড় বৃক্ষ উল্টে গেছে ,উদোম হয়ে গেছে এ গুণে ধরা সমাজকে নিয়ে আশাবাদের কোন কারণ নেই যদি না তা উপলদ্ধি করতে পারি!! একটা ভাল সমাজ তৈরির মহৌষধ কি আমার জানা নেই ।এটুকুন বলতে পারি ইচ্ছা আছে ,সাহস আছে,উদ্দমতা আছে ..........আর কিছু চাই না ।বাংলাদেশের কোটি মানুষ আছেন আজ যারা মাঠে নামার জন্য, শতবর্ষী বৃক্ষ রচনার জন্য আশায় বুক বেঁধেছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



