somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশ গড়ে তুলতে হলে...

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর স্টিমরোলার চালাতে হবে…।
শুধু রাজনীতিক আর আমলারা ডিম খাবেন তা হবে না।এদেরকেও ডিম দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।বৃটিশ উপনিবেশের ল্যাঞ্জা তাদের মাথা থেকে বের করে দিতে হবে। উচ্চআদালতে ইংরেজী ভাষা চুইটা দিতে হবে। এটারে বলে ভাষার মাধ্যমে শোষণ। বাংলাভাষা ছিল এদেশের প্রথম সাংস্কৃতিক আন্দোলন।অথচ ইংরেজী ভাষার মাধ্যম নাম দিয়ে জনগণরে শোষণ করছে তারা।
বৃটিশ- বাংলাদেশী বিচার ব্যবস্থার বাংলাদেশী দায়িত্বপ্রাপ্ত বৃটিশ দালালদের ভূত তাড়াতে হবে।উচ্চ কি নিম্ন সবজায়গায় ৯৯ ভাগ ভূত বসে আছে।

বিচারপতি,বিচারক,সংশ্লিষ্ট প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আকাম প্রবণতার বিরুদ্ধে গর্জে উঠুন।বদলে দিন সব ভাষা-মগজ দিয়ে তৈরি করার সমস্ত আইনী শোষণ।

#এখন সময় ভাষা বদলের।
#এখন সময় পরিবর্তনের
#এখন সময় দূনীর্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর
#এখন সময় শোষণের বিরুদ্ধে চিৎকার করার
#এখন সময় মানসিকতা বদলের

বাংলাদেশেল বিচার ব্যবস্থা দরিদ্র জনগণের শোষণের অংশ।দরিদ্র জনগণকে শোষণকরার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একাট্টা হতে হবে।আদালতের ইট,আইনের ভাষা- শোষকের উজ্জ্বল হাতিয়ার।নিপীড়িত জনগণরে চুষের খাওয়ার হাতিয়ার।ইট আর শব্দের গাঁথুনিতে লেগে আছে শোষিতের রক্ত।

এই ইট কাঠামো এই শব্দের জড়তা ভেঙে দিতে হবে।ভাঙতে হবে মগজের সেসব কুটিল কুটচাল।যারা জনগণের অর্থ চুষের নেয়াকে বিচার ব্যবস্থা বলে ভাবছে।
যেখানে বৈষম্য সেখানেই চিৎকার।
এই দেশকে গড়ে তুলতে কাউকে ছাড় দেবেন না।সমস্ত অবিচার,দূনীর্তির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন।প্রতিরোধ করুন।

৫০ বছর হতে চলল।আর কোন শোষণ নয়।
এবার কঠিন প্রতিরোধ চাই।

(শুধু আইন পড়লে হবে না শিক্ষার্থীরা।তারচেয়ে মানসিকতা বদল করতে হবে।দেশের সমস্ত ভাল কাজের সাথে থাকতে হবে।টাকা চিনলে হবে না।আইন বোধ তৈরি করতে হবে।ন্যায়বোধ তৈরি করতে হবে।ব্যক্তি হিসাবে উৎকর্ষতা অর্জন করতে হবে

বলেন তো :মাই লর্ড -কেন অশালীন শব্দ?
এইরকম হাজার হাজার অশালীন শব্দ পাল্টাতে হবে।উঁচুস্থানে বসে বাকিদের নিচুভাববেন তা হবে না।সবার জন্য সমান গ্যালারি করতে হবে। এমনকি ড্রেস কোড পর্যণ্ত পাল্টাতে হবে।
ব্যাপক সংস্কারর ভেতর দিয়ে যেতে হবে।সবাইকে অংশগ্রহণ করতে হবে।যারা আইন পড়ছেন,ব্যবসা করছেন,জীবিকা চালাচ্ছেন -সবচেয়ে বড় রিফর্ম আপনাদের উপরেই চালাতে হবে।আপনারা চালাতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে জনগণকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হচ্ছে!!)
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৫২
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারো নামে মিথ্যা অপবাদ কাম্য নয় তবে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৯


ঘটনাটি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং তার সঙ্গে থাকা এক সাংবাদিক বন্ধুকে ঘিরে। পরিবাগ ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়া জনগোষ্ঠীর কয়েকজনের সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কী-বোর্ড কাহিনী: ডেল কেবি২১৬

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:০০


আমি ১৯৯৬ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কী-বোর্ড ব্যবহার করছি। দেশে থাকতে কী-বোর্ড তেমন প্রয়োজন পড়েনি। মাঝে মধ্যে কেনা হতো। একবার বাংলা লিখার জন্য "বিজয়" সফটওয়্যারের প্রলোভনে, বিজয় এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×