somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুম্বাইয়া সিনে সংস্কৃতি যে কারণে পরিতায্য---

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মুম্বাইয়া সংস্কৃতি ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে না।আপাদমস্তক নকল,বোধহীন,নষ্ট,আগ্রাসী,পেশীবহুল বাণিজ্যমাত্র।যা গোটা দক্ষিণএশিয়ায় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালাইতেছে।ভারতের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সে ব্যবস্থাকে আগ্রাসী করেছে।এসব মুম্বা্ইয়া সিনেমায় ভাল গল্প নাই।যা আছে—তাহলো কাপড় খুলতে চাচ্ছে কিন্তু পারতেছে না।মদ পান করতে চাইতেছে তৃষ্ণা মেটাইতে পারতেছেনা।
-
নায়করা পেশী দেখাইতে পারলেও নায়িকারা স্তনের দুই-তৃতীয়াংশ দেখাচ্ছে কিন্তু স্তনের বোঁটা দেখাইতে পারতেছে না। লম্বা লম্বা নায়িকার পা দেখাইতেছে,বুকে নায়কদের দিয়ে চুমাইতেছে,নাভীতে চুমাইতেছে মাগার হেডার গোড়ায় যেতে পারতেছে না –পরিবাররে দেখাইতে হবে তাই!!!
-
তার মানে পুরো যৌনতা দেখাইতে না পারাই মুম্বাইয়া সিনেদের ব্যর্থতা। মানে সবকিছু করতে চাচ্ছে কিন্তু গোছাইয়া করতে পারতেছে না।
-
এইজন্য মুম্বাইয়া ভন্ড নষ্ট সংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে পুরো উপমহাদেশকে বাঁচানো জরুরী।যেমন বাঁচানো জরুরী স্বয়ং ভারতীয় সংস্কৃতিরে।সংস্কৃতির পরিবর্তন মানে এইরকম পরিবর্তন না।সংস্কৃতির বদল এইরকম বলদগিরি না,দাদাগিরি না,প্রভুরামগিরি করা না।
-
হলিউড মুম্বাইয়া সংস্কৃতির চেয়ে বেটার।তারাতো তাদের সমাজকে প্রতিনিধিত্ব করে।তাদের উন্মুক্ত যৌনতা,অস্ত্র,পেশীবহুল ফাইট এটাই তাদের রিয়েল।সেখানে ফেইক সমাজ বানাইয়াতো দর্শকদের বোকা বানাচ্ছে না।সারা পৃথিবীর সবাই সেখানে কাজ করতে যাচ্ছে, যায়।এটা তাদের ভার্সেটাইলিটি।তারা সংরক্ষণবাদীতাই বিশ্বাস করে না।সিনে ব্যবসা সত্যি কিন্তু আগ্রাসীরুপে অন্যের উপর চাপিয়ে দেয়ার দৃষ্টিভঙ্গিতো তাদের নাই।আমেরিকাতো তার প্রতিবেশি দেশগুলীর উপর এইরকম সংস্কৃতির আগ্রাসন চালায় নাই।যদি সব প্রতিবেশি মেক্সিকো ছাড়া বাকিরা তো প্রায়ই একই কালচারের।যেমনটা ভারতীয় উপমহাদেশের সংস্কৃতির মতোনই কাছাকাছি।
-
অথচ সেখানে ভারতীয়রা সংরক্ষণবাদীরুপে আগ্রাসন চালাইতেছে প্রতিবেশীদের উপর।তাদেরটা নিলে ঠিক আছে।অন্যেরটা তারা নিতে পারবে না।মুম্বাইয়া সিনেমার প্রায় ৯৯ শতাংশ সিনেমা স্বয়ং ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে না।তারাতো গোমুত্রকে সিনেমায় দেখাইতে পারে,কসাই মেরে ফেলা দেখাইতে পারে,নারী নিগৃহতার রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা দেখাইতে পারে।লালশিলের উপর লালরঙের দাগ কাটাইয়া অষ্টাঙ্গ করার দৃশ্য দেখাইতে পারে।তারা তাদের মর্ডাণ ও পুরাণ সব দেখাইতে পারে তা না কইরা হোটেলের বলরুমে দু-চারটা মদের গ্লাস,আধা উলঙ্গ নারী,ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ দেখাইতেছে।এর ভেতর পরিবাররেও দেখাইতেছে!!মেসেজ দিতাছে এইভাবে করো সব এইভাবে করো রব!তাদের নায়ক নায়িকারা উপমহাদেশের কতো বড়ো বড়ো ছেলেব!!
-
প্রতিবেশীরাও আগ্রাসন মাইন্না নিয়ে নমঃ নমঃকরতেছে।মুম্বাইয়া মাল এনে খাইতেছে!সারা বিশ্বে মাল সাপ্লাই দিচ্ছে!মুম্বাইয়া মালতো নয় যেন আরবের শেখের তেলের খনি একখানা।খাইলেতো ফুরায় না।তাইতো মুম্বাইয়া সিনে খাও সঙ্গে উপরি মুম্বাইয়া মাল খাও।
-
ভারতের পাশে মুম্বাইয়ের কাছে পাকিস্তানের মতোন একখান রাষ্ট্র প্রতিবেশী না হইলে মুম্বাইয়া সিনে জিডিপি গ্রোথ কতো নিচেই না থাকত!!
-
বাংলাদেশে-নেপাল-শ্রীলঙ্কা,ভুটান,মালে সবই কেমনে নেশার মতোন এক পেগ খা্ওয়াইয়া সারাদিন বুঁদ কইরা রাখতে পারে তা বড়ই মুশকিল।বড় ভাই আর বড়ো দাদার মতোনই মুশকিল এইসব মুম্বাইয়া সিনে সংস্কৃতি।
-
কাহাতক কইলে কেউ বলিবে বড়ই ভারত বিরোধিতা চলতেছে।
-
প্রতিবেশির সব মানুষরে হিন্দি কথা শিখাইদিতেছে ফ্রি!এইরকম দেইখা দেইখা কেউ জাপানিজ শিখতেছে না,চীন শিখতেছে না,স্প্যানিশ,গুড ইংলিশ শিখতেছে না এইখানে গুড হিন্দিতে শিখতেছে!!
-
সবইতো গুড শিখাইতেছে তারা।


সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:২৪
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধার্মিক কে অনুসরণ করুন ভন্ডকে নয় ।

লিখেছেন কিরকুট, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

আমরা প্রায়ই নিজেদের ধর্মপ্রাণ জাতি বলে পরিচয় দিতে ভালোবাসি। কিন্তু প্রশ্ন হলো ধর্ম কি সত্যিই আমাদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও সত্যের পথে পরিচালিত করতে পারছে, নাকি কিছু অসভ্য মানুষ ধর্মকে নিজেদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য সাইলেন্ট ইকো

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১০


এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ফিকশনাল ইনভেস্টিগেটিভ ক্রাইম থ্রিলার। গল্পের সমস্ত চরিত্র, প্রতিষ্ঠান, স্থান, সাল ও অপরাধের মোটিভ লেখকের কল্পনানির্ভর। বাস্তব কোনো ব্যক্তি, পেশাজীবী বা অমীমাংসিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ক্যাপাসিটি চার্জের পর এবার নজর খাম্বায়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:০৩


বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগের শেষ নেই । বিশেষ করে যারা নির্দিষ্ট বেতনে সংসার চালান কিংবা যেসব পরিবারে কেবল একজন মাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আছেন, তাদের মাসে প্রিপেইড মিটারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কে হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৫৯



কে হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদটি সংবিধানের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন যোগ্যতার চেয়ে দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতেই বেশি হয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

চাকরির জন্য সুপারিশ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৫৮



গত কয়েকদিন যাবত ফেসবুক, ইউটিউব সহ অনলাইন সকল পত্র-পত্রিকা, টিভি নিউজ সহ এমন কোনো স্থান বাদ নেই যেইখানে এক ব্যক্তির রাজনীতি, সাংসদ, সংসদ, চরিত্র, বিবাহ, কাবিন নামা, প্রথম স্ত্রী,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×