somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চলচ্চিত্র নির্মানের অনুদানের বিষয়ে সরকারি নিয়ম পরিবর্তন করা উচিত

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চলচ্চিত্র নির্মানের জন্য অনুদানের ব্যবস্থাই উঠিয়ে দেয়া প্রয়োজন। নিয়ম করা উচিত সরকারের বিশেষ কোন অধিদপ্তর সরাসরি প্রযোজনা করবে। (অবশ্যই এফ.ডি.সি. না। যেহেতু তাদের কাজ সরকারি ও বেসরকারি সব ক্ষেত্রে সরাসরি টেকনিক্যাল হেল্প দেয়া। টেলিটক ও বি.টি.আর.সি. যেমন আলাদা)

এই সরকারি প্রযোজনা হবে ১০০% সরকারি। প্রতিটা সিনেমার জন্য বাজেট ১ কোটি হতে ২ কোটি হবে। চেষ্টা করতে হবে লাভ করার, লস হলেও সমস্যা নাই। মূল উদ্দেশ্য যেসব গল্পের কমার্শিয়াল ভ্যালু নাই বা কম বা যা সিনেমাহলে টিকেট বিক্রি করে লাভবান হওয়া কঠিন - অথচ গল্পের সামাজিক গুরুত্ব আছে তা বড় পর্দায় নিয়ে আসা। যেমন- নারী পাচার বা নারী নির্যাতন (পালাবি কোথায়), গ্রাম্য পর্যায়ে অশিক্ষা ও কুসংস্কার (লালুসালু), বিদেশে শ্রমিক প্রেরণ (অজ্ঞাতনামা) ধর্মীয় অপব্যাখ্যা (রানওয়ে বা মাটির ময়না বা টেলিভিশন)

সরকার প্রতি বছর ১২টা সিনেমা প্রযোজনা করবে। প্রতি মাসে একটা সিনেমা মুক্তি দিতে হবে। সেভাবেই স্ক্যাজিউল হবে। প্রতিটা সিনেমা হল কমপক্ষে ১ সপ্তাহ এই "সরকারি" সিনেমা প্রদর্শনে বাধ্য থাকবে। এটা হবে ট্যাক্স ফ্রি।

এই ১২টি সিনেমার একটি হবে অন্ততপক্ষে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, এবং কমপক্ষে একটি হবে শিশুতোষ, এবং আরেকটি হবে এনিমেটেড বা টু-ডি কার্টুন।

বেসরকারি পর্যায়ে কমপক্ষে একটি সিনেমা তৈরি করেছেন ও সিনেমা খরচ তুলে প্রফিট করতে পেরেছে. অথবা সিনেমাতে ১০ বছর হিসাবে সহকারী পরিচালক হিসাবে অথবা টিভি নাটক তৈরিতে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা আছে - শুধুমাত্র এ ধরনের কেউ "সরকারি" সিনেমাতে পরিচালনার সুযোগ পাবেন।

নাগরিক হিসাবে এটা আমার অভিমত। আমার প্রস্তাবটা কেমন? কোন প্লাস মাইনাস?
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:২৪
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নির্বাচনী অঙ্গীকার চাই ফুটপাথ ফেরাও মানুষের কাছে

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬


ভোটের মিছিলে কথা হয় অনেক
পোস্টারে ভরা উন্নয়নের ঢাক
কিন্তু বলো তো ক্ষমতাপ্রার্থী দল
ফুটপাথ কার এ প্রশ্নের কি জবাব?

ঢাকা ছোটে না, ঢাকা পায়ে হেটে ঠেলে চলে
শিশু, নারী, বৃদ্ধ সবাই পড়ে কষ্টের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বালুর নিচে সাম্রাজ্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১


(ডার্ক থ্রিলার | কারুনের আধুনিক রূপক)

ঢাকার রাত কখনো পুরোপুরি ঘুমায় না।
কাঁচের অট্টালিকাগুলো আলো জ্বেলে রাখে—যেন শহর নিজেই নিজের পাপ লুকাতে চায়।

এই আলোর কেন্দ্রেই দাঁড়িয়ে ছিল করিম গ্লোবাল টাওয়ার
আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

জ্ঞানহীন পাণ্ডিত্য

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০


এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে স্বদেশ,
যে কিছু জানে না; সে-ই দেয় উপদেশ।
“এই করো, সেই করো;” দেখায় সে দিক-
অন্যের জানায় ভ্রান্তি, তারটাই ঠিক।
কণ্ঠে এমনই জোর, যে কিছুটা জানে-
সব ভুলে সে-ও তার কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণভোটের ব্যালটটি দেখতে কেমন হবে?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



সামনের গণভোট ঘিরে অনেক অপপ্রচার চলছে বলে শোনা যাচ্ছে। অনেকেই জানতে চাঁচ্ছেন, গণভোটের ব্যালটটি দেখতে কি রকম হবে? নির্বাচন কমিশনের ওয়েসবাইট থেকে জানতে পারা গিয়েছে যে, গণভোটের ব্যালটটি উপরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহতারাম গোলাম আযমই প্রথম We Revolt বলেছিলেন !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫৮


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের দলীয় ইশতেহার প্রকাশ করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘জনতার ইশতেহার’। দলটির দাবি, অ্যাপভিত্তিক প্রচারণার মাধ্যমে সংগৃহীত ৩৭ লাখের বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×