somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পুলিশ মামাদের আশেপাশে কিছু সময়।

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি লোকটা কখনও খুব বেশি ভাল ছিলাম না। যার জন্যে অন্য খারাপ লোক দেখলে আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। কারন মানুষের স্বভাবই হল, সে সবকিছুতে স্বতন্ত্র হতে চায়। জ়গতে আমি ছাড়া কোন খারাপ মানুষ থাকা উচিৎ না- এটাই হল আমার মনোভাব। কিন্তু দুর্ভাগ্য এমনই যে আমার আশেপাশে বরাবরই খারাপ লোকের সমাগম থাকে বেশি। আর আমাদের দেশে পুলিশই যে সব খারাপদের মধ্যে অন্যতম, সেটা হয়ত অনেকেই মানবেন।

যাইহোক,১ম দিনের ঘটনা। আজমেরী বাসে করে যাচ্ছি আদালতপাড়ার দিকে। এই বাস আবার কাউন্টার ছাড়া লোক উঠায় না। তো এক জায়গায় বাস স্লো হতেই তিন পুলিশ মামা হঠাৎ করে বাসে উঠে পড়লেন। পুলিশ উঠেছে অবৈধ ভাবে, কার সাহস আছে যে, তাদেরকে কিছু বলবে। এরই মধ্যে, এক পুলিশের আবার সখ জাগল, তিনি সামনের দৃশ্য অবলোকন করতে করতে ভ্রমন করবেন। বাসে ভিড় থাকায় সামনের দিকে এক লোক দাড়িয়ে ছিলেন। পুলিশ ভাই তাকে বললেন পিছনের দিকে সরে যেতে। ওই ভদ্রলোক সামনেই নেমে যাবেন। তাই উনার পেছনে যাওয়ার কোন যুক্তিই নাই। এইকথা উনি বলতেই, আরেক পুলিশ ভাই শুরু করলেন তার প্যানপ্যানানি। তিনি বলতে লাগলেন, আমরা পুলিশ হইছি বইলা কেউ মানুষ মনে করেনা, যার যেরকম খুশি ব্যবহার করে, কিছু বলতে গেলে আবার বলব পুলিশ হইছে দেইখা পাওয়ার দেখায় ইত্যাদি ইত্যাদি...অনেক কষ্ট কইরা নিজেরে সামলিয়ে নিলাম। শত হলেও এরা পুলিশ। এদের সাথে হিমুরা ছাড়া কেউ হাঙ্কি-পাঙ্কি করা উচিত না।

আরেকদিনের ঘটনা। ভোর চারটায় ভাইকে নিয়ে এয়ারপোর্টে যাচ্ছি। এয়ারপোর্টে ঢুকতেই রাস্তায় মামারা ধরলেন। ভাইয়া তাদের সব প্রশ্নেরই ঠিক ঠিক জবাব দিলেন। ওনারা পড়লেন বিপদে। টাকা খাওয়ার কোন রাস্তাই তো পাচ্ছেন না। আর কোন রাস্তা না পেয়ে উনারা বললেন ভাই, চা-নাস্তা খাওয়ার জন্যে কিছু টাকা দিয়ে যান। ভাইয়া ২০ টাকা দিয়ে দিলেন। ওমা, একটু সামনেই যেতে না যেতে আরেক পুলিশ ধরলেন গাড়ির কাগজ-পত্র চেক করতে। ভোর চারটায় কে চায় ঝামেলা করতে। ড্রাইভার ১০০ টাকা দিয়ে দিতেই ওনাদের কাগজ-পত্র দেখার খায়েশ মিটে গেল, আর আমরাও বেচে গেলাম ঝামেলা থেকে।

এরকম অনেক ঘটনাই দেখছি প্রতি-নিয়ত। নিশ্চয়ই আপনারা ও দেখছেন কিংবা শিকার হচ্ছেন এরকম হয়রানির। জানিনা কবে আমাদের সাহস হবে প্রতিবাদ করার। কিন্তু জানি একদিন আমরা ঠিকই প্রতিবাদ করব...করবই..........
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×