জীবন রীতি
------- জোবায়ের রহমান
ভাবছি বসে কলম হাতে, ইচ্ছা করে লিখব কিছু
বিষয় খুজে পাইনা কোথা, লেখার পোকা ছাড়েনা পিছু।
তারচেয়ে বরং গল্প বলি, রাজা রানী, সিংহ হাতি?
না না এসব পুরন কথা, আসুন শুনি জীবন রীতি।
একদিন এক আধার রাতে, বেড়িয়ে পরি পথের বাকে,
ঝোপের পাশে ছোট্ট শিশু, অবাক হয়ে দেখছি তাকে।
হাটছি একা গুনছি মানুষ, দেখছি সবাই করছে কিছু,
পিছন ফিরে হঠাৎ চোখে, দেখছি কাদে ছোট্ট শিশু।
মনটি কেমন করল উঠে, থমকে দাড়াই পথের মাঝে,
মৃদু পায়ে সামনে গিয়ে, শুনছি করুন সুরটি বাজে।
হাটু গেরে সামনে শিশুর, দেখছি তাকে অবাক হয়ে,
বুঝতে পারি সুরটি শুনে, কাদছে শিশু কষ্ট লয়ে।
মুখটি শিশুর মিষ্টি ভারি, জির্ণ সির্ণ বসন পরে,
ধূষর কালো চুলের মাঝে, ধুলা বালি খেলা করে।
বয়স বছর চারের কাছে, ছোপছে কালি সর্ব গায়ে,
নীলচে চোখে মায়া মাখা, নাই যে জুতা ছোট্ট পায়ে।
হাতটি রেখে মাথার পরে, বলছি খোকা কাদছ কেন?
সাহস করে মুখটি খোল, ভয়টি তোমার পালায় যেন।
চোখটি মুছে বলছে শিশু, সকাল থেকে খাইনি কিছু,
বেচতে পারিনি মালাগুলো তাই খুধার জালা ছাড়েনা পিছু।
আকুল স্বরে জানতে চাইলাম, কোথায় তোমার জন্মদাতা?
ধরটি নিচু, হারিয়ে গেছে, কাপছে শিশুর চোখের পাতা।
বুকের ভিতর চিন চিনিয়ে করলো ব্যথা কিছুক্ষনে,
হারিয়ে গেছে মুখের ভাষা, চেয়ে রইলাম শূন্য পানে।
এমনি করে লাখ শিশু ঘোরে ফেরে অনাহারে,
দুমুঠো অন্য খোজে, হাতটি বাড়ায় সবার তরে।
আমি একা তুচ্ছ মানুষ, হাজার শিশুর অন্য দিতে,
যদি সবাই চোখটি মেলে, ওরাও পারে আহার পেতে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




