শুরুতেই থাকছে রাজাকারগুরু গো’আযমের হালখাতা...
গুলাম আযম ওরফে গো’আযমের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন জায়গায় শান্তিকমিটি, রাজাকার, আল-বাদর, আল-শামস ও মুজাহিদ বাহিনী গঠন করা হয়। এসব কমিটি গঠনের পর গো’আযম বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন এবং কুচকাওয়াজের সালাম গ্রহণ করে। এরপর এসব ক্যাম্পে কার কী পরিমাণ অস্ত্র দরকার তা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে তালিকা পাঠিয়ে সুপারিশ করেছিলো গো’আযম। জামাত ও তাদের ছাত্র সংগঠন ছাত্রসংঘ এবং জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার মাধ্যমে এসব বাহিনীতে লোক নিয়োগ করা হতো। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের আগ পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটতে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগী বাহিনীর মাধ্যমে যা কিছু পরিচালিত হয়েছে, তার সব কিছুই হয়েছে গো’আযমের মূল নেতৃত্বে। সব ঘটনার জন্য মূলত সে-ই দায়ী। অভিযোগ গঠনের এই উপাদানগুলো তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। গো’আযমের নেতৃত্বে ১৪ ডিসেম্বর শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ বুদ্ধিজীবী হত্যা করা হয়। বাংলাদেশে যে সব ওয়ারক্রাইম ঘটনা ঘটেছে তার জন্য গো’আযম দায়ী। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৈরতলা নামক স্থানে সিরু মিয়াসহ ৩৮ জনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার সঙ্গেও গো’আযম জড়িত। তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান বলেন, ৪০ বছর আগের ঘটনা হওয়ায় প্রতিবেদনে ব্যক্তি সাক্ষীর পাশাপাশি তৎকালীন সময়ের বিভিন্ন নথিপত্রকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
অতএব এখনই উপযুক্ত সময় রাজাকারগুরু গো’আযম সহ গ্রেফতারকৃত সকল রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীর বিচার কাজ দ্রূত সম্পন্ন্য করা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



