২৫ নভেম্বর ২০০৯ একটি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত একটি খবরে চোখ আটকে যায়। শিরোনামটা ছিল: ‘পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেবে জামায়াত’। শিরোনামটা দেখে আমি বিস্ময়ে হতবাক হয়েছি। কারণ কুখ্যাত ধর্মব্যবসায়ী জামাত ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সক্রিয় সহযোগী ছিল। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি, স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বকে কখনোই মেনে নেয়নি। যারা এ দেশের অস্তিত্বকে কখনোই মেনে নেয়নি, যারা এদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাসী নয়, যারা কখনো তাদের অপরাধ স্বীকার করেনি বরং যারা এখনো নিজেদের রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করে, সেই কুখ্যাত মহামিথ্যাবাদী সংগঠন দেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা! কি বিচিত্র এই দেশ! আশ্চর্য হওয়ার মতো সরকারের ভূমিকা!
২০০৮ সালের ১১ জুলাই ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ’ গঠন করার নামে মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছিত করেছে জালিম মৌলবাদী এই নামধারী মুসলমানদাবীদার ‘জামায়াতে ইসলামী’ নামের সংগঠনটির জঙ্গি ক্যাডাররা।
সেদিনের পত্র-পত্রিকার খবরে দেখা গেছে, জামাত-শিবিরের জঙ্গি ক্যাডারদের হাতে লাঞ্ছিত, নির্যাতিত হচ্ছেন জাতির গর্বিত সন্তান এক মুক্তিযোদ্ধা। আজ আবার কী মতলবে পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেয়ার কথা বলছে তারা?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



