গতকাল (২৪ অক্টোবর ২০১০) বিভাসের বাসায় যাওয়ার কথা ছিল। দুপুর বারোটার সময় ওর এলাকা আলমনগরে পৌঁছে গেলাম। আলম নগর আমিন বাজার ছাড়িয়ে হেমায়েতপুরের কাছাকাছি একটা এলাকা। আলম নগরের গেটে পৌঁছে বিভাসকে কল দিচ্ছি কিন্তু ধরে না। মোবাইল সাইলেন্ট করে ঘুমাচ্ছে হয়ত। ওর বাসাতো চিনি না। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে এলাকাটা দেখতে থাকলাম। সাথে একমাত্র স্ত্রী। আনডার ডেভলপড এরিয়া। কিছু ডেভলপার কোম্পানি কাজ করছে। মাঝে মাঝেই কল দিচ্ছি। কিন্তু ধরে না। আমার স্ত্রী অধৈর্য হয়ে গেল। বলল, চলো বাসায় ফেরত যাই।
ভাবলাম, ডিজিটাল বাদে এনালগ সিস্টেমে একটু চেষ্টা করা যায় কী না? আলম নগরের গেটে ফেরত এলাম। এখানে অনেকগুলো দোকান। একটা দোকান লক্ষ্য করে এগিয়ে গেলাম। এই দোকানদার জানতে পারে।
দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলাম, ইঞ্জিনিয়ার বিভাসকে চিনেন?
লোকটি আমাকে ইশারা করে, খদ্দেরকে সদাই পাতি দিতে থাকলো। একটু ফ্রি হয়ে জানতে চাইল, একটা ছেলে আছে, না? আমি বললাম, হ্যাঁ।
সোজা ছয় নম্বর রোডের শুরুতে ফ্রেণ্ডস ভিউতে।
অবশেষে ছয় নম্বর রোডের ফ্রেণ্ডস ভিউতে তাকে খুঁজে হয়রান। এখানে যে ছোট বাচ্চাকে পাওয়া গেল, তার নাম অনুভব। আমরা খুঁজছি নিলয়দের বাসা। ভাগ্যিস নিলয় নামটা মনে ছিলো। নিলয় বিভাসের ছয় বছর বয়সি বাচ্চার নাম। অনুভভবদের বাসা থেকে জানালো নিলয় থাকে, তিন নম্বর রোডে। এবার আবার তিন নম্বর রোডে এলাম, একটা ভবন লক্ষ্য করে এগিয়ে গেলাম। এখানে থাকতে পারে। জোরে বিভাস বলে একটা হাক ছাড়লাম।পাশের ভবনের বাসিন্দা একজন মহিলাতো বলেই ফেলল, বাসা খুঁচে না পেলে আমাদের বাসায় বেড়িয়ে যান। বিল্ডিংয়ের মহিলা দারোয়ান এগিয়ে এলো, নিলয়ের বাসা তিন তলায়, জানালো। আমাদেরকে গাইড করে নিয়ে গেলো। নিলয় দরজা খুলল। অবশেষে মিলল বিভাস, চেষ্টা এবং ভুল (ট্রায়াল এণ্ড ইরর পদ্ধতিতে)। বিভাসকে মিলল, বিছানায় ঘুমন্ত, ঘড়ির কাটা ১২টা ৪১, পাশেই মোবাইলটা সাইলেন্ট করা। সাইলেন্ট করলে কী ভাইব্রেশনও দেয় না? ঘুম থেকে উঠে বিভাস বলল, ফ্রেণ্ডস ভিউতে আগে ছিলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



