somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাদাত সায়েম
সব থেকে বড় পরিচয় মানুষ। লেখালেখি করার চেস্টা করি; কিন্তু কেন জানি লেখালেখি টা হয় না আমাকে দিয়ে! তাই আপাতত পড়ায় মন দিয়েছি। তবে মাঝে মাঝে আবোলতাবোল লিখি।

আপনার পরিচয় কি? আপনি আসলে কি? ভেবে উত্তর দিয়েন।।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(আমার নিজস্ব লেখা। সময় নিয়ে পড়বেন এবং খুবই সুচিন্তিত মতামত জানাবেন। প্লিজ কেউ গালি দিবেন না। নাস্তিক বা জঙ্গিও বলবেন না।)

আমাদের বাঙালি মুসলমানদের ভবিষ্যৎ খুব একটা ভাল না।
কারন আমরা এখন পর্যন্ত এটাই ঠিক করতে পারিনি আমরা আসলে কি?

আজ থেকে হাজার বছর আগে আমদের পূর্বপুরুষদের মনে হল যে আমরা নিচু জাত। উঁচু জাতের ব্রাহ্মণরা আমাদের দাম দেয়না, তারা আমাদের শোষণ করে। সুতরাং সত্য ধর্ম গ্রহণ করা উচিৎ। তাই মুসলমান হওয়া শুরু করলো।

যখন ইংরেজ আসলো তখন আমাদের ভাব এমন "ক্ষমতায় কে আসলো বা গেলো তাতে আমাদের কি? আমরা তো খাই চাষ করে।"

"৪৭ আসতে আসতে আমরা আবিষ্কার করলাম আমরা পাক্কা মুসলমান। হিন্দুদের সাথে এই কয়েকশো বছর থাকলাম ঠিক আছে, কিন্তু এখন আর সম্ভব নয়। আলাদা রাস্ট্র দরকার। "টু নেশন" এর ভিত্তিতে আমরা তৈরি করলাম পাকিস্তান। সেই সাধের পাকিস্তান ২৩ বছর এর শিশুকাল না পেরোতেই আমাদের হঠাৎ মনে হলো "আমরা আসলে বাঙালি। পাকিস্তানি মুসলমানদের সাথে আমাদের আর চলছে না।আমাদের দরকার নিজের দেশ।"

ফলস্বরূপ "৭১ এ দেশকে আবার দুই টুকরো করে তৈরি করলাম বাংলাদেশ।

আহা! সাধের বাংলাদেশ। স্বপ্নের দেশ। ৪ বছর নাই পেরোতেই দেশের সুপ্রিম লিডারের মর্মান্তিক পতন ঘটলো। চশমা পড়া এক ভদ্রলোক আসলেন। আমরা আবার বলা শুরু করলাম " নাহ রে ভাই। আমরা আসলে বাংলাদেশি"।

তারপর থেকে প্রায় ৪২ বছর কেটে গেছে। ইংরেজরা যাওয়ার পর থেকে দেশ কয়েক টুকরো হয়েছে। কিন্তু আমরা আমাদের পরিচয় আজো খুজে পেলাম না।

এখনো নির্বাচন আসলে একদল দু'হাতে টাকা কামায়, তো অন্যদল জমি বিক্রি করে জামিন নিতে হাইকোর্ট যায়।

যে ভাষার ভিত্তিতে নাকি দেশ গঠিত হলো সেই বাংলার ব্যবহার কই? ইংরেজি ছাড়া তো কিছুরই দাম নাই। যে উর্দুর বিরুদ্ধে আমরা জীবন দিলাম, তারই জাতভাই হিন্দি আমাদের প্রত্যেকের ঘরে ঘরে। একদম বেডরুমে, বুকের কাছে।

আরেকখান শেষ কথা কইয়া যাই, যদিও কওয়া উচিৎ নয়। (আমারও প্রাণের ভয় আছে)

যে গণতন্ত্রের জন্য নাকি আমরা যুদ্ধ করে নতুন দেশ বানালাম, ইয়াহিয়ার গুষ্টি উদ্ধার করলাম। এখনো কোটি কোটি শিক্ষার্থী তাদের পাঠ্যবইয়ে, পরীক্ষার খাতায় একই কাজ করেই চলছে, সেই গণতন্ত্র কোথায়???
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:২৮
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন মায়াবতী

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২০




আষাঢ় মাসের অতি মনোমুগ্ধকর এক সন্ধ্যা।
রাত প্রায় নয়টা। আমি বলাকা সিনেমা হল থেকে বের হয়ে একটা হোটেলে ভাত খেতে ঢুকেছি। হোটেলের নাম- তাজমহল রেস্টুরেন্ট। তাজমহল হোটেলের পাশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

"জয় চেরনোবগ"

লিখেছেন উদাসী স্বপ্ন, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:৫৯


ইউরোপের অনেক রেস্টুরেন্টের বারে ফানবোর্ডে লেখা থাকে "ড্রিংক বিয়ার সেভ ওয়াটার"। এই লেখাটা প্রথমবার দেখে বেশ হাসি আসলেও বারটেন্ডার যখন বললো আফ্রিকার অনেক দেশে বিশুদ্ধ পানির দাম বীয়ারের চেয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভৌতিক কাহিনী - জ্বীন সাধনা [প্রথম পর্ব]

লিখেছেন নীল আকাশ, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:১৩



ভর দুপুরবেলা। রিক্সা থেকে নেমেই তাড়াহুড়া করে কুরিয়ার সাভির্সের একটা দোকানে ঢুকল রুমি। ছোট কাগজে লেখা একটা গোপন নাম্বার দেখাতেই দোকানদার ওর হাতে একটা মাঝারি সাইজের প্যাকেট তুলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

» প্রকৃতির ছবি, দেশের ছবি (ক্যানন ক্যামেরায় তোলা)-২

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৪

বিভিন্ন সময়ে তোলা ক্যানন ক্যামেরার ছবি। আশাকরি ভালো লাগবে আপনাদের ।



হীম পড়েছে তো হয়েছেটা কী-টক খেতে কী মানা
পকেট থেকে বের করো তো পয়সা দু'আনা,
কিপটে মানুষ ফাঁকি বাজি-কত কিছু জানো
যেমন করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

চিরল কাঁটার বাতাস

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪০


আমার গাড়িতে একটা লাশ। আমি গাড়িটা চালিয়ে যাচ্ছি। হ্যাঁ, আমিই বহন করে নিয়ে যাচ্ছি লাশটাকে। লাশটা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে না। একজন মানুষ যখন মারা যায়, তার রক্ত, বীর্য, ঘাম,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×