রূপসীদের কোন সুনির্ধারিত বিষয়ে অভিমান থাকে না , তবুও গুচ্ছ গুচ্ছ বিষাদ ঝুলিয়ে রাখে তাদের অসম্ভব নির্লিপ্ত চোখে ! আর ঠোঁটের কোণে লেগে থাকে সমগ্র রাত্রির অবহেলিত অশ্রুর আওয়াজ । এইসব অবহেলিত অশ্রু-সমগ্র জমা হতে থাকে তাদের অভিমানী হৃদপিণ্ডের কোন এক গোপনীয় প্রকোষ্ঠে , যার খোঁজ কেউ কোনদিন রাখেনি অথবা রাখার প্রয়োজনীয়তাই হয়তো ছিল না ।
মেঘ অথবা জল , জল অথবা বাষ্পের মধ্যে কোনকালেই সুবিন্যস্ত ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়নি কোন এলো-ভোলা কবির দৃষ্টিতে । তবুও মেঘেদের সাথে রূপসীদের রয়েছে বহুকালের অলিখিত সখ্যতা , এটা সকল কবি-মাত্ররই দৃষ্টির গোচরে। তাই বিবর্ণ পাথরের সাথে রূপসীদের প্রায়শই কথোপকথন হয় উপ-লৈখিক স্বপ্ন-প্রহরগুলোতে , বিষয়সমূহ অনির্ধারিত থেকে যায় চিরকালই ।
উড়ন্ত-বিহীন পাখিদের ডানায় সন্ধ্যা নামলে , অসংখ্য নীলাভ বিচ্ছুরণ বের হয়ে আসে তাদের লাবণ্যময় বৈদ্যুতিক চর্মের উপরিভাগ হতে । অথচ পাখি বিষয়ে রূপসীদের কোন কালেই আগ্রহ ছিল না । রূপসীদের কানের দুল আর একুরিয়ামের মাছেদের মধ্যে রয়েছে অপ্রকাশিত প্রেম , কাঁচের দেয়াল ভেদ করেও মাছেরা তা স্পষ্ট টের পায় । তাই সংবিঘ্ন চোখে চেয়ে থাকে ঝুরি ঝুরি জোছনায় ।
এক খন্ড মেঘ , দুই টুকরো পাথর , কয়েকটি পাখি আর সমগ্র একুরিয়ামের মাছ সব কিছু নিদারুণ পাপে চলে গেলে , একদিন হয়তো রূপসীর ঘোর ভাঙ্গে !
**
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুন, ২০১২ রাত ৯:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



