এক বৃক্ষের বাগান...
“on behalf of Sheikh Mujib”- এ কথা বলে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করাতেই যে মেজর জিয়া বাঙ্গালীদের যুদ্ধে যেতে ঊদ্বূদ্ধ করেছেন তাতেও তো আমাদের কার দ্বিমত নেই। আমার মনে হয় আমরা স্বাধীনতার ঘোষক হিসবে জানি মেজর জিয়া কে।
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে? আমাদের কাছে প্রায় ভুলে যাওয়া একটি নাম – এম এ জি ওসমানী।
মুক্তিযুদ্ধে আমরা আমাদের সেনাবাহীকেও পেয়েছি। আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতকেও পেয়েছি। তবে পাকবাহিনী কেন ভারতের জগজীৎ সিং আরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করলো, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী তখন কোথায় ছিলেন তা সম্পর্কে আমি এমন কিছু জানতে পারি নি যাতে আমি সন্তুষ্ট হতে পারি।
আমাদের চার জাতীয় নেতার কথা মনে আছে কার? তাদের বউ-বাচ্চারা তো মূলধারার রাজনীতি থেকে অনেক দূরে।
সে যাই হোক...যুদ্ধ পরবর্তি এই দেশে অনেক কিছু হয়েছে। অনেক সামরিক অভ্যুথ্থান হল। জল অনেক দূর গড়াল...রক্তও গড়ালো।
এখন দেশে চলছে নীরব গৃহযুদ্ধ। এক দল আরেক দলকে সহ্য করতে পারে নাহ। এক ধরনে তিতা তিতা সুখ লাগে যখন গণতন্ত্রের তসবি জপতে থাকা দলগুলোকে মূখোমুখি হতে দেখি।
তবে আমার মনে হয় আমাদের প্রজন্ম আস্তে আস্তে মূলধারা থেকে অনেক দূরে চলে যাবে। আজ যদি কেউ আমাদের নেতা শেখ সাহেব কে নিয়ে কিছু বলার দুঃসাহস দেখায় তবে আমরা তার জন্য কাকে দায়ী করতে পারি? পত্রিকা, টেলিভিশন, রেডিও –ধরে নিলাম সবাই মিথ্যে বলছে। কিন্তু চোখের সামনে ঘটে যাওয়া ঘটনা ভুলে যাব কিভাবে? স্মৃতি এতটা দূর্বল ও নয়, প্রতারক ও নয়।
হাসি পায় যখন দেখি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তিকে ভোট যুদ্ধে জেতার জন্য একজন সামরিক শাসক,কিছু ফতোয়াবাজ কাঠমোল্লা আর বামপন্থীদের সাথে জোট বাঁধতে হয়। আমাদের উপর বিশ্বাস নেই? আমরা তো বঙ্গবন্ধুর আপোষহীন আওয়ামী লীগ দেখতে চেয়েছিলাম।
সে যাই হোক...এখন দেশে যেমন চলছে তা হল – কেউ যদি বিএনপি করে তাহলে সে হল দূর্নীতিবাজ,রাজাকার এর সহযোগী। কেউ যদি জামায়াত করে তাহলে সে পাকিস্তানের দালাল,রাজাকার,পাক-বাহিনীর জারজ সন্তান। কেউ যদি আওয়ামী লীগ করে, তাহলে সে নিজেই নিরাপত্তাহীন; কখন কোন পাতিনেতা ধরে চর-থাপ্পর লাগায়।
অবশ্য এখন সবাই নিরাপত্তাহীন। খুন,ধর্ষণ,লুট আর চাঁদাবাজী- যা ই হোক না কেন গ্রেপ্তার হবে শুধু বিরোধী দল। একট কথা আমরা সবাই ভুলে যাই তা হল- মুজিব হত্যা, জিয়া হত্যা, রমনা বটমূল বোমা হামলা, ২১ আগষ্ট গ্রেণেড হামলা- এসব ঘটনার যদি পরিপূর্ন তদন্ত না হয় তাহলে এ জাতি নিরাপত্তা পাবে না কখনই।
ক্ষমতা কোন দল/ব্যাক্তি চিরকাল পায় না। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সরকার হতে হয় দলীয় পরিচইয়ের ঊর্ধে। আজ আওয়ামী সরকার যদি নিজেদের পূণর্গঠন (তৃনমূল পর্যায় থেকে) এবং বিরোধী দলের বঞ্ছিতদের পূণর্বাসন করত তাহলে আমাদের মনে হত আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বাস করি। কিন্তু পরিস্থিতি এখন সম্পুর্ণ ভিন্ন। আমি যদি সরকারের গঠনমূলক সমালোচনাও করে থাকি তাতেও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার এবং দেশদ্রোহি আখ্যায়িত হবার সম্ভাবনা প্রচুর। (এর মধ্যে যদি মারা যাই তাহলে তো লাশ নিয়ে কারাকারি পড়বে)
তবুও খুব বলতে ইচ্ছে করে... দেশটা তো আমাদের সবার,তাই না? আসুন না...সবাই একট সহনশীল হই... নিজে যে দল করেন,তার বিরোধী দলের একজনকে নিয়ে বসে চা-নাস্তা খান...গল্প করেন। দেখবেন আপনারা সবাই বুকে পূষে রাখছেন একটি দেশ...বাংলাদেশ।
আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাগরূক আওয়ামী লীগের উচিৎ এটা অনুধাবন করা যে মুজিব আমাদের সবার নেতা...আমাদের বট-বৃক্ষ। যার ছায়ায় আমরা স্বাধীনতার সীমানা খুঁজে নিয়েছি। এটা নিয়ে এই প্রজন্ম দ্বিধাবিভক্ত নয়। সেই সাথে আওয়ামী লীগের এটাও অনুধাবন করা উচিৎ, এক বৃক্ষে বাগান হয় না। বৃক্ষের ছায়ায় অন্যদেরও বেড়ে উঠতে দিন। আমাদের স্বপ্ন দেখার অধিকার ছিনিয়ে নেবেন না...
আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?
আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?
হয়তো আজ টেলিফোনও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মতো স্মার্ট হতো!

একসময় মানুষের দূর-দূরান্তে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল টেলিফোন। মোবাইল ফোনের মতোই টেলিফোন দিয়ে কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন
শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....
এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
বলুন - "হ্যালো আল্লাহ্, আমি এখনো বেঁচে আছি!"
আপনার কাছে মনে হচ্ছে, আল্লাহ্ আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
তিনি আপনার দোয়া কবুল করছেন না।
আপনার কাছের মানুষকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন।
আপনার কোন চাকরী নাই। রিজিক ছোট হয়ে এসেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
উচ্চবংশীয় ছাগল!

এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন
কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া কি ছিল?

কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া হলো উদ্ভব। কারণ সৃষ্টি বা তৈরী কারক না থাকা। তাতে কী উদ্ভব হবে এটা অনিদৃষ্ট। কারণ এটা নিদৃষ্ট করার কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।