এক দেশে আছিল এক মোল্লা। তার পাশের বাড়িতে থাকতো এক শিল্পী।
মোল্লা আজকে রহিমের বাড়িতে মিলাদ খাইলে কালকে করিমের বাড়িতে গিয়া হালুয়া খাইতো। বিয়া করছে চারটা। তার মধ্যে দুইটা আবার কচি।
শিল্পী হালায় গোসল করে না ঠিকমতো। গান লেখে, গান গায়।
মোল্লা কয়, "শিল্পী নাফরমানটা একটা আনপ্রোডাকটিভের হাড্ডি। কাম নাই কাজ নাই আল্লাহখোদার নাম লয় না। গোসল করে না। কে জানে মুইতা পানি লয় কি না। আস্তাগফিরুল্লাহ।"
শিল্পী গায়, "দে পানাহ দে ইয়া এলাহি দে পানাআআআআহ ...।"
তো দিন যায়। মোল্লা তো চার বউরে লাগায়া ভালো প্রোডাকশন চালু রাখছে। নাতিপুতি ম্যালা। কোনটা মাদ্রাসায় গিয়া আল্লাহখোদার হরফ পড়ে, আবার কোনটা বাংলা মাধ্যমে পড়ার নাম কইরা সিনেমা দ্যাখে আর বিড়ি ফুঁকে।
তবে শরমের কথা, শরম লাগলেও বলি। একটা জংলি ছাগলি আছিল না মহল্লায়? ঐ যে ঘুরতো ফিরতো আর তরকারির খোসা খাইতো? একদিন মোল্লা ছাব একটু গড়ম হইয়া ঐ ছাগির সাথে ... বুঝতেই পারতেছেন, মহব্বত করছিলেন। তো ছাগলির পেটে উনার একটা প্রোডাকশন হইছে। সে আবার মাশাল্লাহ ইংরাজি মাধ্যমে লেখাপড়া করছে। এখন সে নাকি কম্পিউটার লইয়া কি একটা ব্যবসাপাতি করে। সুবহানাল্লাহ।
তো, সেই ছাগলা প্রোডাকশন পোলাটা আবার শিল্পীগো চানস পাইলেই গাইলায়।
শিল্পীর তো ঐদিকে কোন প্রোডাকশন নাই। তাই তার গান শুইনা যারা খুশি তারাই সেইসব গালির জবাব দেয়। কয় ঐ ছাগলের পোনা, কতা কম ক।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



