কৌশিক নামক এক মানুষ নয়, আলীগ(কারণ আলীগ আর মানুষ ভিন্ন প্রজাতি) অজীব এর রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা উপলক্ষে অতি উল্লসিত হয়েছিলেন। বাংলাদেশের মানুষের জন্য এর চেয়ে বর্তমানে আর কোন দ:সংবাদ বোধহয় আর কোনটি নয়। বংগশত্রু এদেশে গনতন্ত্র হত্যা করেছিলেন। অবশ্য প্রথম খুন তিনি করেছিলেন অবিভক্ত পাকিস্তান সংসদের স্পিকারকে। এরপর নিয়তির অমোঘ বিধানে যেদিন তিনি নির্বংশ হয়েছিলেন, সে দিন জাতি স্বস্তি পেয়েছিল।
কিন্তু দু:খজনক হলো শেখ নাচিনা এবং শেখ হারেনা নামক দুই কাল নাগিনী বেচে রইল। তারা আবার এজাতির উপর সওয়ার হয়ে দেশ ধ্বংসের খেলায় মেতে উঠেছিলো যার ফলাফল আজকের এই জরুরী অবস্থা । দেশটা যেন ওদের বাপের তালুক, যা খুশি তা করবে। ভেবেছিলেন বিদেশিদের প্রসাব পান করে ক্ষমতায় যাবেন, তাও গুঁড়েবালি। পশ্চিমারা যার বন্ধু, তার শত্রুর প্রয়োজন নেই। শেখ নাচিনাকে জেলে প্রেরণের মাধ্যমে আবার তা সত্যে প্রমানিত হয়েছে।
এখন আবার শুনা যাচ্ছে পশ্চিমাদের গোলাম নাচিনার পোলা অজীব নাকি বাপের জমিদারীর হাল ধরার খায়েস হইছে। দেশে আসব, রাজনীতি করবো, রাজা হইব। এক রাজপুত্রের দাপটে দেশের অবস্থা রসাতলে, আরেক জন আইসা বংগোপসাগরের তলাই লইয়া যাইব। অজিব কয়, আলীগ নাকি গনতান্ত্রিক দল, যেমন মা মিথু্যক, তেমন বেটা।
আলীগ এমন একটা দল, যারা কখনও স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে জিততে পারেনি, পারবেওনা। ভোট চুরি, ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং সব ওদের আমদানী।74 এ চরম ভোট চুরি করেছে, 96 তে জ্বালাও পোড়াও নীতি অবলম্বন করে জনমনে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করে স্বৈরাচারের সাহায্য নিয়ে ক্ষমতায় গিয়েছে। এইবারও একই পরিস্থিতি তৈরী করে মসনদে বসার পায়তারা করতেছে। শান্তও স্বাভাবিক পরিবেশে ওরা সবসময় হারু পার্টি।
খুনের ব্যাপারে হাসিনার নেশা ওর বাপকে হার মানিয়েছে।ওর বাপ হাজার হাজার বামপন্থিদের হত্যা করেছিলো, বেটি আবার একটা লাশের পরিবর্তে দশটা চায়। অতি সমপ্রতি 28এ অক্টোবরে যে আওয়ামী তান্ডব দেখা গেল, তা চেংগিস, হালাকুদের হার মানিয়েছে। এরা নাকি গনতন্ত্রের কথা বলে, মুখে যা বলে, কোন আওয়ামিলীগার মনে তা বিশ্বাস করেনা, একটা ফ্যাসিস্ট দল। বাংলাদেশ স্বনির্ভর ও উন্নতির জন্য সবচেয়ে বড় বাধা ভারতের পদলেহনকারি এই দলটি। এদের প্রতিরোধ করা সকল সচেতন দেশ প্রেমিক নাগরিকের কর্তব্য।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



