somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাসিরউদ্দিন হজ্জা, কূপ থেকে দড়ি দিয়ে চাঁদ তোলা এবং আঙ্গুলের ইশারায় চাঁদ দ্বিখণ্ডন!!!!!!

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এটি কিসের ছবি মনে হতে পারে। চাঁদের ছবি?


নাসিরুদ্দিন হজ্জা একবার চাঁদনী রাতে কূপ থেকে জল তোলার সময় দেখতে পেল চাঁদ কূপের পানিতে ডুবে গেছে। তাই সে ঠিক করল কূপ থাকে চাঁদ টেনে তুলতে হবে। দড়ি লাগিয়ে সে আর তার বউ টানাটানি শুরু করল, কিন্তু চাঁদ তো উঠলই না, উপরন্তু দড়ি ছিঁড়ে চাঁদের উপর পরে গেল। এটা হল সেই চাঁদের গায়ে দড়ি পরার দাগ।

বলতে গেলে জ্ঞ্যান হউয়ার আগ থাইকাই আমরা বাপ দাদার সাথে মসজিদে জুম্মার নামাজ পরতে যাই আর মসজিদের ইমামের সুন্দর সুন্দর কনভিঞ্চিং বক্তৃতা শুনি। ইমামও পাল্লা দিয়া সুন্দর সন্দর বয়ান দিত যাতে ওয়াজ মাহফিলে ডাক পায়। তো একদিন বক্তৃতা দেওয়ার সময় কেমনে ইসলামের শেষ প্রফেট আঙ্গুল দিয়া চাঁদ দুই ভাগ করেছিল সেই বয়ান দিতেছিল এবং ঘটনাক্রমে ইহাও কইল নাস্তিক মুরতাদ আম্রিকান্রা চাঁদে গিয়া যে ছবি নিয়া আসছে সেখানে নাকি চাঁদ দুই ভাগ হউয়ার চিনহ পাওয়া গেছে।এই দিয়া সে প্রমান করিল ইট ওয়াজ হ্যাপেন্ড। এখনও জ্ঞান হইছে কিনা জানি না তবে ইন্টারনেট বিছাইতে বিছাইতে ছবি খানা দেখলাম এবং বুঝলাম ইহাই সেই ছবি।

দাঁড়ান শেষ হয় নাই কিন্তু, চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হইলে উহাকে অবশ্যই পরিধি বরাবর প্রায় ১০০০০ কিমির চিনহ থাকতে হবে, কিন্তু যে চিনহ দেখা যাচ্ছে ঐ চিনহ্র দৈর্ঘ্য নাকি ৩০০ কিমি এর বেশি না। ইহার এক খানা ফেঞ্চি নামও দিছে, নামটা হইল Rima Ariadaeus যাহা দুইটা ফল্ট লাইনের চাপের ফলে চাঁদের ক্রাস্ট ডাইবা গেছে। তাইলে কেমনে কি? আরও একটু ঘাটাঘাটি করিলাম যদি এই রকম চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হইতে পারে তাইলে কেমনে সম্ভব? যা বুঝিতেঁ পারিলাম ইহার জন্যে বেসম্ভব পরিমান শক্তি লাগবে এবং সাথেই সাথেই জোড়া লাগিতে হইবে। আবার মারজের সময় যে পরিমান এনার্জি রিলিজ হবে অইটা দিয়া চাঁদের কোর সম্পূর্ণ ভাবে গলিয়া যাইবে। পরে নাকি এইটারে নাসার বিজ্ঞানীরা বলছে হোয়াক্স, কারন এমন কোন এভিডেন্স এখনও বিজ্ঞ্যানিরা পায় নাই যেটা দিয়া বলা যায় এরকম ঘটনা ঘটছে।

এত বগর বগর করার উদ্দশ্য হইল এক সময় মুসলিমদের সাইন্স টেকনলজি আর চিকিৎসায় অনেক অবদান ছিল, এখন নাই কেন? কারন সাইন্সের চর্চা যদি কন্টিনিঊ করত তাইলে আর এই রকম সুডসাইন্সের আশ্রয় নিতে হইত না, আর মূর্খ মউলোভীরাও এইভাবে লোক জনের ব্রেইনডেথ করতে পারত না।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:৩৬
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×