
এটি কিসের ছবি মনে হতে পারে। চাঁদের ছবি?
নাসিরুদ্দিন হজ্জা একবার চাঁদনী রাতে কূপ থেকে জল তোলার সময় দেখতে পেল চাঁদ কূপের পানিতে ডুবে গেছে। তাই সে ঠিক করল কূপ থাকে চাঁদ টেনে তুলতে হবে। দড়ি লাগিয়ে সে আর তার বউ টানাটানি শুরু করল, কিন্তু চাঁদ তো উঠলই না, উপরন্তু দড়ি ছিঁড়ে চাঁদের উপর পরে গেল। এটা হল সেই চাঁদের গায়ে দড়ি পরার দাগ।
বলতে গেলে জ্ঞ্যান হউয়ার আগ থাইকাই আমরা বাপ দাদার সাথে মসজিদে জুম্মার নামাজ পরতে যাই আর মসজিদের ইমামের সুন্দর সুন্দর কনভিঞ্চিং বক্তৃতা শুনি। ইমামও পাল্লা দিয়া সুন্দর সন্দর বয়ান দিত যাতে ওয়াজ মাহফিলে ডাক পায়। তো একদিন বক্তৃতা দেওয়ার সময় কেমনে ইসলামের শেষ প্রফেট আঙ্গুল দিয়া চাঁদ দুই ভাগ করেছিল সেই বয়ান দিতেছিল এবং ঘটনাক্রমে ইহাও কইল নাস্তিক মুরতাদ আম্রিকান্রা চাঁদে গিয়া যে ছবি নিয়া আসছে সেখানে নাকি চাঁদ দুই ভাগ হউয়ার চিনহ পাওয়া গেছে।এই দিয়া সে প্রমান করিল ইট ওয়াজ হ্যাপেন্ড। এখনও জ্ঞান হইছে কিনা জানি না তবে ইন্টারনেট বিছাইতে বিছাইতে ছবি খানা দেখলাম এবং বুঝলাম ইহাই সেই ছবি।
দাঁড়ান শেষ হয় নাই কিন্তু, চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হইলে উহাকে অবশ্যই পরিধি বরাবর প্রায় ১০০০০ কিমির চিনহ থাকতে হবে, কিন্তু যে চিনহ দেখা যাচ্ছে ঐ চিনহ্র দৈর্ঘ্য নাকি ৩০০ কিমি এর বেশি না। ইহার এক খানা ফেঞ্চি নামও দিছে, নামটা হইল Rima Ariadaeus যাহা দুইটা ফল্ট লাইনের চাপের ফলে চাঁদের ক্রাস্ট ডাইবা গেছে। তাইলে কেমনে কি? আরও একটু ঘাটাঘাটি করিলাম যদি এই রকম চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হইতে পারে তাইলে কেমনে সম্ভব? যা বুঝিতেঁ পারিলাম ইহার জন্যে বেসম্ভব পরিমান শক্তি লাগবে এবং সাথেই সাথেই জোড়া লাগিতে হইবে। আবার মারজের সময় যে পরিমান এনার্জি রিলিজ হবে অইটা দিয়া চাঁদের কোর সম্পূর্ণ ভাবে গলিয়া যাইবে। পরে নাকি এইটারে নাসার বিজ্ঞানীরা বলছে হোয়াক্স, কারন এমন কোন এভিডেন্স এখনও বিজ্ঞ্যানিরা পায় নাই যেটা দিয়া বলা যায় এরকম ঘটনা ঘটছে।
এত বগর বগর করার উদ্দশ্য হইল এক সময় মুসলিমদের সাইন্স টেকনলজি আর চিকিৎসায় অনেক অবদান ছিল, এখন নাই কেন? কারন সাইন্সের চর্চা যদি কন্টিনিঊ করত তাইলে আর এই রকম সুডসাইন্সের আশ্রয় নিতে হইত না, আর মূর্খ মউলোভীরাও এইভাবে লোক জনের ব্রেইনডেথ করতে পারত না।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




