
ছোট বেলায় শিরোনামে থাকা বাক্যটি কত বার পড়েছি বা লেখেছি তার হিসেব নেই।
আমরা একসময় পাট নিয়ে গর্ব করতাম। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পাটকল আমাদেরই ছিল। দেশের Export income এর বড় অংশ পাট থেকেই আসত। গ্রামের পথ-ঘাট, খাল-বিলের পানি সব জায়গাতেই পাট পচা গনধে নাক রাখা দায় ছিল। পথের ধার ঘেসে, পথের উপরে পাটকাঠি আর পাটের আশঁ গাদা করা থাকত।
এগুলো এখন ইতিহাস হয়ে গেছে।
এখন আর ছেলেমেয়েদের পাটের রচনা পড়তে হয়না। এর ইতিহাসও পড়ানো হয়না। কারন পড়ালে ছেলেমেয়েরা জানতে চাইবে, এক সময়ের সোনালী আশঁ ইতিহাসের পাতা হইল কিভাবে। কিভাবে বাংলাদেশ হবার পর, চোরেরা সব লুটপাট করে খাইল। কার পরামর্শে সাইফুর রহমান পাটকল বনধ করলেন। কার পরামর্শে ভারতের সাথে এমন চুকতি করা হল। আমরা কেন এখন সারা পৃথিবীতে পাট Export করতে পারবনা। এগুলো কাউকে জানানো যাবেনা। তাই এখন JUTE IS THE GOLDEN FIVER OF BANGLADESH কেউ পড়েনা।
অনেকের ধারনা, বেশি বেশি এ + পেলে আমাদের শিক্ষার প্রসার হবে, সুনাম হবে। তাহলে কি সবাইকে এ+ পেতে হবে, সবাই পাশ করলেই কি হয়ে যাবে। আজ পাট চাষ করার মানুষ নেই। দাম পায়না বলেই। আমি বলি, এর কারন শুধু একটা নয়। আরেকটা কারন হল, চাষীর ছেলেটা টেনে টুনে পাশ করে কলেজে গিয়ে পড়তে ভালবাসে। ফেসবুকে ছবি পোষট দিতে ভালবাসে। সে কঠিন কাজ পাট চাষ করতে চায়না। সবাই যখন সার্টিফিকেটধারী হয়ে যাবে, তখন আর labour পাওয়া যাবেনা। executive পাওয়া যাবে। শিক্ষিত বেকার বাড়বে।
শিক্ষা চাই, সুশিক্ষা। তা কম হলেও। সার্টিফিকেটধারী নয়।
ছবি: INTERNET
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



