কবিতা, কী নিয়ে?
পাখিবনে থাকি
আমি পাখির খবর রাখি
পাখিকে শান্তা বলে ডাকি
আসলে শান্তা কি পাখি?
শান্তা কি উড়ে গিয়েছিল, একদিন
আমি তার ওড়ার দিকে তাকিয়ে আকাশ দেখতে থাকি
আকাশ থেকে উড়ে আসে একটি পালক
পালক কুড়িয়ে পালকের ছোঁয়া মাখি
এই মাখামাখি, এই পাখিবনে থাকাথাকি
এই মনের মধ্যে গাছপালা আঁকাআঁকি
এই যে বুকের মধ্যে শীতের রোদ-টোদ ধরে রাখি
রাতে তা ছড়িয়ে দেব বলে
এই যে কবিতা লিখি
এর জন্যে তো কিছু পাওয়া যায় না!
কী চাই তবে, বিনিময়ে, কবিতার?
দুনিয়ায় এত কিছু! আমি শুধু শান্তাকে চাই
যদিও শান্তাকে পেতে হলে
আমাকে ফের ফিরে যেতে হবে পেছনে
দাঁড়িয়ে থাকতে হবে বয়রা মহিলা কলেজের সামনে
ওরে, কতকাল আর সামনে-পেছনে,
সামনে-পেছনে, পেছনে-সামনে ধুর!!
এই সব লিখে লিখে খাব। খাব কি?
কবিতা ছেপেও তো এরা কিছু দেয় না
কেন দেয় না? কিছুই না দিলে
আমি আমার শরীরটাকে বাঁচিয়ে রাখব কী করে, টাকার শহর?
বলো বলো বলো ঢাকা শহর টাকার শহর থাকার শহর, কীভাবে?
মাছমন নিয়ে অ্যাকুয়ারিয়ামের জলে সাঁতার কাটছি আমি
নিশ্চয়ই তুমি দেখতে পাচ্ছ আমার দুর্ভাবনা, এলিট-কয়েদি জীবন
ভাইরে, আর কত? আর কত লেখা হবে
ঐ একঘেয়ে শব্দ, জীবন! জীবন!
এরচে তো প্রথম শব্দটিই একটু নতুন ছিল,
ঐ যে, পাখিবন! পাখিবন!
হুম! তাইলে শেষ শব্দটাও শুনে রাখো।
কিছুই তো নেই, ছিলও না
ছিল একটা মন, সম্পূর্ণ পাখিমন!
ওরে বাবা! পাখিমন আবার কী?
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



