১।বউ এর পছন্দ শাড়ি
বউ এর পছন্দ শাড়ি কাপড় চুরির দায়ে পলিস চোরকে আদালতে ধরে এনেছে । উকিল তাকে জেরা করছে । উকিল : ধর্মাবতার, এই লোকটা এক রাতে একই দোকানে ছ’বার চুরি করেছে। এর সেইমত সাজা হওয়ার দরকার । চোর : হুজুর, ছ’বার দোকানে ঢুকলেও চুরি করেছি মাত্র দুখানা শাড়ি । আর বাকি পাঁচবার বউ এর পছন্দ না হওয়ায় […]
২। পুলিশের বিশ্বাস
ম্যাজিস্ট্রেট: গতবারও তোমাকে বলেছিলাম, আমি চাই না তুমি পুনরায় এখানে আসো।
চোর: স্যার, ঠিক এই কথাটাই আমিও পুলিশকে বলেছিলাম, বিশ্বাস করল না।
৩। দারুণ মজার একটা গল্প
হাসতে হাসতে আদালত থেকে বেরিয়ে আসছিলেন বিচারক। এক সহকর্মী জিজ্ঞেস করলেন, ‘ঘটনা কী? হাসছেন কেন?’ বিচারক বললেন, ‘হা হা হা! এই মাত্র দারুণ মজার একটা গল্প শুনে এলাম।’ : তাই নাকি? বলুন তো গল্পটা, শুনি। : মাথা খারাপ? এই গল্প বলার জন্য একটু আগে আমি তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছি।
৪। দূরে থাকার চেষ্টা
উকিল বলছেন আসামিকে, ‘এবারের মতো তোমাকে বেকসুর খালাস পাইয়ে দিলাম। কিন্তু এখন থেকে পাজি লোকজনের কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবে।’ আসামি: অবশ্যই স্যার। আমি অবশ্যই আপনার কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করব।
৫। ঈদের কেনাকাটা
বিচারক: আপনার অপরাধ? অভিযুক্ত ব্যক্তি: আমি আমার ঈদের কেনাকাটা একটু আগেভাগে সেরে ফেলতে চেয়েছিলাম। বিচারক: কতখানি আগে? অভিযুক্ত ব্যক্তি: দোকান খোলার আগে।
৬। জেলখানার খাবার খুবই জঘন্য
দুই কয়েদি পালিয়েছে জেল থেকে। আবার যখন তাদের আটক করা হলো, কারারক্ষক প্রশ্ন করলেন, ‘তোমরা জেল থেকে পালিয়েছিলে কেন?’
১ম কয়েদি: কারণ, জেলখানার খাবার খুবই জঘন্য। খাওয়া যায় না।
কারারক্ষক: কিন্তু তোমরা জেলের তালা ভাঙলে কী দিয়ে?
২য় কয়েদি: সকালের নাশতার রুটি দিয়ে!
৭। আমরা চারজন ছিলাম
বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলল এক কয়েদি, ‘হুজুর, আমাকে ব্যাংক ডাকাতির মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ আমি একেবারেই নিরপরাধ। আমাকে আপনি বাঁচান।’ সাক্ষী ব্যাংক কর্মকর্তা চিৎকার করে বললেন, ‘না হুজুর! পাঁচ ব্যাংক ডাকাতের মধ্যে এই লোকও ছিল। আমি নিশ্চিত।’
কয়েদি: অসম্ভব! এই লোকটা মিথ্যা বলছে হুজুর। আমরা চারজন ছিলাম!
৮। ফ্যামিলি চোর
কোর্টে জজ সাহেব চোরকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি একই বাড়িতে এই নিয়ে কুড়িবার চুরি করতে গেলে। এর কারণ কী?’ চোর হাসতে হাসতে জবাব দিল, ‘স্যার, আমি ওই বাড়ির ফ্যামিলি চোর।’
৯। নকল টাকা
বিচারক আসামিকে: —নকল টাকা বানিয়েছিলেন কেন?
আসামী—আসল টাকা বানাতে শিখিনি বলে।
১০। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলাম
সড়ক দুর্ঘটনা ঘটানোর অভিযোগে সঞ্জুকে আদালতে হাজির করা হয়েছে—
বিচারক: কীভাবে ঘটালেন দুর্ঘটনাটা?
সঞ্জু: কোন দুর্ঘটনা?
বিচারক: কেন, যে দুর্ঘটনাটির জন্য আপনি আদালতে? সঞ্জু: ওই সময় আমি জেগে থাকলে না হয় বলতে পারতাম। কিন্তু হুজুর, আমি তো ওই দুর্ঘটনার সময় ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলাম।
১১। আপনিই বলে দিন
বিচারক : তোমার বয়স কত?
আসামি : সাত বছর
বিচারক : এটুকু বয়সেই পকেটমার শুরু করেছ? আসামি : তা হলে আপনিই বলে দিন কত বছর বয়স থেকে শুরু করব?
১২। মরতে ইচ্ছে হবে
জেলার : তোমার শেষ ইচ্ছে কী?
আসামি : আমার স্ত্রীর হাতের রান্না খেতে চাই।
জেলার : তাতে মৃত্যুর আগে তৃপ্তি পাবে তুমি?
আসামি : না, তৃপ্তি পাব না। তবে ওর হাতের রান্না খেলেই মরতে ইচ্ছে হবে আমার।
১৩। আমি দায়ী নই
বিচারক : তুমি পকেট মারতে গিয়ে ধরা পড়েছে। তোমার দোষ স্বীকারে আপত্তি আছে?
আসামি : আমি নিরপরাধ হুজুর। ধরা পড়ার জন্য আমি দায়ী নই। লোকটার পকেট এত ছোট ছিল যে, হাতটা টুকিয়ে আর বের করতে পারি না।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




