


▶মূলত ট্রাইব্যুনাল হলো সংবিধান বা অন্য কোনো আইন দ্বারা গঠিত এক ধরনের বিশেষ বিচারিক প্রতিষ্ঠান, যেটি নির্দিষ্ট কিছু বিষয় নিষ্পত্তির কাজ করে থাকে।
▶ প্রচলিত আদালতের এখতিয়ার বেশ বিস্তৃত হলেও ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার খুব সুনির্দিষ্ট। ট্রাইব্যুনালকে তাই 'কুয়াজাই জুডিশিয়াল' বা 'আধা-বিচারিক ব্যবস্থা' হিসেবেও অভিহিত করা হয়। ফ্রান্সে প্রথম এ ধরনের বিচারিক প্রতিষ্ঠানের উদ্ভব হয়।
▶ দ্রুততম সময়ের মধ্যে ন্যায়বিচার এবং অপরাধ দমনে সরকার ট্রাইব্যুনাল ব্যবস্থার প্রবর্তন করে।
▶আদালত ও ট্রাইব্যুনালের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল হলো আধা-বিচারিক প্রতিষ্ঠান, অন্যদিকে আদালত হলো পূর্ণাঙ্গ বিচারিক প্রতিষ্ঠান।
▶কোনো বিশেষ অাইনের অধীনে ট্রাইব্যুনাল স্থাপিত হয়।
যেমন, বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৫-এর অধীনে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল এবং প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৮০-এর আওতায় প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে। একইভাবে, আলোচিত 'আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল' গঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর অধীনে।
▶ট্রাইব্যুনালগুলো স্বাধীনভাবেই কাজ করলেও উচ্চ আদালতের পরিদর্শন এখতিয়ারের (সুপারভাইজরি জুরিসডিকশন) অধীনে থাকে।
▶ বাংলাদেশের ট্রাইব্যুনালগুলো সুুপ্রিমকোর্টের অধীন। ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবার জন্য পৃথক আপিল ট্রাইব্যুনাল থাকতে পারে। সেটি না থাকলে সুপ্রিমকোর্টেই আপিল আবেদন করতে হয়।
▶ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে সরকার মূলত বর্তমান কিংবা অবসরপ্রাপ্ত বিচারক অথবা কোনো আইনজীবীকে নিয়োগ করতে পারে।
▶ট্রাইব্যুনালের কার্যবিধি প্রচলিত আদালত থেকে পৃথক হয়ে থাকে। প্রচলিত দেওয়ানি কিংবা ফৌজদারি কার্যবিধি এবং তামাদি আইন ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে
- এম টি উল্যাহ
০১৭৩৩ ৫৯৪ ২৭০
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



