সাধারণত সশস্ত্র বাহিনীসমূহের অভ্যন্তরে কোনো অপধাধ সংঘটিত হলে, তার বিচার করা হয় সামরিক আদালতে।
কিন্তু যুদ্ধকালে বা কোনো দেশে সামরিক আইন জারি থাকলে, বেসামরিক অপধাধীদের বিচারও সামরিক আদালতে করার বিধান রয়েছে।
▶বাংলাদেশ আর্মি এ্যাক্টের
৩১নং ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যিনি বিদ্রোহ আরম্ভ করেন
বা বিদ্রোহে অন্যকে উত্সাহিত করেন
এবং
দায়িত্বশীলরা উপস্থিত থেকেও সর্বশক্তি প্রয়োগ করে বিদ্রোহ দমন না করেন, সেক্ষেত্রে দু'পক্ষই অভিযুক্ত হবেন।
▶সেনাবাহিনীর সাথে কোনো সামরিক ব্যক্তি বিদ্রোহের কাজে জড়িত থাকলে বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৭নং অনুচ্ছেদের ১৩৯নং ধারায় তারা সামরিক
আদালতে বিচারের আওতায় আসবে।
▶ ১৯৫১ সালের আর্মি এ্যাক্টের ৫(১)নং ধারা অনুযায়ী নির্বাহী আদেশ দিয়ে সেনা আইন, অন্য যে কোনো বাহিনীর ক্ষেত্রে প্রয়োগের বিধান করতে পারে।
কোর্ট মার্শাল হয় দু'ভাবে-
➡সিক্রেট বা ক্যামেরা ট্রায়াল
➡ ওপেন ট্রায়াল।
▶আর্মি এ্যাক্ট অনুযায়ী সামরিক আদালতে মামলার চার্জশিট হয় সামারি অব এভিডেন্স থেকে, তদন্ত থেকে নয়।
▶একজন সেনা কর্মকর্তার নেতৃত্বে কোর্ট মার্শাল গঠন করা হয় অথবা এক বা একাধিক সেনা কর্মকর্তার সমন্বয়ে এ আদালত গঠন করা হয়। জাজ, এ্যাডভোকেট জেনারেল ও কৌঁসূলি নিয়োজিত থাকেন এ আদালতে।
▶সেনা আইনের ৯নং অনুচ্ছেদের ৮০নং ধারা অনুযায়ী চার ধরণের কোর্ট মার্শাল গঠন করার বিধান রয়েছে-
➡জেনারেল কোর্ট মার্শাল,
➡জেলা কোর্ট মার্শাল,
➡ফিল্ড কোর্ট মার্শাল
এবং
➡সংক্ষিপ্ত কোর্ট মার্শাল।
সেনা ছাউনির বাইরেও এ আদালত স্থাপন করা যায়। এক বা একাধিক কোর্ট মার্শালও হতে পারে।
⭐কোর্ট মার্শালে প্রমাণিত অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড
এবং ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড।
⭐১৩৪নং ধারা অনুযায়ী গুলি বা ফাঁসিতে ঝুলিয়ে কার্যকর করার বিধান রয়েছে। কোর্ট মার্শালে বিচারের বিরুদ্ধে বেসামরিক কোন আদালতে আপিলের সুযোগ নেই।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


